Sunday, March 2, 2025

এমন বিচার কি এখন হয়???
......................................................................
সিরিয়ার একটি শহরের নাম রাকা। সেখান থেকে খলিফা হারুনুর-রশিদের নিকট চিঠি আসলো।

চিঠিতে লেখা ছিল: শহরের বিচারক এক মাস যাবত অসুস্থ,বিচার কাজ স্থগিত হয়ে আছে । খলিফা যেন দ্রুত ব্যবস্থা করেন । খলিফা চিঠির জবাব পাঠালেন । আগামী সপ্তাহের মধ্যে নতুন বিচারক আসবেন । এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন বিচারক এসে যোগ দিলেন ।

বিচার কাজ শুরু হয়েছে । স্থানীয় প্রহরীরা একজন বৃদ্ধা মহিলাকে আসামী হিসেবে দরবারে হাজির করলেন । তার অপরাধ ছিল তিনি শহরের এক রেস্তারাঁ থেকে কিছু রুটি আর মধু চুরি করার সময় হাতেনাতে ধরা পরেন ।

বিচারক: আপনি চুরি করেছেন?

– জ্বি ।

– আপনি কি জানেন চুরি করা কতো বড় অপরাধ ও পাপ ?

– জ্বি ।

– জেনেও কেন চুরি করলেন ?

– কারণ আমি গত এক সপ্তাহ যাবত অনাহারে ছিলাম । আমার সাথে এতিম দু’নাতিও না খেয়ে ছিল । ওদের ক্ষুধার্ত চেহারা ও কান্না সহ্য করতে পারিনি তাই চুরি করেছি। আমার আর এ ছাড়া কোন উপায় ছিল না হুজুর ।

বিচারক এবার পুরো দরবারে চোখবুলালেন। বললেন কাল যেন নগর, খাদ্য,শরিয়া, পুলিশ প্রধান ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিগন সবাই উপস্থিত থাকেন ।তখন এর রায় দেওয়া হবে ।

পরদিন সকালে সবাই হাজির হলেন । বিচারক ও যথাসময়ে উপস্থিত হয়ে রায় ঘোষণা করলেন-“ বৃদ্ধা মহিলার চুরির অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ৫০টি চাবুক, ৫০০ দিণার রৌপ্য মুদ্রা আর অনাদায়ে এক বছর কারাদণ্ড দেওয়া করা হলো।

তবে অকপটে সত্য বলার কারণে হাত কাটা মাফ করা হলো। বিচারক প্রহরীকে চাবুক আনার নির্দেশ দিয়ে নিচে নেমে ঐ বৃদ্ধা মহিলার পাশাপাশি দাঁড়ালেন ।

বিচারক বললেন যে নগরে একজন ক্ষুধার্তবৃদ্ধ মহিলা না খেয়ে ক্ষুধার যন্ত্রণায় চুরি করতে বাধ্য হয় সেখানে তো সবচেয়ে বড় অপরাধী সে দেশের খলিফা। আর আমি এসেছি খলিফার প্রতিনিধি হয়ে ।

আমি যেহেতু তাঁর অধীনে চাকরি করি তাই ৫০টি চাবুকের ২০টি আমার হাতে মারা হউক । আর এটাই হলো বিচারকের আদেশ । আদেশ যেন পালন করা হয় এবং বিচারক হিসাবে আমার উপর চাবুক মারতে যেন কোনো রকম করুণা বা দয়া দেখানো না হয়।

বিচারক হাত বাড়িয়ে দিলেন । দুই হাতে পর পর ২০টি চাবুক মারা হলো। চাবুকের আঘাতের ফলে হাত থেকে রক্ত গড়িয়ে পরছে । ঐ অবস্থায় বিচারক পকেট থেকে একটি রুমাল বের করলেন ।

কেউ একজন বিচারকের হাত বাঁধার জন্য এগিয়ে গেলে বিচারক নিষেধ করেন। এরপর বিচারক বললেন “ যে শহরে নগর প্রধান, খাদ্য গুদাম প্রধান ও অন্যান্য সমাজ হিতৈষীরা একজন অভাব গ্রস্ত মহিলার ভরন-পোষণ করতে পারেন না।

সেই নগরে তারা ও অপরাধী। তাই বাকি ৩০টি চাবুক সমান ভাবে তাদেরকে মারা হোক ।“

এরপর বিচারক নিজ পকেট থেকে বের করা রুমালের উপর ৫০টি রৌপ্য মুদ্রা রাখলেন । তারপর বিচারপতি উপস্থিত সবাইকে বললেন “যে সমাজ একজন বৃদ্ধমহিলাকে চোর বানায়, যে সমাজে এতিম শিশুরা উপবাস থাকে সে সমাজের সবাই অপরাধী। তাই উপস্থিত সবাইকে ১০০ দিণার রৌপ্য মুদ্রা জরিমানা করা হলো।“

এবার মোট ৫০০দিনার রৌপ্য মুদ্রাথেকে ১০০ দিণার রৌপ্য মুদ্রা জরিমানাবাবদ রেখে বাকি ৪০০টি রৌপ্য মুদ্রা থেকে ২০টি চুরি যাওয়া দোকানের মালিককে দেওয়া হলো।
বাকি ৩৮০টি রৌপ্য মুদ্রা বৃদ্ধা মহিলাকে দিয়ে বললেন “ এগুলো আপনার ভরণপোষণের জন্য । আর আগামী মাসে আপনি খলিফা হারুনুর রশিদের দরবারে আসবেন । খলিফা হারুনুর রশিদ আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থী । “

একমাস পরে বৃদ্ধা খলীফার দরবারে গিয়ে দেখেন ; খলিফার আসনে বসা লোকটিকে চেনা চেনা মনে হচ্ছে । মহিলা ভয়ে ভয়ে খলিফার আসনের দিকে এগিয়ে যান। কাছে গিয়ে বুঝতে পারেন লোকটি সেদিনের সেই বিচারক।
খলিফা চেয়ার থেকে নেমেএসে বললেন —আপনাকে ও আপনার এতিম দু’নাতিকে উপোস রাখার জন্য সেদিন বিচারক হিসেবে ক্ষমা চেয়েছিলাম ।

আজ দরবারে ডেকে এনেছি প্রজা অধিকার সমুন্নত করতে না পারায় অধম এই খলিফাকে ক্ষমা করে দেওয়ার জন্য ।
আপনি দয়া করে আমাকে ক্ষমা করুন ।
+ সংগৃহীত

See less

Sunday, February 23, 2025

 সত্যের সন্ধানে প্রত্যেকটি মানুষ, ====  মানুষের মতো মানুষ  হবে  সে প্রত্যাশায় আমরা অপেক্ষমান  ।  ইমানের বলে বলীয়ান হয়ে   তুমি আমি ইমানের আলোতে  অবগাহন করে আমাদের জীবনকে সুন্দর ও স্বাবলীল করবো ইনশা আল্লাহ

Friday, January 17, 2025

 

একজন বাবাকে তার ছেলে জিজ্ঞেস করলোঃ বাবা, সফল জীবন কাকে বলে?
বাবাঃ আমার সাথে চলো, আজ আমরা একসাথে ঘুড়ি উড়াবো।
অতঃপর তারা বেরিয়ে পড়লো এবং খোলা মাঠে গিয়ে বাবাটি ঘুড়ি ওড়ানো শুরু করলো। আর ছেলেটি মনযোগ সহকারে দেখতে লাগলো।
আকাশে ঘুড়িটি বেশ ওপরে উঠার পর বাবা বললোঃ এই দেখো ঘুড়িটা অতো উঁচুতেও কেমন বাতাসে ভেসে আছে। তোমার কি মনে হয়না যে, এই সূতোয় বেঁধে রাখার কারণে ঘুড়িটা আরোও উপরে উঠে যেতে পারছেনা ?
ছেলেঃ সেটাই তো মনে হচ্ছে, সূতো না থাকলে ওটা আরও উপরে যেতে পারতো।
এটা শুনে বাবা উনার হাতের সূতোটা কেটে দিলেন। আর ঘুড়িটা সূতার টান মুক্ত হয়েই প্রথমে কিছুটা উপরে গেল। কিন্তু একটু পরেই নিচের দিকে নামতে নামতে মাটিতে পড়ে গেল।
এবার বাবা তার ছেলেকে বললোঃ শোনো, জীবনে আমরা যে উচ্চতায় আছি বা থাকি সেখান থেকে প্রায়ই মনে হয় ঘুড়ির সূতার মত কিছু কিছু বন্ধন আমাদের আরও উপরে যেতে বাঁধা দেয়। যেমনঃ পরিবার, মা-বাবা, সন্তান, সংসার, অনুশাসন ইত্যাদি।
আর আমরাও সেইসব বাঁধন থেকে কখনো কখনো মুক্ত হতে চাই। বাস্তবে ঐ বন্ধনগুলোই আমাদের উঁচুতে টিকিয়ে রাখে, স্থির রাখে, নিচে পড়ে যেতে দেয় না। ঐ বন্ধন না থাকলে আমরা হয়তো ক্ষণিকের জন্য কিছুটা উপরে যেতে পারি, কিন্তু অল্পসময়েই আমাদেরও পতন হবে ঐ বিনা সূতোর ঘুড়ির মতই।
সুতরাং জীবনে তুমি যদি উঁচুতে টিকে থাকতে চাও তবে কখনোই ঐ বন্ধন ছিড়বে না। সুতা আর ঘুড়ির মিলিত বন্ধন যেমন আকাশে ঘুড়িকে দেয় ভারসাম্য, তেমনি পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধনও আমাদের জীবনে উচ্চতায় টিকে থাকার ভারসাম্য দেয়। আর এটাই প্রকৃত সফল জীবন।

Thursday, January 16, 2025

 
সুবাহানাকা আল্লাহুমা রব্বানা ওবিহামদিকা আল্লাহুম্মাগফিরলী 

রাব্বানা লাকাল হামদ্ হামদান কাছিরান তায়্যিবান মোবারাকান ফিহি 

ইয়া রাব্বি লাকাম হামদু কামা ইয়াম বাগি লি জালালি ওয়াজ হিকা 

ওয়া আজীম সুলতানিকা লাকাল হামদু বিল ইমাম লাকাল হামদু 

বিল ইসলাম লাকাল হামদু বিল কোরআন

দোয়াটি সকালে ৭ বার

সন্ধ্যায় ৭ বার

হাসবি আল্লাহ লা ইলাহা ইল্লাহু আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল

পাওয়ারপুল দোয়া নিজ পরিবারের জন্য দোয়া

রব্বানা হাবলানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিয়্যাতিনা কুররতা আ-ইউনিউ ওজা আলনা লিল মুত্তাকিনা ইমামা।


দুই সিজদার মাঝখানে পড়ার দোয়া ঃ
আল্লাহুম্মাগ ফিরলি, ওয়ার হামনী, ওয়া আফিনী,ওয়াহদীনি, ওয়ার-জুকনী
অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি আমায় মাফ কর, আমাকে রহম কর, আমাকে নিরাপত্তা
দান কর,আমাকে হেদায়েত দান করো এবং আমাকে রিজিক দাও)

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াদাহু লা শারিকালাহ 'আহাদান ছমাধান'
লাম ইয়ালিদ।।। ওয়ালাম ইউলাদ ওয়ালাম ইয়া কুল্লাহু কুফু ওয়ান আহাদ

আল্লাহর কাছে নেক্কার সন্তান চাওয়ার দোয়া
রব্বি লা তাযারনি, ফারদাও ওয়া আনতা খাইরুল ওয়ারিছিন।
যে জিকির করলে আসমানের দরজা গুলো খুলে দেওয়া হয়
আল্লাহু আকবার কাবীরা, ওয়া আলহামদুলিল্লাহি কাসীরা, ওয়া সুবহানাল্লাহি বুকরাতাও ওয়া আসিলা

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদ ওয়াহু আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বদির। সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর। ওয়ালা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লাবিল্লাহিল আলিয়্যিল আজিম।

সকাল ও বিকালে দোয়াটি • সাত বার পাঠ করুন

হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া আলাইহি

তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া-রাব্বুল আরশিল আজিম


হাশরের মাঠে ক্ষমা পাওয়ার দোয়া দোয়াঃ
রব্বানাগফিরলী ওয়ালি ওয়ালিদাইয়্যা ওয়ালিল মুমিনীনা ইয়াওমা ইয়াক্কুমুল হিসাব।
অর্থ: হে আমার রব! হিসাব কয়েমে হবে সেদিন আমাকে, আমার মাতা-পিতাকে এবং সকল মুমিনদেরকে ক্ষমা করুন।
যে দোয়া পাঠ করলে মুখের জড়তা দূর হয়
"রাব্বিশ-রাহলি ছাদরি ওয়া ইয়াসসিরলি আমরি ওয়াহলুল ওকদাতাম মিল্লিসানি ইয়াফকাহ ক্বাওলি"।
অর্থঃ “হে আমার প্রভু! আমার হৃদয় প্রশস্ত করে দিন, আমার কাজ সহজ করে দিন, আর আমার জিহ্বা থেকে জড়তা দূর করে দিন, যাতে লোক আমার কথা বুঝতে পারে"। (সুরা ত্বাহা, আয়াত: ২৫-২৮)
নামাজ শেষে দোয়াঃ
সুবহানা রাব্বি'কা রাব্বিল ইজ্জাতি আম্মা-ইয়াছিফুন ওয়া সালামুন আলা'ল মুরসালিন ওয়া- আলহামদুলিল্লাহ রাব্বিল আলামিন

নামাজের সালাম ফেরানোর পর পড়বেন
আস্তাগফিরুল্লাহ আস্তাগফিরুল্লাহ আস্তাগফিরুল্লাহ
"আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম ওয়া মিনকাস সালাম
তাবারকতা ইয়া যালজালালি ওয়াল ইকরাম"

"আউযুবিল্লাহিল আজিম" ওয়া বি"ওয়াঝহিহিল কারিম..
"ওয়া সুলতানিহিল ক্বাদিম" মিনাশ শাইত্বনির রজিম..

কিয়ামতের দিন হিসাব সহজ হওয়ার দোয়া
আল্লাহুম্মা হাসিবনি হিসাবান ইয়াসিরা
মাত্র ১ বার পড়–ন সব "দুঃখ খুশিতে বদলে যাবে ইনশাল্লাহ
  আল্লাহুম্মা লাকাল হামদ কামা ইয়াম বাগি লিজালালি অজহিকা ওয়া আযিমি সুলতানিকা

ঘুম থেকে উঠে ওযু লাগবে না দোয়াটি পাঠ করুন

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদ ওয়াহু আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বদির। সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু

আল্লাহু আকবর। ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা

সুবহাইয়া বিল্লাহিল আলিয়্যুল আজিম রাব্বিগফিরলি



দ্বীনের উপর অবিচল থাকার দোয়া

“রাব্বানা লা তুযিগ কুলুবানা বা'দা ইয হাদাইতানা, অহাব লানা মিল্লাদুনকা রাহমাহ, ইন্নাকা আন্তাাল অহহাব। *
অর্থঃ হে আমাদের প্রতিপালক! সরল পথ প্রদর্শনের পর তুমি আমাদের অন্তরকে বক্র করে দিয়ো না এবং তোমার নিকট থেকে আমাদেরকে করুণা দান কর। নিশ্চয় তুমি মহাদাতা।


আজীবনরে গুনাহ মাফ হয়ে যাব।ে
সুদরে গুনাহ, জনোর গুনাহ হারাম কাজরে গুনা
এই দোয়াটি একবার পড়ুন
ইন্নাল্লাহা ইয়াগফরিু জুনুবা জামযি়া

৩ বার পাঠ করুন
"আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযুবকিা মনিাল ফাকরি ওয়াল কুফরি ওয়া আউযুবকিা
মনি আযাবলি কাবরি লা ইলাহা ইল্লা আনতা"
ইনশাআল্লাহ সম্পদরে অভাব হবে না.....
আস্তাগফরিুল্লাহ আল্লাহুমাগফরিলি
রাব্বগি ফরিলি জুনুবি ইয়া আরহামার রাহমিনি
লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বল্লিাহ
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মালকিুল হাক্কুল মুবনি
হাসবুনাল্লাহ ওয়া নমিাল "ওয়াকলি
আলহামদুলল্লিাহি রব্বলি আলামনি

দারিদ্রতা ও কঠিন রোগ থেকে বাঁচার দোয়াঃ
আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল ফাকরি ওয়াল ফাকাতি ওয়াল কিল্লাতি ওয়াযযিল্লাতি ওয়া আউযুবিকা মিন আন আয়লিমা আও উজলিমা।
আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল বারাসি ওয়াল জুনুনি; ওযাল ঝুজামি ওযা সাইয়্যিয়িল আসকাম।'

৩ বার পাঠ করুন

"আল্লাহুমা ইন্নী আউযুবিকা মিনাল ফাকরি ওয়াল কুফরি ওয়া আউযুবিকা 

মিন আযাবিল কাবরি লা ইলাহা ইল্লা আনতা

• সম্পদের অভাব হবে না৷

এই দোয়াটা সবসময় পড়বেন

রব্বানা হাবলানা মিন আজ ওয়াজিনা ওয়া জুররি ইয়াতিনা কুররাতা 

আ ইউনি ওয়াজ আলনা • লিলমুত্তাকিমন ইমামা

 

সাইয়েদুল এস্তেগফার যতো ক্ষমা প্রার্থনার দোয়া আছে এর মধ্যে

আল্লাহুম্মা আনতা রব্বী লা ইলাহা ইল্লা আনতা খালাকতানী ওয়া আনা আবদুকা ওয়া আনা আলা আহদিকা ওয়া ওয়া দিকা মাসতাত্বাতু আ ঊযুবিকা • মিন শারি মা ছানা তু আবুউ লাকা বিনি মাতিকা আলাইয়া ওয়া আবুউ বিযাম্বী ফাগফিরুলী যুনুবা ইল্লা আনতা

 

 

২০ লক্ষ নেকির দোয়া

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু আহাদান সমাদান লাম ......ইয়ালিদ 

ওয়ালাম ইউলাদ ওয়ালাম  ইয়া কুল্লাহু কুফুআন আহাদ 

 

Tuesday, September 24, 2024

আল্লাহ তা'আলা যাকে অপছন্দ করেন তাকেও অঢেল ধন সম্পদ দান করেন। আর যাকে পছন্দ করেন তাকে দান করেন হিকমাহ।
যাকে হিকমাহ দান করা হয় তার ভিতরে থাকে সাকিনা। আরবি সাকিনা শব্দের অর্থ শান্ত, প্রশান্ত, ধীর, স্থির।
টেবিল ভর্তি খাবার অথচ প্রত্যেকটা খাবারে আপনি দোষ খুঁজে পাচ্ছেন, পেট ভরে খেতে পারছেন না। কেননা আপনাকে সম্পদ দান করা হয়েছে, হিকমাহ দেয়া হয়নি যে কারণে আপনার ভিতর সাকিনা নেই।
আপনাকে হিকমাহ দেয়া হয়েছে যে জন্যে আলু ভর্তা আর ডাল দিয়েও পরম প্রশান্তি নিয়ে পেট ভরে খেয়ে উঠে বলে উঠবেন আলহামদুলিল্লাহ।
উচ্চশিক্ষিতা সুন্দরী স্ত্রী পেয়েও আপনি তাকে নিয়ে সুখী নন, কারণ আপনাকে হিকমা দেয়া হয়নি।
টয়োটা এলিয়নে চড়েও আপনি সুখী নন, আপনার কেন পাজেরো নাই? এর কারণ আপনার মাঝে হিকমাহ নাই, সাকিনা উঠে গেছে। আপনি আপনার অবস্থানে সুখী নন।
আরবি হিকমা শব্দের অর্থ প্রজ্ঞা। যাকে আল্লাহ তা'আলা হিকমা দান করেন সে সর্ব অবস্থায় সন্তুষ্ট থাকে, শান্তিতে থাকে। এর অর্থ নিজেকে মানিয়ে চলা এবং তাতে সন্তুষ্ট থাকা।
রিজিক শব্দের অর্থ অনেক ব্যাপক।
▪রিযিকেরর সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছেঃ টাকা, পয়সা, অর্থ এবং সম্পদ।
▪রিযিক এর সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছেঃ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা।
▪রিযিকের সর্বোত্তম স্তর হচ্ছেঃ পুণ্যবান স্ত্রী এবং পরিশুদ্ধ নেক সন্তান এবং
▪রিযিক এর পরিপূর্ণ স্তর হচ্ছেঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।
■■ রিযিক খুব গভীর একটি বিষয়, যদি আমরা তা বুঝতে পারি।
■■ আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটাও লিখিত এবং কতটা খাবার ও পানীয় গ্রহণ করবো তাও লিখিত বা নির্দিষ্ট।
■■ আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা বা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না এবং একটিও বেশি না।
■■ ধরুন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে এক কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্‌ তা'আলা নিয়েছেন।
■■ কিন্তু, আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত একান্তই আমার।
■■ যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্‌ তা'আলার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই এক কোটি টাকা আয় করেই আমি মারা যাবো। আর হারাম উপায়ে হলেও ওই এক কোটিই... নাথিং মোর, নাথিং লেস!
■■ আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল ধরেছে তখনই নির্ধারিত হয়েছে যে, সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি বা কিনেনি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিযিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।
এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না! রিযিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।
■■ রিযিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!
■■ কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিযিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ তা'ইলা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!
■■ কেউ কারওটা খাচ্ছে না, যে যার রিযিকের ভাগই খাচ্ছেন।
■■ আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি, সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্‌ তা'আলার উপর কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি। কেননা,
আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
-------"দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই। তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত। সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে।"
-----(সুরা হুদ : আয়াত ৬)
■■ আল্লাহ তা'আলা অন্যত্র বলেনঃ
-------"যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য কোনো না কোনো পথ বের করে দেবেন। আর তাকে (এমন উৎস থেকে) রিযিক দেবেন, যা সে ধারণাও করতে পারবে না।"
-----(সুরা ত্বালাক : আয়াত ২-৩)
▪মহান আল্লাহ্‌ তা'আলা আমাদের সঠিক পথ এবং হালাল ও প্রশস্ত কামাই রোজগার ও রিযিক এর ব্যবস্থা করে দিন এবং সকল প্রকার হারাম কামাই রোজগার ও রিযিক থেকে হিফাযত করুন এবং আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, এবং হিফাযত করুন(আমীন)।
(সংগৃহীত)

 

Monday, September 23, 2024

 

বেশ্যা একটি গালি,
দেখেন মিলে কি না??
"অবৈধভাবে জ্ঞাত
আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে যারা আজ সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত এরাই হলো সমাজের সবচেয়ে নিকৃষ্ট বেশ্যা।"
কিন্তু বেশ্যা চরিত্রটা কি খুব খারাপ ?
✍️অর্থের বিনিময়ে যে নারী দেহ বেচে সে বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে নৈতিকতা বেচে সেও বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে ফাইলে সই করে সেও বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে চাকুরিতে নিয়োগ দেয় সেও বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে আসামীকে জামিন দেয় সেও বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে দলের পদ বেচে সেও বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে নমিনেশন বেচে সেও বেশ্যা।
😥তবে যার বেচার মত অবশিষ্ট আর কিছু থাকেনা
সেই নারী শুধু দেহ বেচে।
👉কার কাছে বেচে তার নাম কি???
কবি লিখেছেন:----------
😇বেশ্যা"😇
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম
সাধুর নগরে বেশ্যা মরেছে
পাপের হয়েছে শেষ,
বেশ্যার লাশ হবে না দাফন
এইটা সাধুর দেশ।
জীবিত বেশ্যা ভোগে তো আচ্ছা, মরিলেই যত দোস?
দাফন কাফন হবে না এখন
সবে করে ফোস ফোস।
বেশ্যা তো ছিল খাস মাল, তোদের রাতের রানী,
দিনের বেলায় ভুরু কোচ কাও?
মরিলে দেওনা পানি!
সাধু সুনামের ভেক ধরিয়া দেখালি দারুন খেলা,
মুখোশ তোদের খুলবে অচিরে
আসবে তোদের বেলা।
রাতের আধারে বেশ্যার ঘর স্বর্গ তোদের কাছে,
দিনের আলোতে চিননা তাহারে?
তাকাও নাকো লাজে!
চিনি চিনি ভাই সব সাধু রেই হরেক রকম সাজ,
সুযোগ পেলেই দরবেশী ছেরে দেখাও উদ্দাম নাচ!
নারী আমাদের মায়ের জাতি বেশ্যা বানালো কে?
ভদ্র সমাজে সতীর ছেলেরা খদ্দের সেজেছে?
গরীবের বৌ সস্তা জিনিস সবাই ডাকো ভাবি,
সুযোগ পেলেই প্রস্তাব দাও আদিম পাপের দাবি।
স্বামী যখন মরলো ভাবির দুধের শিশু কোলে,
ভদ্র দেবর সুযোগ খোঁজে সহানুভূতির ছলে,
দিনের মত দিন চলে যায়,
হয় না তাতে দোষ
মরা লাশের সুযোগ পেয়ে মোল্লার রোষ।
মোল্লা সাহেব নায়েবে রাসুল ফতোয়া ঝারিশা কয়,
পতিতা নারীর জানাজা কবর এই এলাকায় নয়।
শুধাই আমি ওরে মোল্লা জানাযায় যত দোষ,
বেশ্যার দান নিয়াছো ঝোলিয়ে তুমি বেটা নির্দোষ?
বেশ্যার তবু আছে পাপ বোধ নিজেকে সে ভাবে দোষী,
তোমরা তো বেটা দিন বেচে খাও হচ্ছেয় খোদার খাসি।
আল্লাহর ঘর মসজিদে ও আছে বেশ্যার দান -কলেমা পড়েছে সে ওতো তবে নামেতে মোসলমান!
বেশ্যা নারী ব্যবসায় নারী পুরুষরা পুরুষরা সব সৎ?
জানি মোল্লা খুলবে না মুখ চাকরি যাওয়ার পথ!
আর কতকাল থাকবি অমন মুখোশ ধারীর দল,
আসবো এবার মশাল নিয়ে ভাঙতে তোদের কল।
সত্যর আলো জলবে যখন চিনবে তোদের সবে,
লেবাশধারী মুখোশধারী মুখোশ উপরে যাবে।
এই ভাবে আর চালাবি কত ছল চাতুরীর খেলা।
আসবে তিনি, এবার তোদের বিদায় নেবার পালা।।।

একটা মেসের সদস্য সংখ্যা ৩০ । শৃঙ্খলার স্বার্থে একজনকে ম্যানেজার বানানো হবে, বানানো হবে বললে আসলে ভুল হবে উনি নিজেই ম্যানেজারের পদ সিস্টেমে দখল নিলেন । পদটা তো আর মাগনা না, বেতন আছে,আলাদা রুম আছে, সাথে অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ।
মাসে মাসে সবাই যে টাকা পয়সা দেয়, সেই অনুপাতে বাজার সদাই করা হয়, ইন্টারনেট বিল , বিদ্যুৎ বিল,বাবুর্চি বিল প্রভৃতি দেয়া হয়। ওমা কিছু দিন পর দেখি ম্যানেজার বলা শুরু করছে, আমি তোমাদের খাওয়াই, দাওয়াই। বেশী তেরি বেরি করলে খাওন বন্ধ করে দিবো, বিদ্যুৎ, পানি বন্ধ করে দিবো। যাই হোক শেষ মেশ বিক্ষুব্ধ মেসের সদস্যদের দৌড়ানি খেয়ে ম্যানেজার হোস্টেল ছেড়েই পালালো।
সবাই মিলে শলাপরামর্শ করে নতুন একজন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ দিলেন। নতুন তত্ত্বাবধায়ক হোস্টেলের সদস্যদের জন্য বাজার করতে গিয়ে দেখে, দোকানদারের কাছে আগের ম্যানেজারের লাখ লাখ টাকা বাকী। তারা নতুন করে সদাই দিবেন না। পরদিন বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন আসলো হোস্টেলে বিদ্যুৎ লাইন কেটে দেওয়ার জন্য। বিদ্যুতের লোকজন জানালো, আগের বিল সব বকেয়া। সেসব শোধ না করলে বিদ্যুৎ মিলবে না৷
হোস্টেলের সদস্যরা এখন খেয়ে না খেয়ে আধা পেটে অন্ধকার জীবন যাপন করছেন। ওদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার থেকে সাবেক সুদানি ম্যানেজারের চ্যালা, চামুণ্ডা, চাটার গুষ্টি এই বলে,
হুঁক্কা হুয়ো ডাক তুলছে
"আগেই ভালো ছিলাম, বলছিলাম না, উনার কোনও বিকল্প নাই" copy,,