Tuesday, September 24, 2024

আল্লাহ তা'আলা যাকে অপছন্দ করেন তাকেও অঢেল ধন সম্পদ দান করেন। আর যাকে পছন্দ করেন তাকে দান করেন হিকমাহ।
যাকে হিকমাহ দান করা হয় তার ভিতরে থাকে সাকিনা। আরবি সাকিনা শব্দের অর্থ শান্ত, প্রশান্ত, ধীর, স্থির।
টেবিল ভর্তি খাবার অথচ প্রত্যেকটা খাবারে আপনি দোষ খুঁজে পাচ্ছেন, পেট ভরে খেতে পারছেন না। কেননা আপনাকে সম্পদ দান করা হয়েছে, হিকমাহ দেয়া হয়নি যে কারণে আপনার ভিতর সাকিনা নেই।
আপনাকে হিকমাহ দেয়া হয়েছে যে জন্যে আলু ভর্তা আর ডাল দিয়েও পরম প্রশান্তি নিয়ে পেট ভরে খেয়ে উঠে বলে উঠবেন আলহামদুলিল্লাহ।
উচ্চশিক্ষিতা সুন্দরী স্ত্রী পেয়েও আপনি তাকে নিয়ে সুখী নন, কারণ আপনাকে হিকমা দেয়া হয়নি।
টয়োটা এলিয়নে চড়েও আপনি সুখী নন, আপনার কেন পাজেরো নাই? এর কারণ আপনার মাঝে হিকমাহ নাই, সাকিনা উঠে গেছে। আপনি আপনার অবস্থানে সুখী নন।
আরবি হিকমা শব্দের অর্থ প্রজ্ঞা। যাকে আল্লাহ তা'আলা হিকমা দান করেন সে সর্ব অবস্থায় সন্তুষ্ট থাকে, শান্তিতে থাকে। এর অর্থ নিজেকে মানিয়ে চলা এবং তাতে সন্তুষ্ট থাকা।
রিজিক শব্দের অর্থ অনেক ব্যাপক।
▪রিযিকেরর সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছেঃ টাকা, পয়সা, অর্থ এবং সম্পদ।
▪রিযিক এর সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছেঃ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা।
▪রিযিকের সর্বোত্তম স্তর হচ্ছেঃ পুণ্যবান স্ত্রী এবং পরিশুদ্ধ নেক সন্তান এবং
▪রিযিক এর পরিপূর্ণ স্তর হচ্ছেঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।
■■ রিযিক খুব গভীর একটি বিষয়, যদি আমরা তা বুঝতে পারি।
■■ আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটাও লিখিত এবং কতটা খাবার ও পানীয় গ্রহণ করবো তাও লিখিত বা নির্দিষ্ট।
■■ আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা বা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না এবং একটিও বেশি না।
■■ ধরুন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে এক কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্‌ তা'আলা নিয়েছেন।
■■ কিন্তু, আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত একান্তই আমার।
■■ যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্‌ তা'আলার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই এক কোটি টাকা আয় করেই আমি মারা যাবো। আর হারাম উপায়ে হলেও ওই এক কোটিই... নাথিং মোর, নাথিং লেস!
■■ আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল ধরেছে তখনই নির্ধারিত হয়েছে যে, সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি বা কিনেনি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিযিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।
এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না! রিযিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।
■■ রিযিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!
■■ কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিযিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ তা'ইলা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!
■■ কেউ কারওটা খাচ্ছে না, যে যার রিযিকের ভাগই খাচ্ছেন।
■■ আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি, সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্‌ তা'আলার উপর কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি। কেননা,
আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
-------"দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই। তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত। সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে।"
-----(সুরা হুদ : আয়াত ৬)
■■ আল্লাহ তা'আলা অন্যত্র বলেনঃ
-------"যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য কোনো না কোনো পথ বের করে দেবেন। আর তাকে (এমন উৎস থেকে) রিযিক দেবেন, যা সে ধারণাও করতে পারবে না।"
-----(সুরা ত্বালাক : আয়াত ২-৩)
▪মহান আল্লাহ্‌ তা'আলা আমাদের সঠিক পথ এবং হালাল ও প্রশস্ত কামাই রোজগার ও রিযিক এর ব্যবস্থা করে দিন এবং সকল প্রকার হারাম কামাই রোজগার ও রিযিক থেকে হিফাযত করুন এবং আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, এবং হিফাযত করুন(আমীন)।
(সংগৃহীত)

 

Monday, September 23, 2024

 

বেশ্যা একটি গালি,
দেখেন মিলে কি না??
"অবৈধভাবে জ্ঞাত
আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে যারা আজ সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত এরাই হলো সমাজের সবচেয়ে নিকৃষ্ট বেশ্যা।"
কিন্তু বেশ্যা চরিত্রটা কি খুব খারাপ ?
✍️অর্থের বিনিময়ে যে নারী দেহ বেচে সে বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে নৈতিকতা বেচে সেও বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে ফাইলে সই করে সেও বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে চাকুরিতে নিয়োগ দেয় সেও বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে আসামীকে জামিন দেয় সেও বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে দলের পদ বেচে সেও বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে নমিনেশন বেচে সেও বেশ্যা।
😥তবে যার বেচার মত অবশিষ্ট আর কিছু থাকেনা
সেই নারী শুধু দেহ বেচে।
👉কার কাছে বেচে তার নাম কি???
কবি লিখেছেন:----------
😇বেশ্যা"😇
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম
সাধুর নগরে বেশ্যা মরেছে
পাপের হয়েছে শেষ,
বেশ্যার লাশ হবে না দাফন
এইটা সাধুর দেশ।
জীবিত বেশ্যা ভোগে তো আচ্ছা, মরিলেই যত দোস?
দাফন কাফন হবে না এখন
সবে করে ফোস ফোস।
বেশ্যা তো ছিল খাস মাল, তোদের রাতের রানী,
দিনের বেলায় ভুরু কোচ কাও?
মরিলে দেওনা পানি!
সাধু সুনামের ভেক ধরিয়া দেখালি দারুন খেলা,
মুখোশ তোদের খুলবে অচিরে
আসবে তোদের বেলা।
রাতের আধারে বেশ্যার ঘর স্বর্গ তোদের কাছে,
দিনের আলোতে চিননা তাহারে?
তাকাও নাকো লাজে!
চিনি চিনি ভাই সব সাধু রেই হরেক রকম সাজ,
সুযোগ পেলেই দরবেশী ছেরে দেখাও উদ্দাম নাচ!
নারী আমাদের মায়ের জাতি বেশ্যা বানালো কে?
ভদ্র সমাজে সতীর ছেলেরা খদ্দের সেজেছে?
গরীবের বৌ সস্তা জিনিস সবাই ডাকো ভাবি,
সুযোগ পেলেই প্রস্তাব দাও আদিম পাপের দাবি।
স্বামী যখন মরলো ভাবির দুধের শিশু কোলে,
ভদ্র দেবর সুযোগ খোঁজে সহানুভূতির ছলে,
দিনের মত দিন চলে যায়,
হয় না তাতে দোষ
মরা লাশের সুযোগ পেয়ে মোল্লার রোষ।
মোল্লা সাহেব নায়েবে রাসুল ফতোয়া ঝারিশা কয়,
পতিতা নারীর জানাজা কবর এই এলাকায় নয়।
শুধাই আমি ওরে মোল্লা জানাযায় যত দোষ,
বেশ্যার দান নিয়াছো ঝোলিয়ে তুমি বেটা নির্দোষ?
বেশ্যার তবু আছে পাপ বোধ নিজেকে সে ভাবে দোষী,
তোমরা তো বেটা দিন বেচে খাও হচ্ছেয় খোদার খাসি।
আল্লাহর ঘর মসজিদে ও আছে বেশ্যার দান -কলেমা পড়েছে সে ওতো তবে নামেতে মোসলমান!
বেশ্যা নারী ব্যবসায় নারী পুরুষরা পুরুষরা সব সৎ?
জানি মোল্লা খুলবে না মুখ চাকরি যাওয়ার পথ!
আর কতকাল থাকবি অমন মুখোশ ধারীর দল,
আসবো এবার মশাল নিয়ে ভাঙতে তোদের কল।
সত্যর আলো জলবে যখন চিনবে তোদের সবে,
লেবাশধারী মুখোশধারী মুখোশ উপরে যাবে।
এই ভাবে আর চালাবি কত ছল চাতুরীর খেলা।
আসবে তিনি, এবার তোদের বিদায় নেবার পালা।।।

একটা মেসের সদস্য সংখ্যা ৩০ । শৃঙ্খলার স্বার্থে একজনকে ম্যানেজার বানানো হবে, বানানো হবে বললে আসলে ভুল হবে উনি নিজেই ম্যানেজারের পদ সিস্টেমে দখল নিলেন । পদটা তো আর মাগনা না, বেতন আছে,আলাদা রুম আছে, সাথে অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ।
মাসে মাসে সবাই যে টাকা পয়সা দেয়, সেই অনুপাতে বাজার সদাই করা হয়, ইন্টারনেট বিল , বিদ্যুৎ বিল,বাবুর্চি বিল প্রভৃতি দেয়া হয়। ওমা কিছু দিন পর দেখি ম্যানেজার বলা শুরু করছে, আমি তোমাদের খাওয়াই, দাওয়াই। বেশী তেরি বেরি করলে খাওন বন্ধ করে দিবো, বিদ্যুৎ, পানি বন্ধ করে দিবো। যাই হোক শেষ মেশ বিক্ষুব্ধ মেসের সদস্যদের দৌড়ানি খেয়ে ম্যানেজার হোস্টেল ছেড়েই পালালো।
সবাই মিলে শলাপরামর্শ করে নতুন একজন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ দিলেন। নতুন তত্ত্বাবধায়ক হোস্টেলের সদস্যদের জন্য বাজার করতে গিয়ে দেখে, দোকানদারের কাছে আগের ম্যানেজারের লাখ লাখ টাকা বাকী। তারা নতুন করে সদাই দিবেন না। পরদিন বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন আসলো হোস্টেলে বিদ্যুৎ লাইন কেটে দেওয়ার জন্য। বিদ্যুতের লোকজন জানালো, আগের বিল সব বকেয়া। সেসব শোধ না করলে বিদ্যুৎ মিলবে না৷
হোস্টেলের সদস্যরা এখন খেয়ে না খেয়ে আধা পেটে অন্ধকার জীবন যাপন করছেন। ওদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার থেকে সাবেক সুদানি ম্যানেজারের চ্যালা, চামুণ্ডা, চাটার গুষ্টি এই বলে,
হুঁক্কা হুয়ো ডাক তুলছে
"আগেই ভালো ছিলাম, বলছিলাম না, উনার কোনও বিকল্প নাই" copy,,

 

Saturday, September 21, 2024

"বাবা নিজের ছেলের সাথে দেখা করতে শহরে এল। গিয়ে দেখলো, তার ছেলের সাথে একটা খুব সুন্দরী মেয়েও থাকে।
রাতে তিন জন যখন এক সাথে ডিনার টেবিলে বসলো, বাবা জিজ্ঞেস করলো-- তোর সাথে এই মেয়েটি কে রে ?
ছেলে বলল- বাবা, ও আমার রুম পার্টনার, আমার সাথে থাকে . . . তুমি এটা নিয়ে কী ভাবছ, সেটা আমি জানি। কিন্তু আমাদের দুজনের মধ্যে সে রকম কোন সম্পর্কই নেই। আমাদের দুজনের আলাদা আলাদা কামরা, আলাদা আলাদা বেড | আমরা দু'জন শুধু খুব ভাল বন্ধু।
বাপ বলল- ঠিক আছে…
পরের দিন বাপ নিজের গ্রামে চলে গেল......... এক সপ্তাহ পর...
মেয়েটি ছেলেটিকে বলল --শোনো, গত রবিবার তোমার বাবা যে প্লেটে ডিনার করেছিলেন, ওই প্লেটটা খুঁজে পাচ্ছি না, আমার সন্দেহ তোমার বাবাই এটা নিয়ে গেছেন।
ছেলেটি রেগে গিয়ে বলল-- শাট আপ.. . এসব কী কথা, তুমি কি আমার বাবাকে চোর বলছো ?
মেয়েটি বলল- তা না | কিন্তু, তুমি একবার তোমার বাবাকে জিজ্ঞেস করেই দেখো না, জিজ্ঞেস করতে আপত্তি কিসের?
ছেলেটি বলল- OK, আমি জিজ্ঞেস করব...
পরদিন ছেলে বাপকে একটা ই-মেল পাঠালো..তাতে লিখলো--আমি এটা বলছি না যে আপনি আমাদের প্লেটটা চুরি করে নিয়ে গেছেন, অথবা এটাও বলছি না যে আপনি প্লেটটা নিয়ে যাননি ... মানে, যদি ভুলবশতঃ আপনি প্লেটটা নিয়ে গিয়ে থাকেন, তাহলে ওটা ফেরত দিয়ে দেবেন কারণ, ওটা ওই মেয়েটির খুব পছন্দের প্লেট ।
ইতি,
আপনার ছেলে
এক ঘন্টা পরই বাবার জবাব এলো-- আমি এটা বলছি না যে তোর্ রুম পার্টনার রাতে তোর্ সাথে ঘুমায় আবার এটাও বলছি না যে ওই মেয়েটি রাতে তোর্ সাথে ঘুমায় না | তবে ওই মেয়েটি যদি পুরো সপ্তাহের মধ্যে একবারও তার নিজের রুমে, নিজের বেডে শুতে যেত, তাহলে ওর বালিশের নিচেই সে তার প্লেটটা পেয়ে যেত, কারণ প্লেটটা আমি ওখানেই লুকিয়ে রেখে এসেছিলাম।
ইতি
তোর বাপ।
👉ভালো লাগলে শেয়ার করবেন প্লিজ ❤️

 

Wednesday, September 18, 2024

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।
১ কাঠা = ১৬ ছটাক।
২০ কাঠা = ১ বিঘা।
৬০.৫ কাঠা = ১ একর।
=========================
১ একর = ১০০ শতাংশ।
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক।
১ একর = ৬০.৫ কাঠা।
=========================
১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট।
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ।
১ বিঘা = ২০ কাঠা ।
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ।
=========================
১ শতাংশ =৪৩৫ বর্গফুট ৬৫.৪৫ বর্গ ইঞ্চি।
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ।
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা। = ১৩০৬.৮ বর্গফুট ।
=========================
১ অযুতাংশ = ৪ বর্গফুট ৫২.৩৬ বর্গ ইঞ্চি।
১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট।
=========================
চট্টগ্রামের অধিবাসীদের জন্য নিচের হিসাবটা উপযোগী।
১ কানি = ১৬,৯৯০ বর্গফুট।
১ কানি = ৩৯ শতাংশ।
১ কানি = ২৩.৫ কাঠা।
১ কানি = ২০ গন্ডা।
=========================
১ গন্ডা = ৮৭১ বর্গফুট।
১ গন্ডা = ২ শতাংশ।
১ গন্ডা = ১.২১ কাঠা।
২০ গন্ডা = ১ কানি ।
=========================
কানিঃ
কানি দুই প্রকার। যথা- (ক) কাচ্চা কানি (খ) সাই কানি
কাচ্চা কানি
: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।
সাই কানিঃ
এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।
কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনা
২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট
১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ
১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার
১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ১০ বর্গ চেইন
১ একর = ১০০ শতক
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট
বিঘা-কাঠার হিসাব
১ বিঘা = (৮০ হাত × ৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ ছটাক = ২০ গন্ডা
উপরোক্ত পরিমাপ পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি খুব সহজেই হিসাব করতে পারবেন আপনার ফ্ল্যাটটির পরিমাপ। তারপরও আপনাদের সুবিধার্থে আরও সহজভাবে তুলে ধরা হলো।
* ৩ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ২১৬০ বর্গফুট।
* ৫ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৩৬০০ বর্গফুট।
* ১০ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৭২০০ বর্গফুট।
এই হিসাব পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি ঠিক করুন আপনি আপনার জায়গায় কোন আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ করবেন। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে, রাজউক ইমারত নির্মাণ আইনে মোট জমির এক তৃতীয়াংশ জায়গা খালি রাখতে হয় রাস্তা, ড্রেন ও আলো বাতাসের জন্য।
আর যারা রেডি ফ্ল্যাট কিনবেন তারা এই হিসাবটি জেনে রাখুন। কেননা ফ্ল্যাট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো ফ্ল্যাটের মোট আয়তন ছাড়াও সিড়ি, ফ্ল্যাটের সামনে, পিছনে, সাইডের খালি জায়গাও ফ্লাটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে থাকে। যেমন –
* আপনি যদি ৯০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কেনেন তাহলে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ৬০০ থেকে ৬৫০ বর্গফুট।
* আর যদি ১২০০ বর্গফুট হয় সেক্ষেত্রে ৭৮০ থেকে ৮৫০ বর্গফুট হবে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন।
* ১৬০০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে সব কিছু বাদ দিয়ে মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ১২০০ থেকে ১২৫০ বর্গফুট
সংগৃহীত পোস্ট।

 

Sunday, September 15, 2024

তোমার মধ্যে বিষ নেই,, তাই তুমি অত্যন্ত দূর্বল"

সাপ ইঁদুরকে ফিসফিস করে বললো

"-যার মধ্যে যতো বিষ রয়েছে,, পৃথিবীতে সে ততো সম্মান পেয়ে থাকে।"

"-বিষ থাকলে,, তবেই ক্ষমতা দখল করতে পারবে। মনে রেখো,, তোমার বিষ তোমার জন্য অমৃত স্বরূপ।"

ইঁদুর মনোযোগ সহকারে শুনে চলেছে

-"তোমার মধ্যে বিষ থাকতে হবে। তবেই তুমি সম্মান পাবে। তবেই তোমাকে সকলে ভয় করবে।"

সাপ মোহময়ী সুরে বলে চলেছে

বিষয়টি ইঁদুর অনুধাবন করে,, সে বুঝতে পারে,, বিষ নাহলে জীবন অপূর্ণ।

-"তাহলে আমার কি করা উচিত ?"

নিরীহ ইঁদুর প্রশ্ন করে

-"একেবারে সহজ উপায়.....তোমার অন্তরে বিষ তৈরী করতে হবে।"

- "সে নাহয় হলো। কিন্তু,, নিজের ভিতরে বিষ তৈরী করবো কিভাবে?"

ইঁদুর অতি-উৎসাহী হয়ে পড়ে। যেভাবেই হোক বিষ তৈরী করতে হবে

-"তুমি চাইলে আমি তোমাকে সাহায্য করতে পারি!"

সাপ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে

-" কিভাবে ?"

-" তুমি চাইলে আমার কাছ হতে বিষ নিতে পারো।আমি তোমাকে বিষ দিতে প্রস্তত।"

শক্তি-ক্ষমতা-সম্মানের জন্য লালায়িত ইঁদুর তৎক্ষণাৎ রাজী হয়ে পড়ে। সাপ ইঁদুরের সম্মতি দেখে মনে মনে হেসে ওঠে

এরপর ইঁদুরের সম্মতিক্রমে তার শরীরে সাপ নিজের বিষ ছড়িয়ে দেয়। রক্তের সঙ্গে মিশ্রিত বিষ,, ইঁদুরের শিরায় শিরায় ছড়িয়ে পড়ে। যন্ত্রণায় সে কাতরাতে থাকে। তার পুরো শরীর বিষের কারনে নীল হয়ে পড়ে। ইঁদুর চিরতরে শান্ত হয়ে গেলো

ইঁদুরের ডেডবডি মুখে নিয়ে সাপ জনসভার দিকে এগিয়ে চলে। সেখানে হাজার হাজার সাপ অপেক্ষা করে চলেছে। সকলে মিলে সাপকে হর্ষ-উল্লাসে স্বাগত জানাতে থাকে

ইঁদুরের ডেডবডি দেখে সমস্ত সাপ আনন্দিত,, সম্মিলিত ভাবে আকাশ বাতাস মুখরিত হয়ে পড়েছে সাপেদের শ্লোগানে

সভা শুরু হলো

-" বন্ধুগণ ,, আমার প্রিয় বন্ধুগণ "

সমস্ত সাপ মনোযোগ সহকারে শুনে চলেছে।। চারিদিক নিস্তব্ধ,, কোথাও কোনো শোরগোল নেই

-"বন্ধুরা ,, আমি যেভাবে আপনাদের কাছে কথা দিয়েছি,, ঠিক সেভাবেই নিজের কার্য সম্পন্ন করেছি।"

ইঁদুরের ডেডবডি সকলের উদ্দেশ্যে দেখিয়ে বলে - "দেখুন,, রেজাল্ট আপনাদের সামনে। কেউ অস্বীকার করতে পারবেন না।"

সমস্ত সাপ ফোঁস ফোঁস করে তাকে সমর্থন জানিয়ে দিলো

সাপ বলতে থাকে - "বন্ধুরা ,, আমরা আগে থেকেই অনেক বদনাম হয়ে রয়েছি। নতুন করে আর বদনামের ভাগীদার হতে চাইছি না। দেখুন বন্ধুরা ,, আমি এই কাজ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সম্পন্ন করেছি।"

-- "আমার উপরে কেউ দোষারোপ করতে পারবে না। কারণ,, ইঁদুর নিজেই আমার কাছে বিষ চেয়েছে,, আমি তার চাহিদা পুরণ করে দিয়েছি।"

একথা বলে সাপ নিজের লকলকে জিভ বের করে নানারকম অঙ্গভঙ্গি করতে থাকে

সমস্ত সাপ দীর্ঘক্ষণ ধরে ফোঁস ফোঁস শব্দে তাকে সম্মতি জানিয়ে চলে

-"বন্ধুরা ,, প্রথমে লক্ষ্যবস্তুর হৃদয় বিষাক্ত করে তুলতে হবে।"

- "সেই বিষ ধীরে ধীরে মস্তিষ্কে পৌঁছে যাবে। মস্তিষ্ক হতে শিরায় শিরায় বিষ ছড়িয়ে পড়বে। সে অস্থির হয়ে উঠবে।"

সমস্ত সাপের দল মনোযোগ সহকারে শুনে চলেছে

- "আমরা স্বপ্ন এবং ভয়,, দুটো হাতিয়ার একসাথে প্রয়োগ করে যাবো। "ভালো দিনের স্বপ্ন দেখাতে হবে,, সঙ্গে সঙ্গে " ভয়ঙ্কর বিপদের " ভয় দেখিয়ে যেতে হবে।"

-"বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নন-ইস্যু গুলো,, ইস্যু হিসেবে তুলে ধরতে হবে। যাতে তারা আসল ইস্যু হতে মুখ ফিরিয়ে রাখতে পারে।"

সাপ নিজের মুখে ইঁদুরের ডেডবডি তুলে নিয়ে বলে - "দেখুন,, কিভাবে স্বেচ্ছায় সে আমাদের রঙে নিজেকে রাঙিয়ে নিয়েছে। কিভাবে সে নিজের শরীর নীল করে ফেলেছে।"

সমস্ত সাপ ইঁদুরের নীল রঙের মৃতদেহ দেখে উৎফুল্ল হয়ে পড়ে। তারা নিজেদের মধ্যে অজানা এক রোমাঞ্চ অনুভব করতে থাকে

সাপ বলে চলেছে - "বিষ ভরতে থাকুন। বিষাক্ত করে দিন সমস্ত শরীর। কিন্তু,, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে,, উপদেশের ছলে,, শান্তির পক্রিয়ার মাধ্যমে। ধীরে ধীরে,, একটু একটু করে বিষ ভরে দিন......"

-" দেখবেন,, উপদেশ উন্মাদনা হয়ে উঠবে। এভাবেই আমাদের নিজের নিজের দায়িত্ব পালন করে যেতে হবে। দেখবেন,, গোটা দেশ সর্পময় হয়ে উঠেছে। সেদিন অত্যন্ত সন্নিকটে,, যেদিন দেশের মধ্যে কেবলমাত্র সাপ ছাড়া অন্য কিছু থাকবে না।"

এক বৃদ্ধ সাপ উত্তেজিত হয়ে ফোঁস ফোঁস করে বলে - "বুঝেছি,, আমাদের গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে গণতন্ত্র-কে খতম করে,, সাপের রাজ্য সাপত্ব কায়েম করতে হবে।"

-'মুরুব্বী ঠিক বলেছেন। আমিও ঠিক এটাই বোঝাতে চাইছি।"

সাপ সম্মতির সুরে মাথা নেড়ে বলে

দ্বিমত পোষণকারী এক যুবক সাপ উঠে বললো - "দেখুন,, ইঁদুর মায়াজালে ফেঁসে গেছে,, কিন্তু,, সকলে এভাবে ফেঁসে যাবে তার গ্যারান্টি কোথায় ??"

-"ভেরী গুড কোয়েশ্চন।।"

একথা বলে সাপ বেশ কিছুক্ষণ নিশ্চুপ হয়ে পড়ে।

এরপর মাথা ঝাঁকিয়ে বলে - "যতক্ষণ নিজেদের মধ্যে আধিপত্যবাদের অনুভূতি বিরাজমান থাকবে,, ততক্ষণ কোনো সমস্যা হবে বলে মনে করছি না। বর্তমান সময় আমাদের জন্য এক গোল্ডেন-পিরিয়ড। বর্তমান সময়ে সবাই একে অপরের উপর আধিপত্য কায়েম করতে চাইছে।। আমাদের সুযোগ কাজে লাগিয়ে,, এগিয়ে যেতে হবে।"

এই কথা শুনে সমস্ত সাপের মধ্যে খুশীর লহর বয়ে গেলো

-"বন্ধুগণ ,, কেবলমাত্র গর্ব বিক্রি করতে হবে। শ্রেষ্ঠত্বের স্বপ্ন দেখিয়ে যেতে হবে। শ্রেষ্ঠ হওয়ার স্বপ্ন তাদের ধ্বংস করে দেবে। একদিন সবাই ধ্বংস হয়ে যাবে। আমাদের প্রথম টার্গেট হলো ইঁদুর। আপাতত ইঁদুর শেষ করতে হবে। আমরা ছুঁচো,, নেউল,, বেঁজী,, গোসাপ,, ব্যাঙ,, বিচ্ছু,, সকলকে সাথে নিয়ে এগিয়ে যাব। প্রথম টার্গেট শেষ হলে দ্বিতীয়,, তারপর তৃতীয়,, চতুর্থ,, পঞ্চম,, এভাবে সকলকে শেষ করে দেবো।"

চারিদিকে হর্ষধ্বনিতে উত্তাল গোটা সর্পসভা। সবাই সাপের নামে ধন্য ধন্য করে চলেছে

সাপের স্বপ্ন,, সর্পরাজ্য গঠন করা। যে রাজ্যে বিষহীন ছোটজাতের সাপের কোনো জায়গা থাকবে না। কেবলমাত্র বেশকিছু বিষধর সাপ নিজেদের রাজত্ব,, নিজেদের প্রভুত্ব কায়েম রেখে যাবে। যেখানে অন্য কারো জায়গা থাকবে না

সর্বসম্মতিক্রমে সাপেদের নেতা নির্বাচিত হয়ে গেলো। বড়ো ফুলের মালা পরে,, ইঁদুর মারা বুদ্ধিমান সাপ বলে ওঠে

"বন্ধুগণ, পথ দেখিয়ে দিলাম,, আর বসে থাকা চলবে না। এখনই কাজে লেগে যেতে হবে।গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে,, গণতন্ত্র হত্যা করার কাজ

 

 

দ্যা সিচ্যুয়েশনঃ
সিংহ সিগারেট ধরাচ্ছিলো... হঠাৎ শিয়াল এসে বললো, ভাই, কেন এসব ছাইপাশ খাচ্ছো? ছেড়ে দাও। এসো আমার সাথে, দেখো, এই বন কি সুন্দর!
সিংহ শিয়ালের সাথে যাওয়া শুরু করলো। কদ্দুর যাবার পর দেখে হাতি ‘বাবা’ খাচ্ছে।
শিয়াল আবার বললো, কেন ভাই? কি দুঃখ তোমার? এসব ছেড়ে আমার সাথে চলো, দেখো, এই বন কত নাইস!
হাতি তার পিছে পিছে যাওয়া ধরলো। আবার কিছুদূর যাবার পর দেখে বাঘ মদ খেয়ে টাল।
শিয়াল গিয়ে সুন্দর করে বুঝালো, ছাড়ো না এসব নেশা। আমার সাথে চলো। দেখো, বনটা কত্ত বিউটিফুল!
বাঘ উঠে ঠাডায় একটা থাবড়া মারলো। শিয়াল কয়েক গজ দূরে গিয়ে পড়লো।
হাতি বললো, কি হলো ভাই?! বেচারাতো ভালো কথাই বললো।
বাঘ কইলো, এই হারামজাদা ডেইলি গাঁঞ্জা খাইয়া এইভাবে সবাইরে নিয়া রা