Monday, November 28, 2022

 

পরবর্তী জেনারেশন কি চিনবে? এই মহান মানুষ টা কে?

চীন থেকে ফিরতি পথে পাকিস্তানে নেমেছিলেন ভাসানী।
মেয়র এক নাগরিক সংবর্ধনা দিয়েছিলেন ভাসানীকে।
ভাসানীর মাথায় তালের টুপী আর পরনে ছিল লুঙ্গি,
স্টেজে উঠেছেন ভাষণ দিতে....
ভাসানীর বেশ ভূষা দেখে দর্শক শ্রোতাদের মধ্যে গুনগুন মন্তব্য
"ইয়ে তো মিসকিন হ্যায়"..!!
কোরান তেলাওয়াত দিয়ে ভাসানীর বক্তব্য শুরু হতেই ওই শ্রোতাদের কণ্ঠে আরেকটি মন্তব্য ভেসে এলো
"ইয়ে তো মাওলানা হ্যায় "..!!
ভাসানীর রাজনৈতিক বক্তব্য শুরু হতেই ঐ একই দর্শক শ্রোতারা বলে উঠলেন
"আরি বাহ্ ইয়ে তো পলিটিশিয়ান হ্যায়"..!!
ভাসানী যখন বিশ্ব পরিস্থিতি ও বিশ্ব মোড়লদের শোষণ পীড়ন নিপীড়নের কথা বলতে শুরু করলেন তখন ঐ একই দর্শক শ্রোতারাই বলে উঠলেন
"হায় আল্লাহ ইয়ে তো এস্টেট মেন হ্যায়"..!!
মজলুম জননেতা,উপমহাদেশের রাজনীতির প্রবাদ পুরুষ,ইতিহাসের মহানায়ক।
মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
গভীর শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা রইলো আপনার প্রতি।
  • কিছু প্রশ্ন? উত্তর আছে আপনার কাছে?
    নিজেকে করার কিছু প্রশ্ন , যদি পারেন তো জবাব দিন , না পারলে আল্লাহর দিকে ফিরে আসুনঃ
    ১/ আপনি শুধু জুমআ’র নামাজই পড়েন কেন? আপনাকে কি আল্লাহ্‌ শুধু জুমার দিনেই আলো, বাতাস, পানি খাবার দিয়ে থাকেন? শনিবার দেন না? রবি, সোম, মঙ্গল সব দিনই তো দেন, সবদিন পরিপূর্ণ আল্লাহর নেয়মত ভোগ করেন, কিন্তু আল্লাহ্‌কে শুধু একদিনই স্মরণ করেন। এবার বলুন আপনি কি ঠিক পথে আছেন? এটা কি স্পষ্টত অপরাধ নয়? জবাব দিন , না হলে ফিরে আসুন।
    ২/ আপনি কি মনে করেন ইসলাম শুধু মসজিদ , মাদ্রাসায় , ইমাম, আলেমদের মধ্যে সীমাবদ্ধ? সবার জন্য জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই কি ইসলাম নয়? তাহলে আমাদের প্রিয় নবীর জীবনের প্রতিটি অংশই কেন ইসলাম জড়িত, কিংবা সাহাবীরা/৪ খলিফা কেনইবা ইসলামিক জীবন যাপন করেছেন? এবার নিজেকে প্রশ্ন করুন, আপনি কি নিজেকেই ধোঁকা দিচ্ছেন না? জবাব দিন, না হলে ফিরে আসুন।
    ৩/ আপনি জানেন নামাজ পড়া ফরজ, আপনি এও জানেন নামাজ না পড়লে জাহান্নামে যেতে হবে, আপনার এটাও জানা আছে যে জাহান্নাম অত্যন্ত ভয়াবহ, দুনিয়ার কোন শাস্তিই জাহান্নামের ধারে কাছেও নেই, তবু কেন আপনি পড়ছেন না? আপনি কি জেনে বুঝে নিকৃষ্ট জায়গায় , ভয়াবহ শাস্তির জায়গায় ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেকে নিয়ে যাচ্ছেন না? কেউ যদি জেনে বুঝে শাস্তি পেতে চায়, অথচ সে ইচ্ছা করলে শাস্তির বদলে চির সুখের স্থান পেতে পারে তাকে আপনি কি বলবেন ? চরম দুর্ভাগা বলবেন না? জবাব দিন , না হলে ফিরে আসুন।
    ৪/ আপনি তো জানেন জান্নাতে আরাম আয়েশের অভাব নেই। ইচ্ছা মত ভাল ভাল খাবার, পরমা সুন্দরী জান্নাতি হুর, যা যা ইছে করে সব পাওয়া যাবে জান্নাতে গেলে। দুনিয়ায় মানুষ কদিন বাঁচে? ৮০/১০০ বছর?আর আখিরাতের জীবন তো অনন্ত অসীম। আপনি এই ৮০-১০০ বছর আরামে কাটিয়ে দিতে চান আর অনন্ত জীবন ছেড়ে দিতে চান? এর থেকে বোকামি আর কি হতে পারে?
    ৫/ আপনি সবই মানেন সবই বোঝেন, কিন্তু অলসতা কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে পালন করেন না, কি করে আশা করেন জান্নাত পাওয়ার। অনেকে বলেন ভাই আমি তো জাহান্নামী, তাদেরকে বলতে ইচ্ছে করে ভাই জাহান্নামকে আপনি কি মনে করেন? সাধারন জেলখানা ? তাহলে শুনুন
    নু’মান ইবনে বাশীর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ
    “কেয়ামতের দিন জাহান্নামীদের মধ্যে সবচাইতে লঘু শাস্তি প্রাপ্ত ব্যক্তির শাস্তি হবে এই যে, তার দুই পায়ের তালুর নিচে আগুনের দু’টি অংগার রাখা হবে এবং তাতে তার মস্তিষ্ক সিদ্ধ হতে থাকবে। সে মনে করবে, তার চাইতে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি আর কেউ হয়নি। অথচ সে-ই জাহান্নামীদের মধ্যে সবচাইতে হালকা শাস্তিপ্রাপ্ত।”
    [ বুখারী: ৬৫৬২ , মুসলিম: ২১৩ ]
    জবাব দিন , নাহলে ফিরে আসুন। যারা ফিরে আসবে এই মুহূর্ত থেকে তাদের জন্য আল্লাহ্‌ সুসংবাদ দিয়েছেন,
    “আর যারা খারাপ কাজ করে, তারপরে তওবা করে নেয় এবং ঈমান নিয়ে আসে, তবে নিশ্চয়ই তোমার রব এরপরও ক্ষমাশীল,পরম দয়ালু।” [ সূরা আ’রাফ ১৫৩]
    “তারা কি দেখে না,তারা প্রতি বছর একবার কিংবা দুবার বিপদগ্রস্ত হয়? এরপরও তারা তওবা করে না এবং উপদেশ গ্রহণ করে না।” [ সূরা তাওবা ১২৬]
    “সুতরাং তারা কি আল্লাহর নিকট তওবা করবে না? এবং তার নিকট ক্ষমা চাইবে না? আর আল্লাহ ক্ষমাশীল,পরম দয়ালু।” [সূরা মায়েদা ৭৪]
    যারা ভাবে এখন পাপ করি পরে সময়মত তওবা করে নেব, তাদের সাধারণতঃ কোনদিনই তওবা করার সৌভাগ্য পাবে না।
    আল্লাহ্‌ বলেন,
    “আর এমন লোকদের জন্য কোন ক্ষমা নেই, যারা মন্দ কাজ করতেই থাকে, এমন কি যখন তাদের কারো মাথার উপর মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন বলতে থাকেঃ আমি এখন তওবা করছি। আর তওবা নেই তাদের জন্য, যারা কুফরী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। আমি তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি।” [সূরা নিসা ১৮]
    তাই আমার ভাই ও বোনেরা ফিরে আসুন , এখনই, এখনই এবং এখনই। তওবা করে ফিরে আসুন। আল্লাহর কাছে নিজেকে আত্মসমর্পণ করুন।
    ( সংগৃহীত)

Sunday, November 27, 2022

 

নাস্তিক প্রফেসর ক্লাসে ঢুকেই তার ছাত্রদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন, "পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব কি সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেছেন?"
একজন ছাত্র বেশ আত্নবিশ্বাসের সাথেই উত্তর দিলো, জ্বী স্যার। সবকিছুই সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেছেন।
"তাই নাকি! ছাত্র টির উত্তর শুনে মুচকি হাসেন প্রফেসর। সৃষ্টিকর্তা সত্যিই সবকিছু তৈরি করেছেন? তুমি ভেবে বলছো?"
ছাত্র টি আগের মত আত্নবিশ্বাসের সাথে হ্যা বোধক উত্তর
দিতেই প্রফেসর আবারও প্রশ্ন করেন,
"সৃষ্টিকর্তাই যদি সবকিছু তৈরি করে থাকেন তাহলে উনি তো খারাপ কেও সৃষ্টি করেছেন। তোমার উত্তর অনুযায়ী যেহেতু খারাপের অস্তিত্ব আছে এবং
আমরা কি সেটা আমাদের কাজের উপর নির্ভর করেই নির্ধারণ হয়, সেই যুক্তি অনুযায়ী তাহলে সৃষ্টিকর্তা নিজেই খারাপ। কারন আমাদের ভাল-মন্দ সব গুণ
উনি তৈরি করেছেন ।"
প্রফেসরের এমন কথা শুনে সব ছাত্র চুপ হয়ে গেলো । কেউ
কিছু বলছেনা। ছাত্রদের চুপ হয়ে যাওয়া দেখে প্রফেসর নিজের উপর বেশ সন্তুষ্ট হলেন। কিছুক্ষণ পর আরেকজন ছাত্র উঠে দাড়ালো। প্রফেসর আমুদে ভঙ্গীতে জিজ্ঞাসা করেন, কিছু বলতে চাও? ছাত্র টি হাসি মুখে প্রফেসরের কাছে জানতে চায়, "আপনাকে একটা প্রশ্ন করতে পারি স্যার?"
অবশ্যই করতে পারো। প্রফেসর অনুমতি দিতেই ছাত্র টি জিজ্ঞাসা করে- "স্যার, ঠান্ডা বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব আছে কি?"
প্রশ্ন শুনে প্রফেসরের চেহারায় বিরক্তি ফুটে ওঠে। "কি গাধার মত প্রশ্ন করো! ঠান্ডার অস্তিত্ব থাকবেনা কেন?
অবশ্যই ঠান্ডার অস্তিত্ব আছে। তোমার
কি কখনো ঠান্ডা লাগেনি?"
এবার ছাত্র টি মুচকি হেসে উত্তর দেয়, সত্যি বলতে কি স্যার, ঠান্ডার কোনো অস্তিত্ব নেই। আমরা যেটাকে ঠান্ডা
বলি, পদার্থ বিজ্ঞানের ভাষায় সেটা আসলে তাপের অনুপস্থিতি।
আমরা এই "ঠান্ডা' শব্দ টিকে জাস্ট কম তাপ কিংবা তাপের অনুপস্থিতি কে ব্যাখ্যা করার জন্য ব্যবহার করি।
কিছুক্ষণ
পর ছাত্র টি আবারো প্রশ্ন করে, "স্যার অন্ধকার বলে কিছু কি পৃথিবীতে আছে?" প্রফেসর উত্তর দেন, কেন থাকবেনা! অবশ্যই অন্ধকারের অস্তিত্ব আছে।
ছাত্র টি সহাস্যে উত্তর দেয়, আপনার ধারণা ভুল স্যার। অন্ধকার বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। আমরা আলো কে নিয়ে রিসার্চ করতে পারি, আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ মাপতে পারি, আলোর গতি বের করতে পারি। কিন্তু অন্ধকারের অস্তিত্ব নেই বলেই আমরা অন্ধকার নিয়ে কোনো কিছুই করতে পারিনা। সামান্য একটা আলোক রশ্নি অন্ধকার দূর করতে যথেষ্ঠ, কিন্তু অন্ধকার কখনো আলো কে গ্রাস করতে পারেনা। কারন অন্ধকার বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই, অন্ধকার হচ্ছে আলোর অনুপস্থিতি। ছাত্র টি আবারও প্রশ্ন করে বসে। "স্যার, এবার বলেন
খারাপের কি অস্তিত্ব আছে?"
প্রফেসর বেশ ক্রুদ্ধস্বরে উত্তর দেন, অবশ্যই আছে। প্রতিদিন কত মানুষ খুন হচ্ছে, অন্যায় হচ্ছে, এগুলো খারাপ না?"
ছাত্র টি বেশ জোরের সাথে উত্তর দেয়, "না স্যার। খারাপের কোনো অস্তিত্ব নেই, এটা হচ্ছে ভালোর অনুপস্থিতি। এটা সেই ঠান্ডা এবং অন্ধকারের মতই,
মানুষের অন্তরে সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভালবাসার অনুপস্থিতিই এই খারাপ বা মন্দের অবস্থা তৈরি করে।"
কোনো একটা জিনিস বিজ্ঞান নিজ সীমাবদ্ধতার কারণে খুঁজে পাচ্ছে না বলে সেটা নাই অন্ধভাবে এটা বলাও বিজ্ঞান সমর্থন করে না। ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দ এর আগে অক্সিজেন আবিষ্কার হয় নি তাই বলে কি বাতাসে , পানিতে দুনিয়াতে অক্সিজেন ছিল না ?? একই ভাবে বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর বাইরে এলিয়েন খুঁজে বেড়াচ্ছেন কিন্তু জ্বীন ভুত এর কথা বললেন অনেকের নানা সমালোচনা শুরু হয়ে যায়।
স্রষ্টাকে খুঁজে বের করতে না পারা বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা , স্রষ্টার না।

 

প্রশ্ন ঃ ৩ । আমার নাম জাবের, আমি কোন প্রকাশনা থেকে আসিনি। আমি আপনাদের এই অনুষ্ঠানের বিষয়ে ‘Times of India' তে বিজ্ঞপ্তি দেখে এখানে এসেছি, যেন আমার এ বিকালটা ভালভাবে কাটে। যাই হোক আমার প্রশ্ন সরাসরি ডা. জাকির নায়েকের কাছে। তার আগে একটি বিষয়ে পরিষ্কার করতে চাই যা মি. সাহানী উল্লেখ করেছেন, তাহলো তাসলিমা নাসরিন ভুল উদ্ধৃতি দিয়েছেন। যাইহোক আপনি যদি টাইম ম্যাগাজিনের ৩১ জানুয়ারী ১৯৯৪ সংখ্যা পড়ে থাকেন তাহলে দেখবেন যে, মি. ফারজান আহমদ একটি রিপোর্ট করেছেন, তাসলিমা নাসরিন বলেছেন, “সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে” Ok আচ্ছা ঠিক আছে। যদি কোরআনে এ বিষয় থেকেই থাকে তাহলে আমি কিভাবে এরকম অবৈজ্ঞানিক বিষয়টি বিশ্বাস করবো? আর দ্বিতীয়ত: হলো তিনি (তসলিমা) ইসলামকে দোষারোপ করেছেন এই বলে যে, বাংলাদেশে ইসলামের জন্যই মেয়ে শিশু হত্যার হার অনেক বেশি ভয়াবহ। আমি ভাবছি কুরআনে এ বিষয়ে কি আছে? থাকলে তা কি স্পষ্ট করে বলবেন?
প্রশ্নোত্তর ডা: জাকির: ভাই মি. জাবেদ, এর দুটি প্রশ্ন রয়েছে। যদিও একটি প্রশ্ন করার কথা ছিল পরিচালক যদি আমাকে অনুমতি দেন তাহলে আমি দুটি প্রশ্নেরই উত্তর দিতে পারবো । প্রথম প্রশ্ন হলো 'টাইম ম্যাগাজিন' এর ৩১ জানুয়ারি ৯৪ সংখ্যায় (যা বিশ্বের একটি প্রসিদ্ধ ম্যাগাজিন) প্রকাশ পেয়েছে, আমিও ৩১ জানুয়ারি ৯৪ এর প্রকাশিত রিপোর্ট সম্পর্কে একমত পোষণ করছি। যেখানে সে (তাসলিমা নাসরিন) বলেছেন, যে কুরআন বর্ণনা করেছে, “সূর্য পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে, সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে” তার প্রশ্ন হলো তিনি (জাবেদ) যদি কুরআনের শিক্ষা বিশ্বাস করেন তাহলে এটি কিভাবে প্রমাণ করবেন? আমি তার এ বিষয়ে মন্তব্যের সাথে একমত। এটা কিভাবে সম্ভব যে এমন তথ্যবিহীন যুক্তিবিহীন, প্রমাণহীন একটি বিষয়ের প্রমাণ করা । কুরআন বলে “সূর্য পৃথিবী প্রদক্ষিণ করে” তাহলে কুরআন অবশ্যই বলবে- অর্থ : ‘বলে দিন, তোমরা সত্যবাদী হলে প্রমাণ উপস্থিত কর।' (সূরা বাকারা- আয়াত-১১১)
তাহলে আমাদের প্রমাণ করতে হবে, আসুন আমরা প্রমাণ দিব। আসুন দেখি কুরআন এ বিষয়ে কি বলেছে- প্রিয় উপস্থিতি, সে (তসলিমা নাসরিন) কুরআন থেকে যে আয়াতটিকে রেফার করেছে তাহলো কুরআনের সূরা আম্বিয়ার ৩৩ নং আয়াত। যেখানে বলা হয়েছে-
অর্থ: “তিনিই সৃষ্টি করেছেন রাত্রি ও দিন এবং সূর্য ও চন্দ্র । সবাই আপন আপন কক্ষপথে বিচরণ করে।” একই বিষয়ে সূরা ইয়াসিন-এর ৪০ নং আয়াতে বলা হয়েছে- অর্থ : “সূর্য নাগাল পেতে পারে না চন্দ্রের এবং রাত্রি অগ্রে চলে না দিনের। প্রত্যেকেই আপন আপন কক্ষপথে সন্তরণ করে।”
কুরআন একথা বলেনি যে, “সূর্য পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে” কুরআন বলেছে সূর্য ও চন্দ্র প্রত্যেকেই তার নিজ নিজ কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করে।”আর শব্দ ও শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। এ শব্দটি
শব্দমূল থেকে এসেছে। যা কোন চলন্ত বা গতিশীল বস্তুর গতির প্রকৃতি /Motion বুঝায় । (Discribing the motion for moving body) আপনি যদি বলেন একজন মানুষের - - - -র বিষয়টি বুঝান তাহলে এর দ্বারা তার দাঁড়িয়ে থাকা বুঝাবে না, বরং এর দ্বারা বুঝাবে সে হয় হাঁটছে না হয় দৌড়াচ্ছে । আপনি যদি কোন লোকের পানিতে (সাবহান) করা বুঝান তাহলে তখন তাকে পানিতে ভাসা বুঝাবে না। এর দ্বারা পানিতে সাঁতার দেওয়া বুঝাবে। একইভাবে আপনি যদি ‘সাবহা’ শব্দটি কোন স্বর্গীয় বা আল্লাহর সৃষ্টি সম্পর্কিত বিষয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার করেন তাহলে এর দ্বারা ঐ বস্তুর তার পরিভ্রমণকে বুঝাবে । 'If you use the word Subha for heavenly body it means it is rotating about its own access.'
কুরআনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সূর্য ও চন্দ্র পরিভ্রমণ করছে। তারা নিজ অক্ষে স্ব স্ব গতিতে ঘুরছে। “ The sun and the moon rotate, they travel in their motion that revolve and they rotate about its own Axis."- এই আয়াত আমাকে সন্দেহের মধ্যে ফেলে দিয়েছিল। কারণ, আমি যখন ১৯৮২ সালে সেন্ট পিটার কলেজ থেকে আমার I.S.C পাস করি তখন সেখানে জানি যে সূর্য Rotate করে না, সূর্য Resolve করে। যাই হোক, এখানে দুটি বিষয় ছিল। এক হলো গবেষক বলছে সূর্য তার নিজ অক্ষে Rotate (আবর্তন) করে না। অন্য দিকে কুরআন বলছে- সূর্য তার নিজ অক্ষে Rotate (আবর্তন) করছে। এ কারণে এ বিষয়ে আমার দ্বিধা হয়। তারপর আমি জানতে পারলাম যে, বর্তমান সর্বাধুনিক Advanced research and Astronomy গবেষণা করে আবিষ্কার এবং প্রমাণ করেছে যে, সূর্য তার নিজ অক্ষে সর্বদা Rotate করছে ।আপনি যদি সূর্যকে নিজে ল্যাবরেটরিতে বা নিজে সরাসরি প্রত্যক্ষ করেন তাহলে দেখবেন সূর্য নিজ অক্ষেই ঘুরছে এবং এর নিজের কিছু Black hole রয়েছে। আপনি যদি এর ইমেজগুলো দেখেন তাহলে দেখবেন যে, সূর্যের বেশ কিছু Black Spots রয়েছে। সূর্যের কতগুলো নির্দিষ্ট Hols রয়েছে যেমন- Black Spots এবং সেই Black Spots গুলো সম্পূর্ণরূপে Rotate করতে পঁচিশ দিন সময় নেয় । তাই সংক্ষেপে বলা যায় সূর্য নিজে Rotate করতে প্রায় পঁচিশ দিন সময় নেয়। সুতরাং আমি বলবো কুরআন অবশ্যই সেকেলে বা Backword নয় বরং কুরআন হলো সর্বাধুনিক Most up to date. আমি তাসলিমা নাসরিনকে জিজ্ঞেস করতে চাই, কে ১৪০০ বছর আগে প্রচার করেছে, ঘোষণা করেছে—অথঃ “প্রত্যেকেই তার নিজ অক্ষে পরিভ্রমণ করছে।” অর্থাৎ তারা Revolve এবং Rotate (আবর্তন) করছে। আপনারাও তাকে জিজ্ঞেস করুন। কুরআন কখনই বলেনি যে, সূর্য পৃথিবীকে Rotate বা Revolve করছে। এটা হলো তার অপব্যাখ্যা। যেহেতু পরিচালক আমাকে অনুমতি দিয়েছেন, তাই আমি প্রশ্নকারীর প্রশ্নের দ্বিতীয় অংশের উত্তর দিচ্ছি। যেহেতু সে (তাসলিমা) কোন প্রকার প্রমাণ ছাড়াই এ বিষয়টি জলজ্যান্ত প্রমাণ করতে চেয়েছে যে, শুধু ইসলামের কারণেই বাংলাদেশে মেয়ে শিশু হত্যার হার অনেক বেশি। বাংলাদেশে মুসলমান সংখ্যা অর্থাৎ ইসলামের কারণেই মেয়ে শিশু হত্যার হার অনেক বেশি। এ বিষয়টি কোন প্রকার প্রমাণ ছাড়াই সে এমন দাবি করেছে আমি তাকে বলতে বলবো, সে কেবল কুরআনের একটি আয়াত উল্লেখ করুক যেখানে বলা হয়েছে যে, মেয়ে শিশুদের হত্যা কর। বস্তুত বিবিসি (B.B.C) এর একটি প্রোগ্রাম এ্যাসাইনমেন্ট যা “Small clipping was let her -die” শিরোনামে একজন ব্রিটিশ Amili Bucenin এ্যামিলি ব্যাকেনিন প্রস্তুত করেছেন। তিনি UK থেকে এসে মেয়ে শিশু হত্যার উপর একটি জরিপ করে দেখেছেন যে, মেয়ে শিশু হত্যার হার সবচেয়ে বেশি ইন্ডিয়াতেই । তার মতে প্রত্যেক দিন তিন হাজারেরও বেশি (Flitases) চিহ্নিত হয়েছে, অপেক্ষায় থাকে Females নারী । এটা তিন হাজার Flit শুধু আমাদের দেশেই । আপনি যদি এই সংখ্যাকে ৩৬৫ দিয়ে গুণ করেন তাহলে তা অবশ্যই এক মিলিয়নের চাইতে বেশি হবে । এক মিলিয়ন Flit চিহ্নিত করা হয়েছে যারা কেবল শুধু মেয়ে শিশু নিয়ে অপেক্ষা করছে। যারা আপনারা কেন এ খবরটি আমাদের পত্রিকার হেড লাইনের খবর হিসেবে পড়েন না? যতক্ষণ পর্যন্ত এ রকম মেয়ে শিশুর হত্যা বন্ধ না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আপনারা এটাকে পত্রিকার Front Page-এ নিউজ করুন। তামিলনাড়ুর সরকারের রিপোর্ট অনুযায়ী যেসব মেয়ে শিশু জীবন্ত জন্মগ্রহণ করে তাদের মধ্যে প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৪টি শিশুকে মৃত্যুমুখে ঠেলে দেওয়া হয়। ভেবে দেখুন প্রতি দশজনে ৪জন একজন ব্রিটিশ Inteligent কে আমাদের দেশের মেয়ে শিশুর হত্যার হার তদন্ত করে রিপোর্ট করতে হয়েছে। এবার আমি মেয়ে শিশু হত্যা সম্পর্কে কুরআন কি বলেছে, কুরআনে কি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে উল্লেখ করবো। সে (তসলিমা) একটি আয়াত উল্লেখ করতে পারবে না। এ বিষয়ে সে একটি আয়াতও উল্লেখ করতে পারবে না। আমি তাকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি। মেয়ে শিশু হত্যার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এমন একটি আয়াতও সে কুরআন থেকে উদ্ধৃত করতে পারবে না । আসলে আপনি যদি কুরআন পড়েন তাহলে সূরা তাকবীর এর ৮ ও ৯ নং আয়াতে পাবেন । তাসলিমা নাসরিন কেবল বলে থাকে, কুরআন বলেছে, কোরআন এমন বলেছে, কুরআন তেমন বলেছে, আমি বুঝিনা কিভাবে একজন ব্যক্তি কুরআন পড়ে নাই অথবা সে যদি বলে আমি কুরআন পড়েছি তাহলে সে (তাসলিমা) বললো যে কুরআন অমুক আয়াতে বলেছে আর আপনারা তা কুরআনের আয়াত হিসেবে গ্রহণ করে নিচ্ছেন। Give benefit of doubt. আপনারা তাকে সন্দেহের সুযোগ দিচ্ছেন, সে সন্দেহের সুযোগ নিচ্ছে। যেমন- কুরআন বলেছে যে, সূর্য পৃথিবী প্রদক্ষিণ করে, তাই কুরআন মেয়ে শিশু হত্যা করতে বলেছে। তাতেই আপনারা তার সাথে একমত হয়ে যাচ্ছেন। আপনারা যদি কুরআন এর সূরা তাকবীর এর ৮ ও ৯ নং আয়াত পড়ে, যেখানে বলা হয়েছে - অর্থ: “যখন জীবন্ত প্রোথিত কন্যাকে জিজ্ঞেস করা হবে, কি অপরাধে তাকে হত্যা করা হলো?” অর্থাৎ শেষ বিচারের দিন জানতে চাওয়া হবে কোন অপরাধে তাকে হত্যা করা হলো? কিয়ামতের দিন এই শিশু চিৎকার করতে থাকবে তখন জানতে চাওয়া হবে, কোন অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছিল? সুতরাং বুঝতেই পারছেন মেয়ে শিশু হত্যা করা ইসলাম সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করে। যেকোনভাবেই হোক, তা মেয়ে হোক, যে কোন শিশু হত্যা ইসলাম হারাম করেছে। শিশু হত্যা ইসলামে সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। এ বিষয়ে পবিত্র কুরআনের সুস্পষ্ট নির্দেশ এসেছে। কুরআনের সূরা আল ইসরা'র ৩১ নং আয়াতে বলা হয়েছে— অর্থ: “দারিদ্র্যের ভয়ে তোমাদের সন্তানদেরকে হত্যা করো না। তাদেরকে এবং তোমাদেরকে আমিই জীবনোপকরণ দিয়ে থাকি। নিশ্চয় তাদেরকে হত্যা করা মারাত্মক অপরাধ।”অর্থ : “আপনি বলুন : এসো, আমি তোমাদেরকে ঐসব পাঠ করে শুনাই, যেগুলো তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের জন্য হারাম করেছেন, তা এই যে, আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে অংশীদার করো না, পিতা-মাতার সাথে সদয় ব্যবহার কর, স্বীয় সন্তানদেরকে দারিদ্র্যের কারণে হত্যা করো না, আমি তোমাদেরকে ও তাদেরকে আহার দিই, আর নির্লজ্জতার কাছেও যেও না। প্রকাশ্য হোক কিংবা অপ্রকাশ্য, যাকে হত্যা করা আল্লাহ হারাম করেছেন, তাকে হত্যা করো না; কিন্তু ন্যায়ভাবে ব্যতীত। তোমাদেরকে এ নির্দেশ দিয়েছেন, যেন তোমরা বুঝ।”কুরআন ছেলে সন্তান হওয়ার পর আনন্দিত হওয়ার বিষয়ে এবং মেয়ে সন্তান জন্ম নিলে তার চেহারা মলিন হয়ে যাওয়ার বিষয়ে উল্লেখ করেছেন।” যেমন- কুরআনের সূরা 'আন নাহাল' এর ৫৮ ও ৫৯ নং আয়াতে বর্ণনা করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন- অর্থ : “যখন তাদের কাউকে কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেয়া হয়, তখন তার মুখ কাল হয়ে যায় এবং অসহ্য মনস্তাপে ক্লিস্ট হতে থাকে। তাকে শোনানো সুসংবাদের দুঃখে যে লোকদের কাছ থেকে মুখ লুকিয়ে থাকে সেভাবে, অপমান সহ্য করে তাকে থাকতে দেবে, না তাকে মাটির নিচে পুঁতে ফেলবে। শুনে রাখ, তাদের ফয়সালা খুবই নিকৃষ্ট।”


Saturday, November 26, 2022

 

৭০ টি ছোট আমল তবে পুরুস্কার অনেক বড় "Timeline এ রেখে দিন"
আমল : ১
প্রত্যেক ওযুর পর কালেমা শাহাদত পাঠ করুণ। এতে জান্নাতের ৮টি দরজার যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৩৪।
আমল : ২
প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে আয়াতুল কুরসি পাঠ করুণ এতে মৃত্যুর সাথে সাথে জান্নাতে যেতে পারবেন। সহিহ নাসাই, সিলসিলাহ সহিহাহ, হাদিস নং- ৯৭২।
আমল : ৩
প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ্, ৩৩ বার আল্লাহু আকবার এবং ১ বার (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর) পাঠ করুণ এতে আপনার অতীতের সব পাপ ক্ষমা হয়ে যাবে। সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ১২২৮। সেই সাথে জাহান্নাম থেকেও মুক্তি পেয়ে যাবেন কেননা দিনে ৩৬০ বার এই তাসবিহগুলো পড়লেই জাহান্নাম থেকে মুক্ত রাখা হয় আর এভাবে ৫ ওয়াক্তে ৫০০ বার পড়া হচ্ছে। সহিহ মুসলিম, মিশকাত হাদিস নং- ১৮০৩) ।
আমল : ৪
প্রতিরাতে সূরা মুলক পাঠ করুণ এতে কবরের শাস্তি থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন। সহিহ নাসাই, সহিহ তারগিব, হাকিম হাদিস নং- ৩৮৩৯, সিলসিলাহ সহিহাহ, হাদিস নং- ১১৪০।
আমল : ৫
রাসুল (সাঃ)-এর উপর সকালে ১০ বার ও সন্ধ্যায় ১০ বার দরুদ পড়ুন এতে আপনি নিশ্চিত রাসুল (সাঃ)-এর সুপারিশ পাবেন। তবরানি, সহিহ তারগিব, হাদিস নং- ৬৫৬ ।
আমল : ৬
সকালে ১০০ বার ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহি পরলে সৃষ্টিকুলের সমস্ত মানুষ থেকে বেশী মর্যাদা দেওয়া হবে। সহিহ আবু দাউদ, হাদিস নং- ৫০৯১। হজরত জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, 'যে ব্যক্তি 'সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহি' পাঠ করে, তার জন্য জান্নাতে একটি খেজুরগাছ রোপণ করা হয়। (তিরমিজি : ৩৪৬৪)
আমল : ৭
সকালে ১০০ বার ও সন্ধ্যায় ১০০ বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি পাঠ করলে কিয়ামতের দিন তার চেয়ে বেশী সওয়াব আর কারো হবে না। সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৬৯২।
আমল : ৮
সকালে ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহ, ১০০ বার আলহামদুলিল্লাহ্, ১০০ বার আল্লাহু আকবার এবং ১০০ বার লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর পাঠ করলে অগণিত সওয়াব হবে। নাসাই, সহিহ তারগিব, হাদিস নং- ৬৫১।
আমল : ৯
বাজারে প্রবেশ করে- (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু য়্যুহয়ী ওয়া য়্যুমীতু ওয়া হুয়া হাইয়ুল লা য়্যামূত, বিয়াদিহিল খাইরু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর)পাঠ করুণ এতে ১০ লক্ষ পুণ্য হবে, ১০ লক্ষ পাপ মোচন হবে, ১০ লক্ষ মর্যাদা বৃদ্ধি হবে এবং জান্নাতে আপনার জন্য ১ টি গৃহ নির্মাণ করা হবে। তিরমিজি, হাদিস নং- ৩৪২৮,৩৪২৯।
আমল : ১০
বাড়িতে সালাম দিয়ে প্রবেশ করুণ এতে আল্লাহ তা’লা নিজ জিম্মাদারিতে আপনাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। ইবনু হিব্বান, হাদিস নং- ৪৯৯, সহিহ তারগিব, হাদিস নং- ৩১৬।
আমল : ১১
জামাতে ইমামের প্রথম তাকবীরের সাথে ৪০ দিন সলাত আদায় করুন এতে আপনি নিশ্চিত জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন। তিরমিজি, সিলসিলাহ সহিহাহ, হাদিস নং- ৭৪৭, সহিহ তারগিব, হাদিস নং- ৪০৪)।
আমল : ১২
প্রতিমাসের আয়ের একটা অংশ এতিমখানা বা মসজিদ মাদ্রাসা বা গরিব-দুখি, বিধবা ও দুস্থদের মাঝে দান করবেন হোক সেটা অতি অল্প এতে আপনি আল্লাহ তা’লার কাছে জিহাদকারির সমতুল্য হবেন। সহিহ বুখারি, হাদিস নং- ৬০০৭।
আমল : ১৩
মহিলারা ৪টি কাজ করবেন, ১- ৫ ওয়াক্ত সলাত ২- রমজানের সিয়াম, ৩- লযযাস্থানের হেফাজত, ৪- স্বামীর আনুগত্য করুণ এতে জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। সহিহ ইবনু হিব্বান, হাদিস নং- ৪১৬৩ ।
আমল : ১৪
মসজিদে ফজরের সলাত আদায় করে বসে দোয়া জিকির পাঠ করুণ এবং সূর্য উঠে গেলে ২ রাকাত ইশরাক সালাত আদায় করুণ এতে প্রতিদিন নিশ্চিত কবুল ১ টি হজ্জ ও উমরার সওয়াব পাবেন। তিরমিজি, তারগিব হাদিস নং- ৪৬১।
আমল : ১৫
প্রতিটি ভালো কাজ ডান দিক দিয়ে বিসমিল্লাহ বলে শুরু করা।
আমল : ১৬
ঘুম থেকে উঠে ঘুমের দুয়া পড়া।
আমল : ১৭
বাথরুমে যেতে দুয়া পড়ে বাম পা দিয়ে প্রবেশ করা, বের হওয়ার সময় ডান পা দিয়ে বের হয়ে দুয়া পড়া। [বাথরুমে কোন দুয়া পড়া যাবে না]
আমল : ১৮
-ওযুর পূর্বে মিসওয়াক করার অভ্যাস করা। -ওযুর শুরুতে এবং শেষে হাদিসে বর্ণিত দুয়া পড়া।
আমল : ১৯
ঘর থেকে বের হওয়ার সময় ডান পা দিয়ে দুয়া পড়ে বের হওয়া এবং প্রবেশের সময়ও ডান পা দিয়ে প্রবেশ করে সালাম দেয়া। যদিও ঘরে কেউ না থাকুক না কেন সালাম দেয়া সুন্নাহ, আল্লাহর হুকুম। যদি ঘরে কেউ নাকে তবে এই সালাম ঘরের ফিরিশতাদের জন্য।
আমল : ২০
মসজিদে ডান পা দিয়ে দরুদ ও দুয়া পড়ে ঢুকা এবং বাম পা দিয়ে দরুদ ও দুয়া পড়ে বের হওয়া।
আমল : ২১
রাস্তার ডানপাশে চলার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। না পারলে ভিন্ন কথা।
আমল : ২২
-ফরজ সালাত শেষে হাদিসে বর্ণিত যিকির, দুয়ার আমল করা। -ফজর ও মাগরিবের পর সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত পড়া, তিন ক্বুল পড়ে শরীর দম করা, ইত্ত্যাদি হাদিসে বর্ণিত আমল করা।
আমল : ২৩
-আযানের জবাব দেয়া, আযানের পর হাদিসে বর্ণিত দুয়া পড়া। (হাত উত্তোলন না করে) -চলতে ফিরতে ছোট বড় সকলকে সালাম দেয়া। সালাম দিয়ে কথা শুরু ও শেষ করা। শুদ্ধভাবে সালাম দেয়া।
আমল : ২৪
জামা ও জুতা পরার সময় ডান দিক থেকে পরা এবং খুলার সময় বামদিকে আগে খুলা। সম্ভব হলে হাদিসে বর্ণিত দুয়া মুখস্থ করে আমলের অভ্যাস করা।
আমল : ২৫
পানি খাওয়ার সময় ৬টি সুন্নত ভালোভাবে মেনে খাওয়ার চেষ্টা করা।
আমল : ২৬
ভাত বা যেকোন খাবার খাওয়ার সময় সমতল জায়গায় বসে দস্তরখানা বিছিয়ে বিসমিল্লাহ বলে দুয়া পড়ে খাওয়া, কিছু পরে গেলে তুলে ধুয়ে খাওয়া, খাওয়া শেষে আলহামদুলিল্লাহ্ পড়া।
আমল : ২৭
ঘুমানোর আগে সূরা মূলক তিলাওয়াত করা, তিন ক্বুল(ইখলাস,ফালাক্ব,নাস) পড়ে তিনবার শরীর দম করা, ঘুমের দুয়া পড়া, আয়াতুল কুরসী পড়া, সূরা কাফিরুন পড়ে ডান কাত হয়ে শোয়া।
আমল : ২৮
ঘুমের মাঝখানে কোন খারাপ স্বপ্ন দেখলে উঠে বামপাশে তিনবার থু থু ফেলা এবং আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইত্বনির রজিম পড়ে আল্লাহর কাছে শয়তানের হাত থেকে পানাহ চাওয়া।
আমল : ২৯আত্নীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা :-
‘‘কেউ যদি চায় যে তার মূলধন বৃদ্ধি করা হোক এবং বয়স দীর্ঘ করা হোক, তবে তাকে বল সে যেন আত্নীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে।’’ [বুখারী, মুসলিম]
আমল : ৩০
২টি পবিত্র হারামে (মক্কা ও মাদীনা) সলাত পড়া :-
‘‘আমার এই মাসজিদে সলাত পড়া অন্য কোথাও ১ হাজার বার সলাত পড়ার চেয়েও উত্তম, শুধুমাত্র মাসজিদুল হারাম ছাড়া এবং মসজিদুল হারাম এ সলাত পড়া অন্য কোথাও একশ হাজার বার সলাত পড়ার চেয়ে উত্তম।’’ [আহমাদ, ইব্ন মাজাহ]
আমল : ৩১
জামা’আতে সলাত পড়া :-
‘‘ জামা’আতে সলাত পড়া একাকী সলাত পড়ার চাইতে ২৭ গুন বেশী মর্যাদার।’’ [বুখারী, মুসলিম]
আমল : ৩২
ইশা এবং ফজর জামা’আতে পড়া :-
‘‘যে ব্যক্তি ইশার সলাত জামা’আতে পড়ল সে যেন অর্ধেক রাত ইবাদাত করল। আর যে ব্যক্তি ফজরের সলাত জামা’আতে পড়ল সে যেন পুরো রাত ইবাদাত করল।’’ [মুসলিম]
আমল : ৩৩
নফল সলাত বাসায় পড়া :-
‘‘ফরজ সলাত ছাড়া মানুষের সলাতের মধ্যে সেই সলাত উৎকৃষ্ট, যা সে ঘরে পড়ে।’’ [বুখারী , মুসলিম]
আমল : ৩৪
জুম’আহ র দিনের ইবাদাত গুলো পালন করা :-
‘‘যে জুমু’আহর দিনে গোসল করে , তারপর প্রথম খুৎবার পূর্বেই উপস্থিত থাকে, পায়ে হেটেঁ আসে, ইমামের কাছে বসে এবং মনোযোগ দিয়ে খুৎবা শুনে ও কোন কথা না বলে -- তাহলে প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে একবছর সলাত পড়া ও রোজা রাখার সমান সওয়াব পাবে।’’ (আহল-আস-সুনান) হজরত আউস ইবনে আউস আস্সাকাফি (রা.) বলেন, আমি রাসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছি, 'যে ব্যক্তি জুমার দিন উত্তমরূপে গোসল করবে, অতঃপর কোনো রকম যানবাহনে না চড়ে হেঁটে আগে আগে মসজিদে যাবে, ইমামের নিকটবর্তী বসবে, চুপ থাকবে এবং অনর্থক কথা বলা থেকে বিরত থাকবে, তবে তার জন্য বাড়ি থেকে মসজিদ পর্যন্ত প্রতি কদমে এক বছরের রোজা ও কিয়ামুল লাইলের সওয়াব লেখা হবে। (আবু দাউদ : ৩৪৫)
আমল : ৩৫
দোহার (ইশরাক) সলাত পড়া :-
‘‘যে ব্যক্তি ফজরের সলাত জামা’আতের সাথে পড়ে, তারপর সূর্য ওঠার আগ পর্যন্ত আল্লাহর যিকর করে, তারপর দু’ রাকাআত সলাত পড়ে, সে যেন হজ্জ এবং ওমরাহর সওয়াব পূর্ণ করল। [রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একথাটি ৩বার জোড়ে জোড়ে পুনরাবৃত্তি করলেন। [আত-তিরমিজি]
আমল : ৩৬
ইলমের জন্য মাসজিদে যাওয়া :-
‘‘যে দুনিয়াবি কোন কারন ছাড়া দ্বীনি ইলম শিখা বা শিখানোর উদ্দেশ্যে মাসজিদে যায়, সে ঐ ব্যক্তির মত যে তার হজ্জ পূর্ণ করেছে।’’ [আত তাবারানী]
আমল : ৩৭
রমজানে ওমরাহ পালন করা :-
‘‘রমজানে ওমরাহ করা আমার সাথে হজ্জ করার সমান।’’ [বুখারী]
আমল : ৩৮
মসজিদে ফরজ সলাত আদায় করা :-
‘‘যে ব্যক্তি নিজের গৃহ থেকে পবিত্রতা অর্জন করে (অজু ও প্রয়োজনে গোসলও করে) আল্লাহর গৃহের মধ্য থেকে কোন একটি গৃহের দিকে যায়, আল্লাহর ফরজের মধ্য থেকে কোন একটি ফরজ আদায় করার উদ্দেশ্যে, তার একটি পদক্ষেপে একটি গুনাহ ক্ষমা করা হয় এবং অন্য পদক্ষেপটি তার একটি মর্যাদা উন্নত করে।’’ [মুসলিম]
আমল : ৩৯
জামা’আতে প্রথম সারিতে দাড়ানোর চেষ্টা করা :-
‘‘রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রথম সারির জন্য ৩ বার এবং দ্বিতীয় সারির জন্য ১ বার ক্ষমা প্রার্থনা করতেন।’’ [আন নাসাঈ, ইবন মাজাহ]
আমল : ৪০
মাদীনার মাসজিদুল কুবায় সলাত পড়া :-
‘‘যে ব্যক্তি ঘর থেকে নিজেকে পবিত্র করে, তারপর মাসজিদুল কু’বায় আসে এবং সলাত পড়ে, সে যেন ওমরাহর সওয়াব পেল।’’ [আন নাসাঈ, ইবন মাজাহ]
আমল : ৪১
আযানের জবাব দেয়া :-
‘‘যখন তোমরা আযান শুনতে পাও তখন মুয়াজ্জিন যা বলে তার পুনরাবৃত্তি করে যাও। যখন আযান শেষ হয় তখন (দোয়া )চাও, তোমাকে দেয়া হবে।’’ [আবু দাউদ, আন নাসাঈ]
আমল : ৪২
রমজানের এবং শাওয়ালের রোজা রাখা :-
‘‘যে ব্যক্তি রমজানের রোজা রাখলো, তারপর শাওয়ালের ৬টি রোজা রাখলো সে যেন এক বছর রোজা রাখলো।’’ [মুসলিম]
আমল : ৪৩
প্রত্যেক মাসে ৩টি রোজা রাখা :-
‘‘প্রত্যেক মাসে ৩টি রোজা রাখা সারা বছর রোজা রাখার সমান।’’ [বুখারী, মুসলিম]
আমল : ৪৪
রোজাদার ব্যক্তিকে ইফতারি করানো :-
‘‘যে ব্যক্তি কোন রোজাদারকে ইফতার করায় সে তার (রোজাদার) সমান প্রতিদান পায়, কিন্তু এর ফলে রোজাদারের প্রতিদানের মধ্যে কোন কমতি হবে না।’’ [তিরমিজি, ইবন মাজাহ]
আমল : ৪৫
লাইলাতুল ক্বদরে ইবাদাত করা :-
‘‘মর্যাদাপূর্ণ এ রাতটি হাজার মাসের চেয়ে উত্তম’’। [ক্বদর, ৯৭:৩]
আমল : ৪৬
জিহাদ :-
‘‘একজন ব্যক্তির আল্লাহর পথে জিহাদের সারিতে দাড়ানো, ৬০ বছর ইবাদাতের চেয়েও উত্তম।’’ [আল-হাকিম]
আমল : ৪৭
রিবাত (রাত জেগে ইবাদাত করা) :-
‘‘একদিন ও একরাত স্বদেশের (মুসলিম দেশের সীমান্ত, যেখানে শত্রুর হামলার আশংখা আছে) সীমান্ত পাহারা দেয়া এক মাস ধরে রোজা রাখা ও রাতে ইবাদাত করার চাইতে বেশী মূল্যবান। এ অবস্থায় যদি সে মারা যায় তাহলে যে কাজ সে করে যাচ্ছিল, মারা যাবার পরও তা তার জন্য জারী থাকবে। তার রিযকও জারী থাকবে এবং কবরের পরীক্ষা থেকেও সে থাকবে সুরক্ষিত। য[মুসলিম]
আমল : ৪৮
যুল হিজ্জা এর প্রথম ১০ দিন বেশী বেশী ইবাদাত করা :-
‘‘এমন কোন দিন নেই যেদিনে কৃত আমল এসব দিন অর্থাৎ যুল হিজ্জা এর প্রথম ১০দিনের নেক আমলের মত আল্লাহর কাছে সর্বাধিক প্রিয়।’’ সাহাবীরা জিজ্ঞেস করলেন, ‘‘ইয়া রসূলুল্লাহ! আল্লাহর পথে জিহাদের মত (নেকী) আমল ও কি নয়?’’ তিনি বললেন: ‘‘না, আল্লাহর পথে জিহাদের মত (নেকী) আমলও নয়। তবে যে ব্যক্তি তাদের জান ও মাল নিয়ে আল্লাহর পথে বের হল এবং এর কোনটা নিয়েই আর ফিরে আসল না সে ছাড়া।’’ [বুখারী]
আমল : ৪৯
কুরআনের সূরা গুলো বার বার তিলাওয়াত করা :-
‘ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ কুরআনের এক তৃতীয়াংশ এবং ‘ক্বুল ইয়া আইযুহাল কাফিরুন’ কুরআনের চার ভাগের এক ভাগ।’’’ [আত তাবারানী]
আমল : ৫০
ইসতিগফার করা :-
‘‘যে ব্যক্তি ঈমানদার নারী পুরুষের জন্য ইসতিগফার করে, আলাহ প্রত্যেকের জন্য ১টি করে নেক আমল লিখে দেন।-রিয়াদুস সালেহিনম: ৫১
মানুষের প্রয়োজন পূরণ করা :-
‘‘ যে ব্যক্তি তার মুসলমান ভাইয়ের প্রয়োজন পূরণ করে, আলাহ তার প্রয়োজন পূর্ণ করে দেন। যে ব্যক্তি তার মুসলমান ভাইয়ের কোন অসুবিধা (বিপদ) দূর করে দেয়, আলাহ এর বিনিময়ে কিয়ামাতের দিন তার কষ্ট ও বিপদের অংশ বিশেষ দূর করে দিবেন।’’
আমল : ৫২
যিকর :-
‘‘সুবহানালা-হি ওয়াল হামদু লিলা-হি, ওয়ালা ইলা-হা ইলালাহ-হু আলাহু আকবার’’ এই কালিমা গুলো বলা, সূর্য যে সমস্ত জিনিসের ওপর উদিত হয়, সেই সমুদয় জিনিসের অপেক্ষা অধিকতর প্রিয়।’ [মুসলিম]
আমল : ৫৩
‘‘আলাহ কি তোমাদের জন্য ইশার সলাত জামা’আতে পড়া হজ্জের সমান এবং ফজরের সলাত জামা’আতে পড়া ওমরাহর সমান করেন নি’’ এবং ‘‘যে ফরজ সলাত জামা’আতে পড়ার জন্য হেঁটে যায়, তা হজ্জের সমান এবং যে নফল সলাত পড়ার জন্য হেঁটে যায়, তার সওয়াব নফল ওমরাহর সমান।’’ (সহীহ আল জামি: ৬৪৩২)
আমল : ৫৪
‘‘যে ব্যক্তি ফজরের সলাত জামা’আতের সাথে পড়ে, তারপর সূর্য ওঠার আগ পর্যন্ত আলাহর যিকর করে, তারপর দু’ রাকাআত সলাত পড়ে, সে যেন হজ্জ এবং ওমরাহর সওয়াব পূর্ণ করল। [রসূলুলাহ সালালাহু আলাইহি ওয়া সালাম একথাটি ৩বার জোড়ে জোড়ে পুনরাবৃত্তি করলেন।] [আত-তিরমিজি ‘‘সাহাবীরা বললেন, ‘‘ ইয়া রসূলুলাহ! ধনীরা তো আখিরাতে বেশী পুরস্কার পাবে, তারা হজ্জ আদায় করে, আমরা পারিনা, তারা জিহাদ করে এবং আমরা পারিনা। মুহাম্মাদ (সালালাহু আলাইহি ওয়া সালাম) বললেন, ‘‘আমি কি তোমাদের এ রকম কিছুর কথা বলব না, যদি তোমরা এটি শক্ত করে ধরে রাখ, তাহলে তোমরা তাদেও মত সওয়াব অর্জন করতে পারবে। তাহল প্রত্যেক সলাতের পর আলাহু আকবার ৩৪ বার, সুবহান আলাহ ৩৩ বার এবং আলহামদুলিলাহ ৩৩ বার বলা।’’
আমল : ৫৫
‘‘যখন কেউ তার ভাইয়ের জন্য দো’আ করে, তখন ফিরিশতারা বলেন,‘ আমিন, তোমার জন্যও তা।’’ [সাহীহ আল জামি: ২১৪৩] হে আল্লাহ! অবশ্যই আমি তোমার নিকট কঠিন দুরবস্থা (অল্প ধনে জনের আধিক্য), দুর্ভাগ্যের নাগাল, মন্দ ভাগ্য এবং দুশমন-হাসি থেকে রক্ষা কামনা করছি। (মুসলিম)
আমল : ৫৬
অন্য হাদিসে ইরশাদ হচ্ছে, 'হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, দুটি বাক্য এমন রয়েছে, যা বলা সহজ, আমলের পাল্লায় অনেক ভারী, আর আল্লাহর কাছেও অধিক পছন্দনীয়। সেটি হলো, 'সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আজিম।' (বুখারি : ৬৪০৬)
আমল : ৫৭
সদকায়ে জারিয়াহ :-
রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, 'যখন মানুষ মারা যায়, তখন তার আমল বন্ধ হয়ে যায়; কিন্তু তিনটি জিনিস বন্ধ হয় না- সদকায়ে জারিয়াহ, ওই ইলম, যা দ্বারা মানুষ উপকৃত হয়; সুসন্তান, যে তার মৃত বাবার জন্য দোয়া করে। (তিরমিজি : ১৩৭৬)
আমল : ৫৮
সুরা ইখলাছের ফজিলত :-
রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, 'তোমরা কি কেউ প্রতি রাতে কোরআন শরিফের এক-তৃতীয়াংশ তিলাওয়াত করতে অক্ষম? তাহলে সে প্রতি রাতে সুরা ইখলাছ পড়বে। তাহলে কোরআনের এক-তৃতীয়াংশ তিলাওয়াতের সওয়াব পাওয়া যাবে।' (মুসনাদে আহমদ : ২৩৫৫৪)
আমল : ৫৯
গোপনে নফল পড়ার ফজিলত :-
রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, 'জনসম্মুখের তুলনায় লুকিয়ে নফল নামাজ পড়ার মধ্যে ২৫ গুণ বেশি সওয়াব।
আমল : ৬০
মানুষের উপকার করার ফজিলত :-
রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, 'কোনো মুসলিম ভাইয়ের প্রয়োজনে কিছুক্ষণ সময় দেওয়া আমার কাছে এক মাস মসজিদে ইতেকাফ করার চেয়েও বেশি পছন্দনীয়।' (আল মু'জামুল কাবির : ১৩৬৪৬)
আমল : ৬১
আমলের নিয়তেও সওয়াব মেলে :-
রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, 'যদি কোনো ব্যক্তি রাতে শয়নকালে এই নিয়ত করে যে সে রাতে উঠে নামাজ পড়বে; কিন্তু প্রচণ্ড ঘুমের কারণে সকাল হয়ে যায়, তাহলে সে তার নিয়ত অনুযায়ী নামাজের সওয়াব পাবে। আর ঘুমটা আল্লাহর পক্ষ থেকে তার জন্য সদকাস্বরূপ হবে। (নাসায়ি : ১৭৮৭)
আমল : ৬২
রোগী দেখার ফজিলত :-
রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, 'যে ব্যক্তি কোনো মুসলমান ভাইয়ের রোগের খোঁজখবর নেয়, আল্লাহ সত্তর হাজার ফেরেশতাকে তার মাগফিরাতের দোয়ায় নিযুক্ত করে দেন। সে দিনের যে সময়ই তা করবে, ফেরেশতারা সন্ধ্যা পর্যন্ত তার জন্য দোয়া করবে। আর রাতের যে সময়ই করবে, ফেরেশতারা ফজর পর্যন্ত তার জন্য দোয়া করবে।' (মুসনাদে আহমদ : ৯৫৫)
আমল : ৬৩
বিশুদ্ধ নিয়ত :-
নিয়ত অর্থ সংকল্প। এটি মনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি আমল। প্রত্যেক কাজ, তা দ্বীনী কাজ হোক কিংবা দুনিয়াবী, শুরুতেই নিয়তকে শুদ্ধ করা কর্তব্য। সব কাজ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করার সংকল্পই হচ্ছে বিশুদ্ধ নিয়ত। এই নিয়ত মুমিন বান্দার ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় পর্যায় পর্যন্ত প্রায় সকল কাজকেই নেকির কাজে পরিণত করতে পারে। হাদিসে আছে, হজরত উমর ইবনে খাত্তাব (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী করিম (সা.) কে বলতে শুনেছি, নিশ্চয়ই সব আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। আর প্রত্যেক ব্যক্তি তাই পাবে যার নিয়ত সে করবে। অতএব যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তার রাসূলের উদ্দেশ্যে হিজরত করবে তার হিজরত আল্লাহ ও তার রাসূলের জন্যই হবে। আর যে দুনিয়া লাভের জন্য কিংবা কোনো নারীকে বিয়ের উদ্দেশ্যে হিজরত করবে তার হিজরত উক্ত বিষয়ের জন্যই হবে, যার জন্য সে হিজরত করেছিল। -সহিহ বোখারি, হাদিস- ১; সহিহ মুসলিম হাদিস- ১৯০৭
আমল : ৬৪
আবু যর রা: থেকে রেওয়ায়েত করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ)বলেছেনঃ-
তিন ব্যাক্তির সাথে রোজ কিয়ামতে আল্লাহ পাক কথা বলবেন না । তাদের দিকে দৃষ্টিপাত করবেন না। তাদের কে পবিত্র করবেন না । আর তদের জন্য রয়েছে ভীষন আযাব। রেওয়ায়েতকারী বলেন তিনি এ আয়াতটি তিনবার পড়লেন । আবু যর রা: বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ (সঃ), তারা কারা? তিনি বললেন, তারা হল: যে ব্যাক্তি টাখনুর নিচে কাপড় ঝুলিয়ে পড়ে , যে ব্যাক্তি দান করে খোটা দেয় এবং যে ব্যাক্তি মিথ্যা শপথ করে মাল বিক্রি করে। (মুসলিম-ঈমান পর্ব:১৯৫)
আমল : ৬৫
হজরত নবী করিম (সা.) বলেছেন, কোনো সৎ কাজকেই কখনো তুচ্ছ জ্ঞান করবে না। যদিও তা হয় তোমার ভাইয়ের সঙ্গে হাসিমুখে সাক্ষাত। -সহিহ মুসলিম কারণ এই ধরনের সহজ আমলের মধ্যেও অনেক সময় নিহিত থাকে অনেক প্রাপ্তি ও পুরষ্কার। হাদিস শরিফে এমন অনেক আমলের বর্ণনা পাওয়া যায়, যা করতে সহজ, কিন্তু এর বিশাল প্রাপ্তি ও পুরষ্কারের কথা নবী করিম (সা.) ঘোষণা করেছেন।
আমল : ৬৬
আন-নওয়াস বিন সাম’আন রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “উত্তম চরিত্র হচ্ছে নেকী, আর গোনাহ্ তাকে বলে যা তোমার মনকে সংশয়ের মধ্যে ফেলে এবং তা লোকে জানুক তা তুমি অপছন্দ কর।”[মুসলিম: ২৫৫৩]
আমল : ৬৭
আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন :-
আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জুমু‘আর দিন জানাবাত গোসলের ন্যায় গোসল করে এবং সালাতের জন্য আগমন করে সে যেন একটি উট কুরবানী করল। যে ব্যক্তি দ্বিতীয় পর্যায়ে আগমন করে সে যেন একটি গাভী কুরবানী করল। তৃতীয় পর্যায়ে যে আগমন করে সে যেন একটি শিং বিশিষ্ট দুম্বা কুরবানী করল। চতুর্থ পর্যায়ে যে আগমন করল সে যেন একটি মুরগী কুরবানী করল। পঞ্চম পর্যায়ে যে আগমন করল সে যেন একটি ডিম কুরবানী করল। পরে ইমাম যখন খুত্বা দেয়ার জন্য বের হন তখন মালাইকা (ফেরেশতাগণ) যিক্র শ্রবণের জন্য উপস্থিত হয়ে থাকে। সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৮৮১
আমল : ৬৮
রাসূল (সা:) বলেন.... "অন্ধকারের মধ্যে যাহারা মসজিদে বেশী বেশী যাতায়ত করে, কেয়ামতের দিনের জন্য তাহাদেরকে পূর্ণ নূরের সুসংবাদ শুনাও।" —(আল হাদীস
আমল : ৬৯
হযরত আবু হুরইরহ রদিয়াল্লহু আ’নহু
( ﺃﺑﻰْ ﻫﺮﻳْﺮﺓ ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨْﻪ )
হইতে বর্ণিত আছে যে, রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করিয়াছেন, (যখন) কোন বান্দা অন্তরের এখলাসের সহিত, লা ইলাহা ইল্লাল্লহ বলে, তখন এই কালেমার জন্য নিশ্চিতরূপে আসমানের দরজাসমূহ খুলিয়া দেওয়া হয়। এমনকি এই কালেমা সোজা আরশ পর্যন্ত পৌঁছিয়া যায়। অর্থাৎ সাথে সাথেই কবুল হইয়া যায়। তবে শর্ত হইল, যদি এই কালেমা পাঠকারী কবীরা গুনাহ হইতে বাঁচিয়া থাকে। (তিরমিযী)
আমল : ৭০
ভালো কাজ মন্দ কাজকে মুছে দেয় :-
আবূ যার জুনদুব বিন জুনাদাহ্ এবং আবূ আব্দুর রহমান মু’আয বিন জাবাল রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা হতে বর্ণিত আছে, তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তুমি যেখানে যে অবস্থায় থাক না কেন আল্লাহকে ভয় কর এবং প্রত্যেক মন্দ কাজের পর ভাল কাজ কর, যা তাকে মুছে দেবে; আর মানুষের সঙ্গে ভাল ব্যবহার কর।” [তিরমিযী: ১৯৮৭, এবং (তিরমিযী) বলেছেন যে, এটা হচ্ছে হাসান হাদীস। কোন কোন সংকলনে এটাকে সহীহ্ (হাসান) বলা হয়েছে।]
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
► রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি মানুষকে হিদায়াতের দিকে ডাকে তার জন্য ঠিক ঐ পরিমাণ সাওয়াব রয়েছে, যে পরিমাণ পাবে তাকে অনুসরণকারীরা।” [সহীহ মুসলিম/২৬৭৪,৬৮০৪]
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
আমাদের গুরুপ:-
@সদাকায়ে জারিয়া!
বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারেন♥️
♥️♥️♥️--ধন্যবাদ--♥️♥️♥️

Monday, November 21, 2022

 

নাস্তিক প্রফেসর ক্লাসে ঢুকেই তার ছাত্রদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন, "পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব কি সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেছেন?"
একজন ছাত্র বেশ আত্নবিশ্বাসের সাথেই উত্তর দিলো, জ্বী স্যার। সবকিছুই সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেছেন।
"তাই নাকি! ছাত্র টির উত্তর শুনে মুচকি হাসেন প্রফেসর। সৃষ্টিকর্তা সত্যিই সবকিছু তৈরি করেছেন? তুমি ভেবে  বলছো?"
ছাত্র টি আগের মত আত্নবিশ্বাসের সাথে হ্যা বোধক উত্তর
দিতেই প্রফেসর আবারও প্রশ্ন করেন,
"সৃষ্টিকর্তাই যদি সবকিছু তৈরি করে থাকেন তাহলে উনি তো খারাপ কেও সৃষ্টি করেছেন। তোমার উত্তর অনুযায়ী যেহেতু খারাপের অস্তিত্ব আছে এবং
আমরা কি সেটা আমাদের কাজের উপর নির্ভর করেই নির্ধারণ হয়, সেই যুক্তি অনুযায়ী তাহলে সৃষ্টিকর্তা নিজেই খারাপ। কারন আমাদের ভাল-মন্দ সব গুণ
উনি তৈরি করেছেন ।"
প্রফেসরের এমন কথা শুনে সব ছাত্র চুপ হয়ে গেলো । কেউ
কিছু বলছেনা। ছাত্রদের চুপ হয়ে যাওয়া দেখে প্রফেসর নিজের উপর বেশ সন্তুষ্ট হলেন। কিছুক্ষণ পর আরেকজন ছাত্র উঠে দাড়ালো। প্রফেসর আমুদে ভঙ্গীতে জিজ্ঞাসা করেন, কিছু বলতে চাও? ছাত্র টি হাসি মুখে প্রফেসরের কাছে জানতে চায়, "আপনাকে একটা প্রশ্ন করতে পারি স্যার?"
অবশ্যই করতে পারো। প্রফেসর অনুমতি দিতেই ছাত্র টি জিজ্ঞাসা করে- "স্যার, ঠান্ডা বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব আছে কি?"
প্রশ্ন শুনে প্রফেসরের চেহারায় বিরক্তি ফুটে ওঠে। "কি গাধার মত প্রশ্ন করো! ঠান্ডার অস্তিত্ব থাকবেনা কেন?
অবশ্যই ঠান্ডার অস্তিত্ব আছে। তোমার
কি কখনো ঠান্ডা লাগেনি?"
এবার ছাত্র টি মুচকি হেসে উত্তর দেয়, সত্যি বলতে কি স্যার, ঠান্ডার কোনো অস্তিত্ব নেই। আমরা যেটাকে ঠান্ডা
বলি, পদার্থ বিজ্ঞানের ভাষায় সেটা আসলে তাপের অনুপস্থিতি।
আমরা এই "ঠান্ডা' শব্দ টিকে জাস্ট কম তাপ কিংবা তাপের অনুপস্থিতি কে ব্যাখ্যা করার জন্য ব্যবহার করি।
কিছুক্ষণ
পর ছাত্র টি আবারো প্রশ্ন করে, "স্যার অন্ধকার বলে কিছু কি পৃথিবীতে আছে?" প্রফেসর উত্তর দেন, কেন থাকবেনা! অবশ্যই অন্ধকারের অস্তিত্ব আছে।
ছাত্র টি সহাস্যে উত্তর দেয়, আপনার ধারণা ভুল স্যার। অন্ধকার বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। আমরা আলো কে নিয়ে রিসার্চ করতে পারি, আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ মাপতে পারি, আলোর গতি বের করতে পারি। কিন্তু অন্ধকারের অস্তিত্ব নেই বলেই আমরা অন্ধকার নিয়ে কোনো কিছুই করতে পারিনা। সামান্য একটা আলোক রশ্নি অন্ধকার দূর করতে যথেষ্ঠ, কিন্তু অন্ধকার কখনো আলো কে গ্রাস করতে  পারেনা। কারন অন্ধকার বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই, অন্ধকার হচ্ছে আলোর অনুপস্থিতি। ছাত্র টি আবারও প্রশ্ন করে বসে। "স্যার, এবার বলেন
খারাপের কি অস্তিত্ব আছে?"
প্রফেসর বেশ ক্রুদ্ধস্বরে উত্তর দেন, অবশ্যই আছে। প্রতিদিন কত মানুষ খুন হচ্ছে, অন্যায় হচ্ছে, এগুলো খারাপ না?"
ছাত্র টি বেশ জোরের সাথে উত্তর দেয়, "না স্যার।                                  খারাপের কোনো অস্তিত্ব নেই, এটা হচ্ছে ভালোর অনুপস্থিতি।                          এটা সেই ঠান্ডা এবং অন্ধকারের মতই,
মানুষের অন্তরে সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভালবাসার অনুপস্থিতিই এই খারাপ বা মন্দের অবস্থা তৈরি করে।"
কোনো একটা জিনিস বিজ্ঞান নিজ সীমাবদ্ধতার কারণে খুঁজে পাচ্ছে না বলে সেটা নাই অন্ধভাবে এটা বলাও বিজ্ঞান সমর্থন করে না।  ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দ এর আগে অক্সিজেন আবিষ্কার হয় নি তাই বলে কি বাতাসে , পানিতে দুনিয়াতে অক্সিজেন ছিল না ?? একই ভাবে বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর বাইরে এলিয়েন খুঁজে বেড়াচ্ছেন কিন্তু জ্বীন ভুত এর কথা বললেন অনেকের নানা সমালোচনা শুরু হয়ে যায়।
স্রষ্টাকে খুঁজে বের করতে না পারা বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা , স্রষ্টার না।

Tuesday, November 15, 2022

 1.   জনাব আমিনুল ইসলাম মজনু ভাই

2.    জনাব মমিনুল ইসলাম কাজী

3. জনাব শেখ মোহাম্মদ আবুল বাসার

4.  জনাব শামছুল আলম

5. সিরাজুল ইসলাম খান

6. সিদ্দিকুর রহমান খান

7.. হায়দার আলী

8. ওবায়দুর রহমান

9. কান্তা , কান্তার মা বোরহান ভাই

1০. হারুন ভাই

 


Saturday, November 5, 2022

 

শিক্ষনীয় পোস্ট চাইলে পড়তে পারেনঃ-
একজন বিজ্ঞ আলেম ছিলেন। যার অনেক ছাত্র ছিল। যখনই তার কাছে নতুন কোন শিষ্য আসতো তিনি তখন তার পরীক্ষা নিতেন।
তিনি কিছু পাখি পালতেন। আর পাখিগুলোকে তিনি একটি কথা শিক্ষা দিয়েছিলেন, কথাটি হল; "শিকারি আয়েগা, দানা ডালেগা, জাল বিছায়েগা, ফাসনা নেহি"। অর্থাৎ "শিকারি আসবে, খাবার দিবে, জাল পাতবে, ফেঁসে যেও না।"
যখনই নতুন কোন ছাত্র আসতো তখনই তিনি তাকে কিছু দানা আর একটি জাল দিয়ে বলতেন, "যাও ঐ গাছের নিচ থেকে কিছু পাখি ধরে নিয়ে আসো।"
পাখিগুলো মানুষ দেখামাত্রই এই বলে গান গাইতে শুরু করতো যে, "শিকারি আয়েগা, দানা ডালেগা, জাল বিছায়েগা, ফাসনা নেহি"। তখন বেশিরভাগ ছাত্রই ফিরে আসতো এই ভেবে যে, এত চালাক পাখি ধরা যাবে না!
কিন্ত যদি কোন ছাত্র জাল পাততো আর দানা দিতো তবে দেখতো যে, পাখিগুলো মুখে ঐ কথা বলছে ঠিকই কিন্ত দানা খেতে আসছে আর জালে ফেঁসে যাচ্ছে। অর্থাৎ তাদের মুখের কথা তাদের কোন কাজেই আসছে না।
এই পাখিগুলো আসলে কি বলছে তারা সেটা নিজেরাই জানে না। পাখিগুলো জানে না- 'শিকারি' কি জিনিস! 'জাল' কি জিনিস! 'ফাসনা' কি জিনিস! তাই তারা মুখে যতই গান গাওক না কেন, তাও জালে ফেঁসে মৃত্যু ডেকে আনছে।
★ আজকের জামানায় আমাদের অবস্থাও ঠিক যেন পাখিদের মতই হয়ে গেছে। আমরা মুখে 'লা~ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলে সাক্ষ্য দিচ্ছি, কিন্তু আমরা এর মর্ম জানি না। প্রত্যেক সালাতে সূরা ফাতিহা পড়ি কিন্তু আমরা বুঝি না এর ভিতর আল্লাহ কি বলতে চেয়েছেন।
একই সাথে আমরা সুদ-ঘুষ, পরনিন্দা, অহংকার, যিনা, গীবত, অশ্লীলতা, পর্দাহীনতা, ও অসংখ্য হারাম কাজ করছি আর কথা বলা পাখির মতই আবার কালেমা বলছি আর নিজেকে মুসলমান হিসেবে দাবীও করছি! কাজেই আমাদের এই সাক্ষ্যদান কথা বলা পাখির মতন। আমরা মুখে কালেমা জপার পরেও শিকারির জালে ফেঁসে যাচ্ছি।
আল্লাহ তাআলা আমাদের যথাযথভাবে অনুবাধন করার তৌফিক দান করুন <>আমীন<>

Wednesday, November 2, 2022

 

'আই লাভ ইউ।' ম্যাসেজটা দিয়েই স্যারকে ব্লক করে দিলাম। দুবোন হাসতে হাসতে কুটিকুটি হয়ে যাচ্ছি। আম্মু পাশের রুম থেকে চেচামেচি এত জোরে হাসির শব্দ শুনে। কোনো মতে হাসির বিরতি টেনে দুইবোন গবেষণা করতে লাগলাম ম্যাসেজটা দেখার পর স্যারের রিঅ্যাকশনটা কী হতে পারে।
এরকম ফাজলামো এই প্রথমবার না। বাড়ির বড় মেয়েদের নাকি হতে হয় শান্ত, ভদ্র, ধৈর্যশীল। কিন্তু আমার মতো অশান্ত, চঞ্চল, উশৃংখল মেয়ে আমাদের পাড়াতে আর একটিও নেই। চলাফেরা যেমন ছেলেদের ধাঁচের তেমনি বাঁদরামিতে সেরা। পাড়া রেকর্ড তো হয়েই গেছে, আর কিছুদিন পর বিশ্ব রেকর্ড হবে।
আমি নয়না। মায়ের কাছে আমি মানে একটা যন্ত্রণা। আর পাড়ার ছেলেদের কাছে ইঁচড়েপাকা। আর পাড়ার আন্টিদের কাছে 'কি বাঁদর মেয়েরা বাবা'! একেকজনের কাছ থেকে একেক খেতাব প্রাপ্ত হয়েছি। তবে এই খেতাবগুলো অর্জন করতে কম কষ্ট করতে হয়নি আমাকে।
এইতো গত পরশুর ঘটনা, স্কুল থেকে ফেরার সময় নতুন একটা চেহারা দেখলাম। ছেলেটা বেশ সুন্দর। দোকান থেকে কিছু একটা কিনছে। আমিও দোকানে গিয়ে ছেলেটাকে পাত্তা না দিয়ে কয়েকটি চিপস, চকলেটসহ আরো কিছু নিলাম। দোকানী টাকা চাওয়ার ভঙ্গিতে আমার দিকে তাকালে আমি ছেলেটাকে দেখিয়ে দিয়ে 'এই ভাইয়া টাকা দিবে' বলেই ভোঁদৌড়। দূরে গিয়ে পেছনে তাকাতেই দেখি বেচারা ভ্যাঁবলাকান্তের মতো এখনো আমার পথপানে চেয়ে আছে। এরকম ঘটনা পাড়ার ভাইয়াদের সাথে অহরহই ঘটে। এজন্য তারা আমার থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে চলে। আসলে তারা আমাকে ভয় পায়। আমি যেমন সবার আতঙ্ক, সবার ক্ষতিকারক, তেমনি পরোপকারীও বটে। সবাই আমাকে এড়িয়ে যেমন চলে, আবার ভালোও তেমন বাসে।
এই যেমন, আরেকদিন শুনলাম ফার্স্ট ইয়ারের( কলেজ আর আমাদের স্কুল পাশাপাশি) নীলা আপু আর আদিব ভাইয়ার প্রেমটা ঝুলে আছে, হবে হবে বলেও হচ্ছে না। দুজন দুজনকে পছন্দ করে অথচ কেউ কাউকে বলার সাহস পাচ্ছে না। নিলাম ঝুঁকি। আদিব ভাইয়ার নাম করে সুন্দর করে একটা প্রেমপত্র লিখে নীলা আপুর বইয়ের ভাঁজে রেখে চলে এলাম। যেহেতু মনের কথা ছেলেদেরই আগে বলতে হয় তাই আপু'কেই চিঠিখানা দিলাম। এরপর আপু চিঠিটা দেখবে, পড়বে, প্রত্যুত্তর লিখবে এভাবেই, ব্যস। শুনেছি তাদের প্রেমটা এখন মাখোমাখো।
এভাবে ক্লাসে কতজনের জোড়া লাগিয়ে দিয়েছি! আবার ব্রেকাপও করিয়ে দেওয়ার সংখ্যাও নেহাৎ কম নয়!
আমার একটা বিশেষত্বের কথা না বললেই নয়। বাচ্চাদের মতো করে কথা বলা, কারো ভাবভঙ্গি আর গলার স্বর নকল করাতে বেশ পটু আমি। আমার চাচাতো বোন ইরা আপুর বয়ফ্রেন্ডের সাথে কতই না কথা বলেছি আপুর স্বর নকল করে! গাধাটা টেরই পায়নি। আপুকে কতবার যে লজ্জায় ফেলে দিয়েছি গিফট চেয়ে, তার হিসেব অগণিত। এরপর বাসায় এসে ইচ্ছেমতো আপুর ধোলাই খাওয়া।
.
ছেলেরা মেয়েদের ইভটিজিং করে, অথচ আমিই কিনা সেই ছেলেদেরকে এডাম টিজিংয়ের শিকার বানিয়েছি। স্কুলে যাওয়া আসার পথে কলেজের ভাইয়াদের দেখে শিটি মেরেছি। কখনো আবার মাঝ রাস্তায় বান্ধবীদের নিয়ে গোল হয়ে দাঁড়িয়ে প্রপোজও করেছি। ফুচকা বা ঝালমুড়ি খাওয়ার সময় ছেলেদের পাশ দিয়ে যেতে দেখলেই হাত দিয়ে মুখে বাতাস নেয়ার ভঙ্গিতে বলেছি, 'উফ ঝাল, উফ ঝাল'। এভাবেই তাদের কাছে আমি ইঁচড়েপাকা হয়েছি।
আমি স্কুলের বাহিরে যেমন গুন্ডী, স্কুলের ভেততেও তাই। আমার দুহাত যে কত ছেলের গাল ছুঁয়েছে তার হিসেব নেই। মানে, আমার হাতের থাপ্পড় খায়নি এমন কেউ নেই বললেই চলে।
আমাদের মিজান স্যার, আমরা তাকে ব্ল্যাক ডায়মন্ড বলে ডাকি। নামটা অবশ্য আমারই দেয়া। আমাকে দেখলেই তার কুচকুচে কালো মুখটা আরো কুচকুচে করে ফেলেন। ক্লাসে তাকে হাজারটা প্রশ্ন করে বিব্রত করি। আর যেদিন আমি ক্লাসে না থাকি সেদিন নাকি তিনি বড় বাঁচা বেঁচে যান।
কাউকে শুধু শুধু বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে ভীষণ ভালো লাগে আমার। যাহোক এবার আন্টিদের কথা বলি। যারাই পাড়াতে নতুন এসেছে তাদেরকেই নাজেহাল করেছি। কখনো নিজেকে তাদের ছেলের গার্লফ্রেন্ড হিসেবে পরিচয় দেয়া, কখনো বা বউ হিসেবে, হনহন করে ভেতরে ঢুকে গিয়ে আন্টির পা ধরে সালাম করে বসে গল্প করা, চা বানিয়ে খাওয়া, বৈয়ামের সব আঁচার খেয়ে ফেলা। একজন মানুষকে বিরক্তির চরম পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে চলে আসার সময় বলে আসেছি, 'আন্টি আপনার ছেলেকে আমি চিনিই না'।
আমি তো শুধুমাত্র আমার উপস্থিতি জানান দিতে এসেছি এই যে, আপনার পাড়ায় একজন ইঁচড়েপাকার বসবাস।
.
এদিকে আমার এসএসসি টেস্ট পরীক্ষার সময়ও ঘনিয়ে এলো। বাবার আহ্লাদে যেমন এতটা ত্যাঁদড় হয়েছি তেমনি বাবার আদেশেই সামান্য পড়াশোনায় মনোযোগী হলাম। একজন টিউটরও রাখা হলো আমার জন্য। আমার স্যার হলেন জাহাঙ্গীরনগরের একজন সিনিয়র স্টুডেন্ট। বাবার কড়া আদেশ, পড়াশোনায় ফাঁকিবাজ তার বাঁদর মেয়েটাকে ভালো করে টাইট দিতে হবে যেন 'এপ্লাস' মিস না হয়। বেশ কয়েকদিনে স্যারের কড়া নজরদারিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠলাম। শারিরীক অত্যাচার না করলেও মানসিক অত্যাচারে আমাকে ভাঁজা ভাঁজা করে ফেলেছেন। অসহ্য হয়ে বাবাকে বললাম, টিউটর পছন্দ হয়নি, চেঞ্জ করতে হবে। বাবা বুঝে নিলেন স্যারের সাথে আমার বাঁদরামি গুলো পেরে উঠছে না। সুবিধা করতে পারছিনা বলেই একথা বলছি। বাবা বেশ খুশি হয়ে তার বেতন বাড়িয়ে দিলেন। আমার ভয়ে পাড়ার সবাই আৎকে থাকে। আর সেই আমাকে এইভাবে; নাহ আর নিতে পারছিনা। ভাবলাম কোনমতে পরীক্ষাটা দিই। তারপর বোঝাব মজা। আমাকে যতটা না জ্বালিয়েছে তারচেয়ে দ্বিগুণ জ্বালাবো।
.
পরীক্ষাটা শেষ হলো। এইবার আমাকে ঠ্যাকায় কে? 'আই লাভ ইউ' লিখে ব্লক করে দেয়ার পর ভাবলাম ব্লক'ই যদি করি তবে স্যারকে জব্দ করবো কীভাবে? তাছাড়া স্যার জানেও না আইডিটা আমার। আনব্লক করে কথা বলতে বলতে বেশ জমে উঠেছে খেলাটা। এত কঠিন স্যারও আমার ফাঁদে পা দিয়ে ফেলেছেন ভেবে বিজয়ীর হাসি হাসছি। যখনই মনে হলো প্রেমটা বোধহয় হয়েই গেলো স্যার প্রপোজ করলেই তার বোকামীটা প্রকাশ করবো। কিন্তু সেখানেই ঘটলো অঘটন।
স্যার ম্যাসেজ দিলেন, 'কী ভেবেছ নয়না, আমি তোমাকে চিনতে পারবো না? কতবড় বেয়াদব মেয়ে তুমি, স্যারকে মুরগী বানাতে আসো! তোমার পাড়ার ছেলেদের মতো আমার সাথেও পেরে উঠবে ভেবেছ?'
ম্যাসেজটা দেখার পর আমি যেন বরফে পরিণত হয়েছি। সাথে সাথে আবার ব্লক করে দিলাম তাকে। স্যার যদি বাবাকে বলে দেয় তবে কী হবে? ভাবলাম এ যাত্রায় বেঁচে গেলে আর দুষ্টুমি করবো না। নাহ, বাবার দিক থেকে আর কোনো সাজাপ্রাপ্ত হলাম না।
বেশ কিছুদিন পর শুনলাম পাড়ায় এক নতুন ভাড়াটে এসেছে। ভাবলাম আমার পরিচয়টা দিয়ে আসি। অনেকদিন হলো কোনো আন্টির পেছনে লাগি না। এদিকে স্যারের ঘটনার জন্য তওবা করেছিলাম সেটা ভুলেই গেছি। গেলাম তাদের বাসায়। কলিং বেল চাপতেই খুব সুন্দর একজন অভিজাত নারী দরজা খুলে দিলেন। মহিলাকে দেখেই খুব পছন্দ হলো আমার। তার সতর্ক দুই চোখ আমার আপাদমস্তক পর্যবেক্ষণ করছে। দেখেই বোঝা যাচ্ছে তিনি খুব স্মার্ট। আমিও টের পেয়ে সতর্ক হয়ে উঠেছি। খুব মেপেঝেপে কথা বলতে হবে মনে হচ্ছে।
বললাম, 'বাইরেই দাঁড় করিয়ে রাখবেন আন্টি? ভেতরে ঢুকতে দিবেন না?'
খুব শান্ত ভঙ্গিতে বললেন, হ্যাঁ এসো, এসো। ভেতরে এসো।'
বললাম, 'বরণ না করলে কীভাবে যাব? আমি আপনার ছেলের বউ।'
'ও হ্যাঁ, বলো কিভাবে বরণ করলে তুমি খুশি হবে?'
তার আচরণে আমি বেশ অবাক। বললাম, 'কিছু ধান আর ঘাস দিয়ে বরণ করতে হয়, এটাও জানেন না?'
আমার কথামতো তিনি আমাকে বরণ করে ভেতরে নিয়ে এলেন। তিনি আমাকে বসিয়ে রেখে চা করতে গেলেন। মনে হচ্ছে ইচ্ছে করে বাঘের খাঁচায় পা দিয়ে ফেলেছি। মনে মনে আরো সতর্ক হলাম। এবার যা বলার আমাকেই শুধু বলতে হবে তাকে কিছু বলার সুযোগই দেয়া যাবে না। উনি এসেই বললেন, 'আমার ছেলে বলেছে তোমার কথা, তুমি আসবে।'
বললাম, 'মানে?'
'বারেহ একথার মানে বুঝতে পারছ না? তাহলে সংসার করবে কী করে?'
এবার আমার ভেতরে ভয় ঢুকিয়ে দিচ্ছেন এই মহিলা। বললাম, 'আজ তাহলে যাই আন্টি, আরেকদিন আসবো। '
'ওমা যাবে কেন? এটাই তো তোমার আপন ঠিকানা। চলে গেলে হবে?'
'আম্মু আব্বুকে বলে আসিনি তো আন্টি! তাদেরকে বলে বিদায় নিয়ে একেবারে চলে আসবো।'
'আচ্ছা চলে যাবে যখন একটু বসো কথা বলি একটা।'
আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করছি নিজের চেহারার ভয়টা বুঝতে না দেয়ার। বললাম, 'আচ্ছা বলুন।'
উনি আমার কানের কাছে এগিয়ে এসে বললেন, 'আমার কোনো ছেলে নেই। একটিমাত্র মেয়ের মা আমি।'
ভেতরে ভয় বিস্ময় চেপে রেখে কোনরকমে বললাম, 'সরি আন্টি। ভুল বাড়িতে চলে এসেছি তাহলে। আমি যাই।'
বাইরে থেকে এক পুরুষ কণ্ঠ 'মা' বলে ডাকল। আমি ফিরে আসার জন্য সামনে পা বাড়াতেই দেখলাম বাঘ। আমার দিকে থাবা হেনেছে। আমার শরীর স্থির হয়ে গেলো, যেন একটা বরফ কুন্ডে পরিনত হচ্ছি। আমার সেই স্যার। সে এখানে কেন? এটা তবে স্যারের বাসা? যদি তাই হবে তাহলে আন্টিই না কেন মিথ্যে বললেন? নাকি আমাকে ভয় দেখানোর জন্য, দ্বিধায় ফেলার জন্য? পা যেন আটকে গেছে। মাথাটাও ঘুরছে। পড়ে যাবো মনে হচ্ছে। এতগুলো প্রশ্ন মাথায় জট পাকিয়ে ফেলছে। নাহ, আর প্রেশার নিতে পারছি না।
(সমাপ্ত)
রম্যগল্পঃ ইঁচড়েপাকা (collected)