Monday, June 10, 2013

মদীনা সনদের মূল বিষয়বস্তু ছিল ...



মদীনা সনদের মূল বিষয়বস্তু ছিল ...
. সনদপত্রে স্বাক্ষরকারী সম্প্রদায়সমূহ ইসলামী রাষ্ট্রের অধীনে একটি সাধারণ জাতি গঠন করবে।
.হযরত মুহাম্মদ(.) ইসলামী রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান থাকবেন।
. কোন সম্প্রদায় গোপনে কুরাইশদের সাথে কোন প্রকার সন্ধি করতে পারবে না  কিংবা মদীনা বা মদীনাবাসীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে কুরাইশদের কোনরুপ সাহায্য-সহযোগীতা করতে পারবে না।
. মুসলিম, খ্রীস্টান, ইহুদী, পৌত্তলিক অন্যান্য সম্প্রদায় ধর্মীয় ব্যাপারে পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করবে। কেউ কারো ধর্মীয় কাজে কোন রকম হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।
. মদিনার উপর যে কোন বহিরাক্রমণ কে রাষ্ট্রের জন্য বিপদ বলে গণ্য করতে হবে। এবং সেই আক্রমণ কে প্রতিরোধ করার জন্য সকল সম্প্রদায়কে এক জোট হয়ে অগ্রসর হতে হবে।
. রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের অধিকার নিরাপত্তা রক্ষার ব্যবস্থা থাকবে।
. অসহায় দূর্বলকে সর্বাবস্থায় সাহায্য রক্ষা করতে হবে।
. সকল প্রকার রক্তক্ষয়, হত্যা বলাকার নিষিদ্ধ করতে হবে এবং মদীনাকে পবিত্র নগরী বলে ঘোষণা করা হবে।
. কোন লোক ব্যক্তিগত অপরাধ করলে তা ব্যক্তিগত অপরাধ হিসেবেই বিচার করা হবে। তজ্জন্য অপরাধীর সম্প্রদায় কে দায়ী করা যাবে না।
১০. মুসলমান, ইহুদী অন্যান্য সম্প্রদায়ের লোকেরা পরষ্পর বন্ধুসুলভ আচরণ করবে।
১১. রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিষ্পত্তির অধিকার থাকবে রাষ্ট্রপ্রধানের এবং তিনি হবেন সর্বোচ্চ বিচারালয়ের সর্বোচ্চ বিচারক।
১২. মুহাম্মদ (সাঃ) এর অনুমতি ব্যতীত মদীনাবাসীগণ কারও বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারবে না।
১৩. মুসলমানদের কেউ যদি অন্যায় কিংবা বিশ্বাসঘাতকতা করে তবে সবাই মিলে তার বিরুদ্ধে যথোচিত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। নিজ সন্তান বা আত্নীয় হলেও ব্যাপারে তাকে ক্ষমা করা যাবে না

Saturday, June 8, 2013

নবীর আদর্শেই রয়েছে অনাবিল শান্তি

দুনিয়াতে সবাই শান্তিতে থাকতে চায়, শান্তিতে বাঁচতে চায়। সবাই শান্তির জন্য অস্থির। তাই সর্বত্রই শান্তি খোঁজে সবাই। ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন ও রাষ্ট্রীয় জীবন- সর্বত্রই মানুষ শান্তি খোঁজে। কিন্তু কোথাও শান্তির দেখা মেলে না। শান্তি আসবে কোন পথে?

প্রকৃত শান্তি পেতে হলে ফিরে যেতে হবে সাড়ে চৌদ্দশ বছর আগের পথে। গ্রহণ করতে হবে কোরআনের শিক্ষা, হাদিসের দীক্ষা। আল্লাহপাক সূরা নাহলের ৯৭ নম্বর আয়াতে শান্তির রাস্তা বলে দিয়েছেন। ইরশাদ করেন : 'নারী হোক চাই পুরুষ হোক, ইমানের সঙ্গে যে নেক আমল করবে, আমি তাকে সুখময় পবিত্র জীবন দান করব এবং তার আমলের উত্তম প্রতিদান দেব।'

এ আয়াতে আল্লাহপাক শান্তির ঘোষণা দিয়েছেন নেক আমলে। সুতরাং শান্তি পেতে হলে ধরতে হব নেকের পথ। আর ছাড়তে হবে অবৈধ সব রাস্তা। সুদ-ঘুষের অর্থ বর্জন করতে হবে। পরিহার করতে হবে প্রতারণার রাস্তা। গাড়ি কিনব শান্তির জন্য, বাড়ি বানাবো শান্তির জন্য। কিন্তু সে গাড়ি বা বাড়িতে যদি থাকে সুদের অর্থ বা প্রতারণার ফাঁদ। তাহলে শান্তি আসবে কোত্থেকে? শর্ষে দানায় ভূত থাকলে ভূত ছাড়াবে কিসে? সুদের লেনদেন সম্পূর্ণ হারাম। যারা সুদের লেনদেন করে, আল্লাহপাকের অভিশাপ সারাক্ষণ তাদের ওপর পতিত হয়। যার ঘোষণা দিয়ে গেছেন আল্লাহপাকের প্রিয় হাবিব (সা.)। সুদের সবচেয়ে নিম্নতম গুনাহ হল আপন মায়ের সঙ্গে জিনায় লিপ্ত হওয়া। সুদের মালে জাকাত আসে না। কারণ জাকাত তো আসে নিজের মালে। আর সুদের মালের প্রকৃত মালিক সুদদাতা।

সুতরাং তওবা করার সময় এখনই। জীবনে কোনো দিন হারাম পথে পা বাড়াব না। প্রয়োজনে মাটি কামড় দিয়ে থাকব। তবু আল্লাহ ও তাঁর হাবিবের অভিশাপের রাস্তায় অর্থ উপার্জন করব না। কসম খোদার! সদিচ্ছা থাকলে আল্লাহপাক ব্যবস্থা করবেনই। না খেয়ে মরতে হবে না। আল্লাহপাক আমাদের সবাইকে হারাম রাস্তা পরিহার করে হালাল পথ ধরার তওফিক দান করুন এবং পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে দান করুন অনাবিল শান্তি।

Saturday, June 1, 2013

রক্তচাপ কমানোর ১৩ টিপস


উচ্চ রক্তচাপ হূদরোগ, স্ট্রোক, কিডনি বিকল করা, সর্বোপরি মৃত্যু ডেকে আনে সহসাই। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সারাজীবন ওষুধ খেতে হয়। তবে দীর্ঘদিন ওষুধ খাওয়ায় পায়ের পেশি সঙ্কোচন, মাথা ঘোরা, নিদ্রাহীনতার মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা দেয়। এসব থেকে মুক্তি পেতে প্রাকৃতিক উপায়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষজ্ঞরা ১৩টি প্রাকৃতিক টিপসের কথা বলেছেন। সেগুলো হল-

নাক ডাকা কমানোর উপায় - প্রথম আলো

ঘুমের মধ্যে নাক ডাকেন অনেকেই। যিনি নাক ডাকেন, তাঁর জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। আর অবধারিতভাবেই পাশের মানুষটির জন্য হয়ে ওঠে চরম বিরক্তিকর। সাধারণ কতগুলো নিয়ম মেনে চললে নাক ডাকার এই সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যেতে পারে। নাক ডাকা কমাতে টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে কিছু পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে। দেখুন এই পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করে আপনি নাক ডাকা থেকে মুক্তি পান কি না!

কাত হয়ে ঘুমানো
যারা নাক ডাকেন, তাঁরা চিত্ হয়ে না ঘুমিয়ে কাত হয়ে ঘুমাতে পারেন। চিত্ হয়ে ঘুমালে গলার পেশি শিথিল থাকে। ফলে নাক বেশি ডাকার আশঙ্কা থাকে।

ওজন কমানো
স্থূলতার কারণে শুধু ডায়াবেটিস নয়, বিভিন্ন সমস্যায় ভোগেন একজন মানুষ। স্থূলতার কারণেও অনেকে নাক ডাকতে পারেন। বেশি ওজনের কারণে গলার পথ সরু হয়ে যায়। এর ফলে শ্বাস নেওয়ার সময় টিস্যুগুলোতে ঘর্ষণ লাগে। এতে করে শ্বাস নেওয়ার সময় শব্দ হয়।

নেশাজাতীয় দ্রব্য ও ঘুমের ওষুধ পরিহার
অ্যালকোহল বা নেশাজাতীয় দ্রব্য নেওয়ার পরে অনেকে নাক ডাকেন। বিশেষ করে ঘুমাতে যাওয়ার সময় যাঁরা অ্যালকোহল পান করেন, তাঁরা বেশি নাক ডাকেন।

বেশি বালিশ নেওয়া
মাথার নিচে কয়েকটি বালিশ দিয়েও নাক ডাকা কমানো যেতে পারে। মাথার নিচে বালিশ দিলে বুকের চেয়ে মাথা বেশি উঁচুতে থাকে। এতে করে নাক ডাকার আশঙ্কা কিছুটা কমে যায়।

ধূমপান ছেড়ে দেওয়া
ধূমপান করলে শরীরের অক্সিজেন ব্যবহারের ক্ষমতা কমে যায়। এর ফলে বাতাস বের হওয়ার পথ সংকুচিত হয়ে পড়ে। এ কারণেও নাক বেশি ডাকতে পারেন অনেকে। তাই ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করাই ভালো।

নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করা উচিত। এতে করে ঘুমের সঙ্গে শরীরের একধরনের সামঞ্জস্য তৈরি হয়। ফলে অভ্যাসেরও পরিবর্তন হয়।

শরীরচর্চা
শরীরচর্চা করলে পেশি, রক্তের চলাচল ও হূিপণ্ডের স্পন্দন বাড়ে। শরীরচর্চা করলে ঘুমও ভালো হয়। এ কারণে নাক ডাকা কমাতে হলে প্রতিদিন ৩০ মিনিট শরীরচর্চার অভ্যাস করা জরুরি।

প্রচুর পানি পান করা
প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা উচিত। এতে করে নাসারন্ধ্রে লেগে থাকা আঠার মতো দ্রব্যগুলো দূর হবে। নাক ডাকাও কমবে।

নাসারন্ধ্রের পথ পরিষ্কার রাখা
নাক পরিষ্কার রাখাটা খুবই জরুরি। কারণ, এতে করে একজন ব্যক্তি সহজভাবে নিঃশ্বাস নিতে পারেন। এ কারণে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভালোভাবে নাক পরিষ্কার করতে হবে। এমনকি এ ক্ষেত্রে ইনহেলার ব্যবহার করা যেতে পারে।

দুই ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খাওয়া
ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খাওয়া উচিত। এতে করে জেগে থাকা অবস্থায়ই খাবার হজম হয়ে যাবে। এর ফলে রাতে ভালো ঘুম হবে। নাক ডাকাও কমবে।
তবে এসব উপায় অবলম্বন করার পরও যদি নাক ডাকা বন্ধ না হয়, তাহলে অবশ্যই একজন চিকিত্সকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।