Tuesday, February 28, 2023

এতো সুন্দর কাহিনী পড়ে,সেয়ার না করে পারলাম না।পড়েই দেখুন, নিজের অজান্তে চোখ দিয়ে পানি চলে আসবে.....
--বাজে অশ্লীল গল্প না পড়ে ইসলামিক শিক্ষণীয় সত্য ঘটনা পড়েন,জানেন অন্যকে জানান।
একদিন মদীনার দুই ব্যক্তি একজন যুবককে টেনে-হিঁছড়ে, অর্ধপৃথিবীর শাসক খলীফা হযরত উমর (রা) এর দরবারে হাজির করল। এবং তারা বিচার দাখিল করল যে, "এই যুবক আমাদের পিতাকে হত্যা করেছে। আমরা এর ন্যায় বিচার চাই।"
.
আমিরুল মু’মিনীন খলীফা হযরত উমর (রা) সেই যুবককে তার বিপক্ষে করা দাবী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। সেই যুবক বললেন, "তাদের দাবী সম্পুর্ণ সত্য।" এই বলে যুবকটি তাঁর অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি বর্ণনা করতে লাগলেন।
.
তিনি বললেন, "আমি ক্লান্ত হয়ে যাবার কারণে বিশ্রামের জন্য এক খেজুর গাছের ছায়ায় বসলাম। ক্লান্ত শরীরে অল্প সময়েই ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার একমাত্র পছন্দের বাহন উটটি পাশে নেই। খুঁজতে খুঁজতে কিছু দূর গিয়ে পেলাম, তবে তা ছিল মৃত। পাশেই ছিল ওদের বাবা। যে আমার উটকে তার বাগানে প্রবেশের অপরাধে পাথর মেরে হত্যা করেছে। এই কারণে আমি হঠাৎ করে রাগান্বিত হয়ে পড়ি এবং তাদের বাবার সাথে তর্কাতর্কি করতে করতে এক পর্যায়ে মাথায় পাথর দিয়ে আঘাত করে ফেলি, ফলে সে সেইখানেই মারা যায়। যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ঘটে গেছে। এর জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী।"
.
বাদী’রা জানালেন- "আমরা এর মৃত্যুদণ্ড চাই।" হযরত উমর (রা) সব শুনে বললেন, "উট হত্যার বদলে তুমি একটা উট নিলেই হতো, কিন্তু তুমি বৃদ্ধকে হত্যা করেছ। হত্যার বদলে হত্যা। এখন তোমাকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হবে। তোমার কোন শেষ ইচ্ছা থাকলে বলতে পারো।" নওজোয়ান বললো, "আমার কাছে কিছু ঋণ ও অন্যের রাখা কিছু আমানত আছে। আমাকে যদি কিছু দিন সময় দিতেন তবে আমি বাড়ি গিয়ে আমানত ও ঋণগুলি পরিশোধ করে আসতাম।"
.
খলিফা হযরত উমর (রা) বললেন, "তোমাকে এভাবে একা ছেড়ে দিতে পারি না। যদি তোমার পক্ষ থেকে কাউকে জিম্মাদার রেখে যেতে পারো তবে তোমায় সাময়িক সময়ের জন্য মুক্তি দিতে পারি। "নওজোয়ান বললো, "এখানে আমার কেউ নেই। যে আমার জিম্মাদার হবে। এখন আমি কি করি।" যুবকটি তখন নিরুপায় হয়ে দাঁড়িয়ে রইল।
.
এই সময় হঠাৎ মজলিসে উপস্থিত এক সাহাবী যার নাম হযরত আবু যর গিফারী (রা), দাঁড়িয়ে বললেন, "আমি হবো ঐ ব্যক্তির জামিনদার।" সাহাবী হযরত আবু যর গিফারীর (রা) এই উত্তরে সভায় উপস্থিত সবাই হতবাক। একেতো অপরিচিত ব্যক্তি তার উপর হত্যার দন্ড প্রাপ্ত আসামীর জামিনদার। খলিফা বললেন, "আগামি শুক্রবার জুম্মা পর্যন্ত নওজোয়ানকে মুক্তি দেয়া হলো। জুম্মার আগে নওজোয়ান মদীনায় না আসলে নওজোয়ানের বদলে আবু যরকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হবে।" মুক্তি পেয়ে নওজোয়ান ছুটলো মাইলের পর মাইল দূরে তার বাড়ির দিকে। আবু যর গিফারী (রা) চলে গেলেন নিজ বাড়িতে।
.
দেখতে দেখতে জুম্মাবার এসে গেল। নওজোয়ানের আসার কোনো খবর নেই। হযরত উমর (রা) রাষ্ট্রীয় পত্রবাহক পাঠিয়ে দিলেন আবু যর গিফারির (রা) কাছে। পত্রে লিখা আজ শুক্রবার বাদ জুমা সেই যুবক যদি না আসে আইন মোতাবেক আবু যর গিফারির মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হবে। আবু যর যেন সময় মত জুম্মার প্রস্তুতি নিয়ে মসজিদে নববীতে হাজির হন। খবর শুনে সারা মদীনায় থমথমে অবস্থা। একজন নিষ্পাপ সাহাবী আবু যর গিফারী আজ বিনা দোষে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হবেন।
জুমার পর মদীনার সবাই মসজিদে নববীর সামনে হাজির। সবার চোখে পানি। কারণ দন্ডপ্রাপ্ত যুবক এখনো ফিরে আসেনি। জল্লাদ প্রস্তুত।
.
জীবনে কত জনের মৃত্যুদন্ড দিয়েছে তার হিসেব নেই। কিন্তু আজ কিছুতেই চোখের পানি আটকাতে পারছে না জল্লাদ। আবু যরের মত একজন সাহাবী সম্পূর্ণ বিনা দোষে আজ মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হবেন, এটা মদীনার কেউ মেনে নিতে পারছেন না। এমনকি মৃত্যুদন্ডের আদেশ প্রদানকারী খলিফা উমর (রা) নিজেও চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। হৃদয় তাঁর ভারাক্রান্ত। তবু আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। কারো পরিবর্তনের হাত নেই। আবু যর (রা) তখনও নিশ্চিন্ত মনে হাঁসি মুখে দাঁড়িয়ে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত। জল্লাদ ধীর পায়ে আবু যর (রা) এর দিকে এগুচ্ছেন আর কাঁদছেন। আজ যেন জল্লাদের পা চলে না। পায়ে যেন কেউ পাথর বেঁধে রেখেছে।
.
এমন সময় এক সাহাবী উচ্চ স্বরে জল্লাদকে বলে উঠলেন, "হে জল্লাদ একটু থামো। মরুভুমির ধুলার ঝড় উঠিয়ে ঐ দেখ কে যেন আসতেছে। হতে পারে ঐটা নওজোয়ানের ঘোড়ার পদধুলি। একটু দেখে নাও, তারপর না হয় আবু যরের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করো।" ঘোড়াটি কাছে আসলে দেখা যায় সত্যিই এ সেই নওজোয়ান।
.
নওজোয়ান দ্রুত খলিফার সামনে এসে বললো, "হুযুর বেয়াদবি মাফ করবেন। রাস্তায় যদি ঘোড়ার পায়ে ব্যথা না পেত,তবে যথা সময়েই আসতে পারতাম। বাড়িতে গিয়ে আমি একটুও দেরি করি নাই। বাড়ি পৌঁছে গচ্ছিত আমানত ও ঋণ পরিশোধ করি। তারপর বাবা, মা এবং নববধুর কাছে সব খুলে বলে চিরবিদায় নিয়ে মৃত্যুর প্রস্তুতি নিয়ে মদীনার উদ্দেশ্যে রওনা দেই। এখন আমার জামিনদার ভাইকে ছেড়ে দিন আর আমাকে মৃত্যুদন্ড দিয়ে পবিত্র করুন। কেননা কেয়ামতের দিন আমি খুনি হিসেবে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে চাই না।"
.
আশেপাশের সবাই একেবারেই নীরব। চারিদিকে একদম থমথমে অবস্থা। সবাই হতবাক, কি হতে চলেছে। যুবকের পুনরায় ফিরে আসাটা অবাক করে দিলো সবাইকে।
.
খলিফা হযরত উমর (রা) যুবককে বললেন, "তুমি জানো তোমাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে, তারপরেও কেন ফিরে এলে।" উত্তরে সেই যুবক বলল- "আমি ফিরে এসেছি, কেউ যাতে বলতে না পারে, এক মুসলমানের বিপদে আরেক মুসলামান সাহায্য করতে এগিয়ে এসে নিজেই বিপদে পড়ে গেছিলো।"
.
এবার হযরত উমর (রা) হযরত আবু যর গিফারী (রা) কে জিজ্ঞেস করলেন, "আপনি কেন না চেনা সত্যেও এমন জামিনদার হলেন।" উত্তরে হযরত আবু যর গিফারী (রা) বললেন, "পরবর্তিতে কেউ যেন বলতে না পারে, এক মুসলমান বিপদে পড়েছিলো, অথচ কেউ তাকে সাহায্য করতে আসেনি।"
.
এমন কথা শুনে, হঠাৎ বৃদ্ধের দুই সন্তানের মাঝে একজন বলে উঠল, "হে খলীফা আপনি তাকে মুক্ত করে দিন। আমরা তার উপর করা অভিযোগ তুলে নিলাম।"
.
হযরত উমর (রা) বললেন, কেন? তাদের মাঝে একজন বলে উঠলো, "কেউ যেন বলতে না পারে, এক মুসলমান অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল করে নিজেই স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ার পরেও অন্য মুসলমান তাকে ক্ষমা করেনি।"
[হায়াতুস সাহাবা-৮৪৪]

 

Sunday, February 26, 2023

পুরুষরা বিছানার উত্তাপ বাড়াতে এবং সারারাত ধরে যৌনমিলনের আনন্দ উপভোগ করতে পছন্দ করে তবে সেই সঙ্গে অনেকগুলি শারীরিক রূপান্তর তাদের যৌনতাকে প্রভাবিত করে। যদি আপনি তাদের মধ্যে একজন হন যারালিঙ্গজনিত সমস্যার কারণে সঙ্গীকে সন্তুষ্ট করতে ব্যর্থ, তবে চিন্তার কিছু নেই। সঠিক চিকিৎসার সাহায্য নিয়ে আপনি আপনার যৌন জীবনকে আবার সুস্থ জায়গায় ফিরিয়ে আনতে পারেন।

লিঙ্গ সমস্যা হওয়া, যেমনটা সকলে ভাবে, ততটাও সাধারণ বিষয় নয়। এটি শরীরকে অন্যান্য অনেক স্বাস্থ্য সমস্যার দিকে নিয়ে যেতে পারে। আমেরিকায় সব বয়সের প্রায়২৫ মিলিয়ন পুরুষ ইরেকটাইল ডিসফাংশানে ভুগছে। এরকম লিঙ্গ সমস্যাগুলি সমাধান করার সময়, লোকেরা ওভার-দ্য-কাউন্টার ওষুধ যেমন আই-আর্জিনাইন এবং অন্যান্য নীল বড়ি খেয়ে যৌনতার সময় এবং স্ট্যামিনা বাড়াতে চান।

তবে আপনার উত্থানের সমস্যাগুলি সমাধান করার জন্য আপনার আর-আরজিনাইন এবং এজাতীয় কোনও ওষুধের দরকার নেই। অনেক গবেষণা পরামর্শ দেয় যে আপনি যদি ওষুধ খাওয়ার পরিবর্তে প্রাকৃতিক সমাধান এবং ঘরোয়া প্রতিকারের চেষ্টা করেন তবে আপনার একটি স্বাস্থ্যকর এবং সন্তোষজনক যৌনজীবন সম্ভব। এই ভিটামিন এবং পরিপূরকগুলি অবশ্যই আপনার ইডি (ইরেক্টাইল ডিসফাংশান) এবং অন্যান্য লিঙ্গ সম্পর্কিত সমস্যার চিকিৎসায় করতে সহায়তা করে।

কিছু কিছু জিনিস লিঙ্গ উত্থানজনিত অসুস্থতা সৃষ্টি করতে পারে, তবে লিঙ্গের উত্থানের জন্য স্বাস্থ্যকর ভিটামিন সরবরাহ আপনার যৌন জীবনকে খুব প্রশান্ত এবং রোমান্টিক করে তুলবে। ভাল রক্তসঞ্চালনের জন্য রক্তনালিগুলি স্বাস্থ্যবান হওয়া প্রয়োজনীয়, কারণ এরাই কোষগুলিতে পুষ্টি বহন করার কাজ করে। আর ভিটামিনগুলি রক্তনালিগুলিকে ঠিকঠাক খুলতে সহায়তা করতে পারে যাতে রক্ত সঠিকভাবে সঞ্চালিত হয়ে ব্যক্তির পূর্ণ পুরুষত্ব প্রকাশ করতে পারে।

আই-আর্গিনাইন এবং ভায়াগ্রা জাতীয় ওষুধগুলি আপনার সমস্যা মাত্র কয়েক ঘন্টার জন্য থামিয়ে রাখতে পারে। কিন্তু ভিটামিন এবং অ্যামিনো অ্যাসিড দীর্ঘমেয়াদে এই উত্থানের সমস্যাগুলি নিরাময় করতে পারে। মনে রাখবেন, ভিটামিন এবং বাজারী ওষুধগুলি (আই-আর্গিনাইন) একসঙ্গে সেবন করা উচিত নয় কারণ এতে আপনার দেহে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া হতে পারে। আপনার দৈনিক রুটিনে কোনও ভিটামিন যুক্ত করার আগে আপনার ডাক্তারের সাথে আলোচনা করুন। আই-আর্গিনাইন এবং অন্যান্য বড়িগুলি ছাড়াও, আমরা আপনার সমস্যাটি দ্রুত সমাধান করতে এবং আরও ভাল যৌন জীবন পেতে কিছু ভিটামিন দিয়েছি।

পুরুষত্বহীনতার জন্য সেরা ভিটামিন

  1. ভিটামিন সি

    ভিটামিন সি আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে এবং স্বাস্থ্যের জন্যও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ক্রমবর্ধমান যৌন পারফরম্যান্সের সঙ্গে সম্পর্কিত।

  2. ভিটামিন ডি

    গবেষকরা দেখেছেন যে যাদের দেহে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি রয়েছে তাদের তুলনায় যাদের ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি রয়েছে তাদের এই জাতীয় লিঙ্গ উত্থানজনিত অসুবিধাগুলি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। রক্তনালীগুলি সুস্থ রাখার জন্য এই ভিটামিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন ডি ছাড়া রক্ত সঞ্চালন ভাল হয় না, এবং আপনার শরীরের প্রায় সমস্ত কিছু যথা আপনার লিঙ্গ শক্তিশালী হওয়ার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে।

  3. ভিটামিন বি-৩

    ভিটামিন বি-৩ রক্ত প্রবাহ এবং ইরেকটাইল ফাংশন বাড়াতে সহায়তা করে এবং এর ঘাটতি ইরেক্টাইল ডিসফাংশন-এর অন্যতম কারণ।

  4. ফলিক অ্যাসিড

    ইরেক্টাইল সমস্যাগুলি কখনও কখনও কার্ডিওভাসকুলার সমস্যার সাথেও সম্পর্কিত হতে পারে। যদি আপনার হার্টের স্বাস্থ্য পুরোপুরি ঠিক না থাকে তাহলে আপনার যৌনজীবনে এর প্রভাব পড়তে পারে। মাঝারি থেকে মারাত্মক উত্থানজনিত সমস্যায় ভুগছেন এমন পুরুষের ফলিক অ্যাসিড মাত্রা যেসব ছেলের এই সমস্যাটি নেই তাদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম থাকে। বি ভিটামিনকে নাইট্রিক অক্সাইডের সাথে কাজ করার জন্য দেখানো হয়েছে যা ব্যাখ্যা করবে যে এটির অভাবে কেন পুরুষত্বের সমস্যা দেখা দেয়। এটি কিছু ওষুধের চেয়ে আরও ভালভাবে ইরেক্টাইল ডিসফাংশানে সহায়তা করে বলে মনে হচ্ছে। ফলিক অ্যাসিডের সাহায্যে চিকিৎসা করার ফলে পুরুষরা তাদের ইরেক্টাইল শক্তি বৃদ্ধি করে।

  5. দস্তা

    এই খনিজটি একটি স্বাস্থ্যকর যৌনজীবনের জন্য খুবই প্রয়োজন এবং এর ঘাটতি টেস্টোস্টেরন স্তর নিম্ন হওয়ার সাথে যুক্ত যা দুর্বল উত্থানের ক্ষেত্রে অবদান রাখে। দস্তাজাত পরিপূরকগুলি যৌনজীবনে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নতি করতে পারে। দস্তা দিয়ে লোডযুক্ত খাবারের মধ্যে ঝিনুক, শেলফিস, বাদাম এবং বীজ অন্তর্ভুক্ত। ইরেক্টাইল ডিসফাংশন এবং যৌন জীবনে আগ্রহ হ্রাস অনেক শারীরিক এবং মানসিক কারণে হতে পারে। তাই এই ভিটামিন এবং ফাইবার এবং পুষ্টির পরিমাণ বেশি এমন একটি স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করে নিজেকে সুস্থ রাখুন। আই-আরজিনাইন এবং অন্যান্য বড়িগুলির মতো ওটিসি ওষুধগুলিকে উপেক্ষা করার চেষ্টা করুন এবং আপনার দৈনন্দিন জীবনের এই তাজা শাক সবজি, আপেল, ওট এবং পুরো শস্যগুলি অন্তর্ভুক্ত করা শুরু করুন।

আপনি যদি নিজের উত্থানজনিত সমস্যা স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে চান এবং যৌন মিলনের সময় লিঙ্গকে সঠিক উত্থান চান তবে এই ভিটামিনগুলি আপনার ইরেকটাইল ডিসফংশান বন্ধ করতে পারে। এখানে পড়ুন কীভাবে একজন লোক তার ইরেকটাইল ডিসফাংশন নিরাময়ের জন্য একটি প্রাকৃতিক প্রতিকার ব্যবহার করে কিছু দিনের মধ্যে নিজেকে সুস্থ করে তুলেছিল।

বউয়ের চামড়া কালোর জ্বালায় পুরুষ কি আর কান্দে?
পুরুষ কান্দে পইড়া তাদের ছল চাতুরীর ফান্দে।
অন্তর আত্মা ভালো হইলে কালো হলেও চলে
মন পচাঁদের গায়ের চামড়া সাদা হলেও জলে।
চামড়া হলো চোখের শান্তি মনের শান্তি মন
রূপ হইল ভাই রূপক জিনিস মন অমূল্য ধন।
রূপ এবং গুণ দুটুই থাকে যে মানুষের মাঝে
লোক সমাজে তারা রাতের চন্দ্র তারা সাজে।
যাদের মাঝে রং রূপ আছে গুণের বালাই নাই
এমন রূপে হয় শুধু ভাই মানুষ পুইড়া ছাই।
যাদের আবার মনটা ভালো রং টা একটু কালো
এই কালোতে বিরাজ করে স্বর্গ সুখের আলো।
কমলালেবুর রূপ এবং গুণ দুটোই আছে তাই
দেখলে তারে চক্ষু জুরায় খেয়েও শান্তি পাই।
মাকাল ফলের রূপ থাকিলেও অন্তর কালো বলে
অবহেলায় থেঁতলে মরে লোকের পায়ের তলে।
নারিকেলের চামড়া দেখেন কেমন পুড়া পুড়া
গুন থাকাতে এর দাম এখন তিন "শ" টাকা জোড়া।
কমলার মত রূপবতী গুণবতী পেলে
হাসিমুখে বেঁধে নিতে পারেন তারে গলে।
রংটা একটু কালো হইলেও নাই কোন ভাই ক্ষতি
বুকের ভেতর থাকে যদি হিরা মুক্তা মতি।
রূপ থাকিলেও যদি কারো গুন না থাকে তবে
সঙ্গী করার আগে তারে দেখো একটু ভেবে।

Thursday, February 23, 2023

 

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মালিকুল হাক্কুল মুবিন
*অর্থঃআল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নাই তিনি প্রকাশ্য বাদশা সবকিছু প্রকাশকারী।
 

রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে এই দো‘আ পাঠ করবে, দিনে পাঠ করে রাতে মারা গেলে কিংবা রাতে পাঠ করে দিনে মারা গেলে, সে জান্নাতী হবে’।

اَللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّىْ لآ إِلهَ إلاَّ أَنْتَ خَلَقْتَنِىْ وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوْذُبِكَ مِنْ شَرِّمَا صَنَعْتُ، أبُوْءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَىَّ وَأَبُوْءُ بِذَنْبِىْ فَاغْفِرْلِىْ، فَإِنَّهُ لاَيَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلاَّ أَنْتَ

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা আনতা রব্বী লা ইলা-হা ইল্লা আনতা খালাক্বতানী, ওয়া আনা ‘আবদুকা ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাসতাত্বা‘তু, আ‘ঊযুবিকা মিন শার্রি মা ছানা‘তু। আবূউ লাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়া ওয়া আবূউ বিযাম্বী ফাগফিরলী ফাইন্নাহূ লা ইয়াগফিরুয্ যুনূবা ইল্লা আনতা।

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! তুমি আমার পালনকর্তা। তুমি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমার দাস। আমি আমার সাধ্যমত তোমার নিকটে দেওয়া অঙ্গীকারে ও প্রতিশ্রুতিতে দৃঢ় আছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট হ’তে তোমার নিকটে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমি আমার উপরে তোমার দেওয়া অনুগ্রহকে স্বীকার করছি এবং আমি আমার গোনাহের স্বীকৃতি দিচ্ছি। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা কর। কেননা তুমি ব্যতীত পাপসমূহ ক্ষমা করার কেউ নেই’। [105]

 

Friday, February 17, 2023

 

মদীনার বাগানগুলোর মধ্যে এক ইয়াতীম ছেলের একটি বাগান ছিল। তার বাগানের সাথে লাগোয়া বাগানের মালিক ছিলেন আবু লুবাবা নামের এক লোক। সেই ইয়াতীম ছেলেটি নিজের বাগান বরাবর একটি প্রাচীর দিতে গিয়ে দেখল, প্রতিবেশীর একটি খেজুর গাছ সীমানার মধ্যে পড়ে যাচ্ছে। ছেলেটি তার প্রতিবেশীর কাছে গিয়ে সমস্যার কথা বলে সীমানার খেজুর গাছটি কিনতে চাইলো যাতে প্রাচীরটি সোজা হয়। কিন্তু প্রতিবেশী আবু লুবাবা কোনভাবেই রাজী হচ্ছিল না।
কোন উপায় না পেয়ে সেই ইয়াতীম রাসুলুল্লাহ্ ﷺ এর কাছে গিয়ে পুরো ঘটনা বুঝিয়ে বললো। আল্লহর রাসুল ﷺ ডেকে পাঠালেন আবু লুবাবাকে। সে মসজিদে নববীতে আসলে নবী করীম ﷺ সেই খেজুর গাছটি অর্থের বিনিময়ে হলেও ইয়াতীম ছেলেটিকে দিয়ে দিতে অনুরোধ করলেন।
আবু লুবাবা যথারীতি রাজী হলো না। রাসুলুল্লাহ্ ﷺ এক পর্যায়ে তাকে বললেন, "তোমার ভাইকে ওই খেজুর গাছটি দিয়ে দাও। আমি তোমার জন্য জান্নাতে একটি খেজুর গাছের জিম্মাদার হব।"
বিস্ময়কর হলেও আবু লুবাবা তারপরেও সেই খেজুর গাছ দিতে রাজী হলো না। রাসুলুল্লাহ্ ﷺ এই পর্যায়ে চুপ হয়ে গেলেন। এর চেয়ে বেশী তিনি ﷺ তাকে আর কী বলতে পারেন!
উপস্থিত সাহাবীদের মধ্যে সাবিত (রাঃ)ও ছিলেন। তিনি আবু দাহদাহ নামে পরিচিত ছিলেন। মদীনায় তাঁর খুব সুন্দর একটি বাগান ছিল। প্রায় ৬০০ খেজুর গাছ ছাড়াও একটি মনোরম বাড়ি ও একটি পানির কুয়া ছিল সেখানে। মদীনার সব বড় ব্যবসায়ীদের কাছে আবু দাহদাহ (রাঃ) এর বাগানটি সুপরিচিত ছিল। তিনি স্বপরিবারে সেখানে বসবাসও করতেন।
আবু দাহদাহ (রাঃ) হঠাৎ রাসুলুল্লাহ্ ﷺ -এর কাছে গিয়ে বললেন, 'হে আল্লাহ্'র রাসুল ﷺ ! আমি যদি আবু লুবাবার কাছ থেকে ঐ খেজুর গাছটি কিনে এই ইয়াতীমকে দিয়ে দেই, তাহলে আমিও কি জান্নাতে একটি খেজুর গাছের মালিক হবো?' রাসুলুল্লাহ্ ﷺ বললেন, "হ্যাঁ, তোমার জন্যও জান্নাতে খেজুর গাছ থাকবে।" আবু দাহদাহ (রাঃ) সাথে সাথে আবু লুবাবাকে বললেন, 'আপনি আমার সেই সম্পূর্ণ বাগানটি গ্রহণ করে সেই খেজুর গাছটি আমাকে দিয়ে দিন।'
আবু লুবাবা 'দুনিয়াবী' এই বিনিময় বিশ্বাস করতে পারছিল না! হুঁশ ফিরলেই সে বলল, 'হ্যাঁ আমি আপনার খেজুর গাছের বাগানটি গ্রহণ করলাম। বিনিময়ে আমার সেই খেজুর গাছটি আপনাকে দিয়ে দিলাম।'
হযরত আবু দাহদাহ (রাঃ) সেই মূহুর্তেই খেজুর গাছটি ইয়াতীম ছেলেটিকে উপহার হিসাবে দিয়ে দিলেন। তারপর রাসুলুল্লাহ্ ﷺ এর দিকে তাকিয়ে বললেন, 'হে রাসুলুল্লাহ্ ﷺ ! এখন আমি কি জান্নাতে একটি খেজুর গাছের মালিক হলাম'? রাসুলুল্লাহ্ ﷺ বললেন, "আবু দাহদাহ'র জন্য জান্নাতে এখন কত বিশাল বিশাল খেজুরের বাগান অপেক্ষা করছে।"
বর্ণনাকারী হযরত আনাস (রাঃ) বলেন, এ কথাটি রাসুলুল্লাহ্ ﷺ এক, দুই বা তিনবার বলেননি; বরং খুশী হয়ে বারবার বলেছেন।
শেষে আবু দাহদাহ (রাঃ) সেখান থেকে বের হয়ে সদ্য বিক্রি করে দেয়া সেই বাগানে ফিরে গেলেন। বাড়ির দরজায় এসে স্ত্রীকে ডাক দিলেন তিনি, 'হে উম্মে দাহদাহ! বাচ্চাদেরকে নিয়ে এ বাগান থেকে বের হয়ে আসো। আমি দুনিয়ার এই বাগান বিক্রি করে দিয়েছি'। তাঁর স্ত্রী বললেন, 'আপনি কার কাছে এটি বিক্রি করেছেন? কে কত দাম দিয়ে এটি কিনে নিয়েছে?'
আবু দাহদাহ (রাঃ) বললেন, 'আমি জান্নাতে একটি খেজুর বাগানের বিনিময়ে তা বিক্রি করে দিয়েছি'। তাঁর স্ত্রী বললেন, 'আল্লহু আকবার! হে আবু দাহদাহ! আপনি অবশ্যই অত্যন্ত লাভজনক একটি ব্যবসা করেছেন'।
সুবহানাল্লাহ ' যেমন আল্লহ রাসূলের আশেক ছিলেন প্রিয় নবীর (সাঃ ) সাহাবীগণ তেমনই আশেকে দিওয়ানা ছিলেন তাঁদের স্ত্রী গণ :সমস্ত দুনিয়া এক কথায় ছেড়ে দিয়ে হয়ে গেছেন বাদশা থেকে ভিখেরি -'পরকালের ভিখারি থেকে হয়েছেন বাদশা ' এরাই তো ছিলেন বুদ্ধিমান 'আল্লাহ আমাদের মনে তাঁদের মত সঠিক বুঝ দান করুন -আমিন "আমিন
[মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ১২৫০৪; ইবনে হীব্বান, হাদীস ৭১৫৯; আস-সিলসিলা সাহীহাহ, হাদীস ২৯৬৪; মুস্তাদরাকে হাকীম, হাদীস ২১৯৪]

Friday, February 10, 2023

ধৈর্য মানে শুধু বসে বসে অপেক্ষা করা নয়, ধৈর্য মানে ভবিষ্য‌ৎকে দেখতে পাওয়া। ধৈর্য মানে কাঁটার দিকে তাকিয়েও গোলাপকে দেখা, রাতের অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে দিনের আলোকে দেখা”।
 

 

জগতে_কত_শ্রেণির_ওলী_আউলিয়া_আছেন❓
পৃথিবীতে তিন শ্রেণীর অলী-আউলিয়া রয়েছেন। হাদী শ্রেণির, মাজ্জুব শ্রেণির এবং দেশ রক্ষক ওলী-আউলিয়া
⭕হাদী তথা হেদায়েতকারী অলী-আউলিয়ার মধ্যে চারটি শ্রেণী রয়েছে। যথা_
ক. অলী-আউলিয়া
খ. অলীয়ে কামেল
গ. অলীয়ে মোকাম্মেল এবং
ঘ. মোজাদ্দেদে জামান বা যুগের ইমাম।
হাদী শ্রেণীর অলী-আউলিয়া গণের প্রধান হলেন, যুগের ইমাম বা মোজাদ্দেদে জামান। তিনিই সকল অলী-আউলিয়া গণের বাদশাহ্ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
⭕মাজ্জুব শ্রেণীর অলী-আউলিয়ারা সর্বক্ষণ মহান আল্লাহর এশকে দেওয়ানা থাকেন। এরা বেশির ভাগ সময় পাগল বেশে বা ফকির বেশে জীবন যাপন করেন। মহান রাব্বুল আলামিনের নির্দেশে মাজ্জুব শ্রেণীর অলী-আউলিয়া গন খোদায়ী প্রশাসনের বিশেষ কাজে নিয়োজিত থাকেন।
⭕দেশরক্ষক অলী আউলিয়ারা জাগতিক সরকারের সেনাবাহিনীর ন্যায়। এ শ্রেণীর অলী-আউলিয়ার মধ্যে ৪০ টি পদবী আছে। আর দেশরক্ষক অলী-আউলিয়া গণের প্রধানকে কুতুবুল আকতাব বলা হয়।
কুতুবুল আকতাবের অধীনে ২ জন গাউস পদমর্যাদার অলী-আউলিয়া রয়েছেন।
গাউসের অধীনে ৪ জন আওতাদ রয়েছেন।
আওতাদদের অধীনে ৭জন আবদাল,
আবদালগণের অধীনে রয়েছেন ৭০ জন আখেয়ার,
আখেয়ারগণের অধীনে ৩০০ জন নুজাবা-নুকাবা
এবং তাঁদের অধীনে অসংখ্য কুতুব আল্লাহর নির্দেশে সৃষ্টিজগত পরিচালনায় নিয়োজিত রয়েছেন।
⭕যেমন খিজির (আ) ছিলেন একজন আবদাল শ্রেণীর অলী-আউলিয়া যার কথা পবিত্র কুরআনে উল্লেখ আছে।
মূসা বললো_ এরপর যদি আমি আপনাকে কোনো বিষয়ে জিজ্ঞেস করি তবে আপনি আমাকে সঙ্গে রাখবেন না। আমার ওজর আপত্তি চূড়ান্ত হয়ে গেছে।
(সুরা কাহাফ, আয়াত ৭৬)
তিনি সমুদ্রের রক্ষক হিসেবে কেয়ামত পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে যাবেন।

Tuesday, February 7, 2023

 

☺একজন চা ওয়ালা যদি দেশের প্রধান
মন্ত্রি হতে পারে৷(নরেন্দ্র মোদি)
☺হাইস্কুলের বাস্কেটবল টিম থেকে বাদ
পড়া ছেলেটা যদি পৃথিবির সেরা
বাস্কেটবল প্লেয়ার হতে পারে৷(মাইকেল
জর্ডান)
☺একটি ছেলে,যার গার্লফ্রেন্ড তাকে
ব্রেকাপ করে এবং তাকে সমস্ত Social সাইড
থেকে ব্লোক করে দেয়৷ পরবর্তিতে সে
যদি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় Social নেটওয়ার্ক
Facebook তৈরি করতে পারে৷ (মার্ক
জুকারবার্গ)
☺এক ব্যাক্তি যার পুরো বডি অচল৷
চলাফেরা তো দুরের কথা যে হাত-পা
নাড়াতে ও পারে না৷ সে যদি পৃথিবীর
সেরা বিজ্ঞানী হতে পারে৷ (স্টিফেন
হকিং)
☺এক ব্যক্তি যে সফল হওয়ার জন্য ৯৯৯ বার
ফেল করে ১০০০ বারে বৈদ্যুতিক বাল্প
আবিস্কার করতে পারে৷(থমাস আলভা
এডিসন)
🙃 এক সময় বিল গেটস একটি ব্যাংক থেকে কিছু লোন
চেয়েছিলেন।কিন্তু ব্যাংক তাঁকে লোন দেয়নি।
সেই ছেলেটি একদিন সেই ব্যাংকটিই কিনে নিয়েছিলেন।
🙃ছেঁড়া শার্টের কারণে এন্ড্রু কার্নেগিকে পার্কে ঢুকতে
দেওয়া হয়নি। সেই বস্তির ছেলে একদিন অন্যতম ধনী
ব্যক্তি হওয়ার পর পুরো পার্কটি ক্রয় করেন
এবং সেখানে সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিয়েছিলেন,
''আজ থেকে পার্ক সবার জন্য উন্মুক্ত''।
আজ গলা ধা'ক্কা খেয়েছেন? কোন ব্যাপার না।
একদিন সেই গলায় ফুল দেওয়ার জন্য সেই
লোকগুলোই লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকবে।
আজ কেউ আপনাকে ঠকিয়েছে?
কোন ব্যাপার না।
একদিন সে-ই আপসোস করে বলবে,
আপনাকে ঠকিয়ে সে উল্টো নিজেরই সর্বনাশ করেছে।
আজ আপনাকে দেখে "ক্ষ্যা'ত" বলে কেউ দূরে সরে যাচ্ছে?
ব্যাপার না।
একদিন আপনাকে একটু ছুঁয়ে দেখার জন্য সে-ই
আপনার কাছে আসবে।
আজ গরিব বলে কেউ আপনাকে অবজ্ঞা করছে?
ব্যাপার না।
এসব পিছুগল্পের দিকে তাকিয়ে থাকলে আপনি চিরকাল
অপমান, লা'থি, গুঁ'তা, বাঁ'শ, ক্রাশ ইত্যাদি
খেয়েই যাবেন।
কে কী করছে, কী ভাবছে-সেসব বাদ দিয়ে নিজের লক্ষ্যে
এগিয়ে গেলেই কেবল একদিন আপনি উদাহরণ কিংবা
দৃষ্টান্ত হতে পারবেন।
জীবনে ছোট খাট বিষয় নিয়ে পড়ে থাকার কোন মানে হয়না।
জীবনে বেঁচে থাকার জন্য অনেক কিছু করতে হয়,
মেনে নিতে হয়।
সময় যখন পক্ষে থাকে না তখন অনেক কিছু সহ্য করেও মুখ
বুজে কাজ করে যেতে হয়।
★একটু বেঁচে থাকার জন্য জগতের অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিরা
যুগে যুগে নজরুলের মতো চায়ের দোকানে কাজ করে
জীবন বাঁচিয়েছেন।
মস্তিষ্কে শুধু একটি কথা গেঁথে রাখুনঃ"সময় এখন আপনার
পক্ষে না।"
অপেক্ষা করুন,একদিন সময় আপনার ও হবে ইনশাআল্ল

Monday, February 6, 2023

বাদশাহ আবরাহা যে বছর মক্কায় আক্রমণ করে সে বছরই সমগ্র পৃথিবীর রহমত হিসেব মুহাম্মাদ সা. জন্ম গ্রহণ করেন। অধিকাংশ ঐতিহাসিকদের মতে বাদশা আবরাহা মক্কায় আক্রমণ করে মর্হারাম মাসে এর পঞ্চাশদিন পর রবিউল আওয়াল মাসের বার তারিখে রাসূল সা. জন্ম গ্রহণ করেন। রাসূল সা. এর জন্মের পূর্বে এমন অনেক অলৌকিক ঘটনা ঘটেছে যা নবী আসার ভূীমকা বা পূর্বাভাস বলা হয় আরবীতে তাকে ‘আরহাসাত’ বলে। রাসূল সা. আসার পূর্বে যেসকল অলৌকিক ঘটনা ঘটেছে তার মধ্যে প্রসিদ্ধ ঘটনা হলো এ বাদশাহ আবরাহার কর্তৃক মক্কায় আক্রমণ। যুনুয়াস একজন ইহুদী ছিল সে ইয়ামানের নজরানে হামলা করলো এবং তাদেরকে ইয়াহুদী ধর্ম গ্রহণ করতে বলল, নজরানবাসী খ্রিষ্টান ছিল তারা ইয়াহুদী ধর্ম গ্রহণ করেনি তাই যুনুয়াস বিশ হাজার নজরানবাসীকে হত্যা করে। তাদের হত্যা থেকে রেহাই পায় দাওস যু-সালাবান। সে রোমের সম্রাটের সাহায্য চায় আর রোমের সম্রাট নাজাশীকে সাহায্য করতে বলে।

আবিসিনীয় নাজাশী ইয়ামানের নাজরান দখল করার জন্য আরিয়াত ও আবরাহাকে প্রেরণ করে। তারা এসে নাজরান দখল করে এবং ইয়ামানের শাসন শুরু করে। তখন ইয়ামানের শাসক ছিল আরিয়াতা পরে হাবশা নিয়ে হাবশী আবরাহা ও আরিয়াতের মধ্যে কোন্দল হয়। এরপর তারা আরিয়াত ও আবরাহা সম্মুখ যুদ্ধে আবতরণ হয় এবং আরিয়াত পরাজিত ও আবরাহ কর্তৃক নিহত হয়। এরপর ইয়ামানের শাসক হয় আবরাহা। নাজাশী সব শুনে রাগান্বিত হয় এবং বলে আমার নিয়োগকৃত সেনাপতিকে হত্যার প্রতিশোধ নিবো এবং শপথ নিলেন যে, আমি তার শাসিত ইয়ামনকে পদদলিত করবো এবং তাকে মাথা মুন্ডিয়ে অপমানিত করবো। একথা আবরাহা শুনে নিজেই মাথা মুন্ডান এবং ইয়ামানের একব্যাগ ভর্তি মাটি নাজাশীর কাছে প্রেরণ করেন। আর চিঠি লিখেন যে, আমিও অপনার গোলাম আপনার কথা শুনেই আমি মাথা মুন্ডালাম আর আপনার শপথ পুরণ করার জন্য মাটি পাঠালাম তা পায়েদলিত করে শপথ পুরুন করুন। তখন নাজাশী তার প্রতি প্রিত হয়ে তাকে ইয়ামান শাসন করার জন্য বলেন। তখন থেকে আবরাহা ইয়ামন শাসন করছে। সেই আবরাহা একটি গীর্জা নির্মাণ করলো। ইয়ামানের সানা নগরীতে নাম দিল ‘কুলায়স’। পবিত্র কাবা শরীফের বিকল্প হিসেবে এ গীর্জাকে এমনভাবে তৈরী করেছে যার সমতুল্য কোন ঘর ছিল না। এ গীর্জা এত উচুঁ ছিল যে এর ওপরে উঠে সে এডেন বন্দরকে দেখার অভিলাষী ছিল। গীর্জার অদূরে অবস্থিত রাণী বিলকিসের প্রাচীন প্রসাদ থেকে রকমারি কারুকার্য খচিত ও স্বর্ণের নকশা আংকিত শ্বেত মর্মর পাথর আনিয়ে এতে স্থাপন করা হয়। হাতির দাঁত ও মূল্যবান আবলূস কাঠের তৈরী অনেক মঞ্চ ও বেদী এবং স্বর্ণের তৈরী ক্রুশ সাজানো হয়। ইয়ামানবসীকে তাতে স্বেচ্ছা শ্রমে কাজ করতে বাধ্য করে। (রওযুল উনুফ, প্রথম খন্ড ৬৩) এ গীর্জা নির্মাণ করে নাজাশীকে চিঠি লিখলো যে, আমি আপনার জন্য এমন গীর্জা নির্মাণ করেছি যা ইতিপূর্বে কেউ নির্মাণ করতে পারেনি। আর আমি মক্কার হজ্জ কে এখানে না আনা পর্যন্ত ক্ষান্ত হবো না। এ চিঠি আরবদের মধ্যে ফাঁস হয়ে যায় তখন তারা ক্রুদ্ধ হয়ে পড়ে। বনূ কিনানার অন্তর্ভূক্ত বনু ফুকায়ম এর এক ব্যক্তি অতি বেশি ক্রদ্ধ হয়। সে সন্তর্পনে বেরিয়ে পড়ে এবং আবরাহার নির্মিত ‘কুলায়স’ গীর্জায় গিয়ে পায়খানা করে। এটি বুঝালো যে, এ ঘর মক্কার বিপরীতে গ্রহন যোগ্য নয়। এরপর আবরাহা জানতে পারে যে, এ কাজ আরবের এক ব্যক্তি করেছে। তখন সে সংকল্প করে যে মক্কা হামলা করবে এবং ধ্বংস করবে। সে মক্কার উদ্দেশ্যে রাওয়ানা হলো। সাথে আবেসিনিয়ার সৈন্য একদল হাতী। তবে প্রতিমধ্যে যূ-নফর, ও খাসআম গোত্র তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করলো যাতে সে মক্কা হামলা করতে না পারে তবে তারা পরাজিত হয়েছে। এরপর আবরাহার সাথে তায়েফের অধিবাসী বনূ সাকীফ গোত্র একত্রিত হয়েছে যাতে তাদের ‘আল্লাত’ নামিয় উপাসনা না ভাঙ্গে। তারা আবরাহাকে পথ দেখিয়ে মক্কার দিকে পথ চলল। যে তাকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সে হলো ‘আবূ রিগাল’ তবে সে পথি মধ্যে মৃত্যু বরণ করে আর তার কবরে পরবর্তীতে আরবরা পাথর নিক্ষেপ করতো এখনো ‘মুগাম্মাসে’ যে কবরটিতে লোকজন পাথর নিক্ষেপ করে থাকে সেটি আবূ রিগালেরই কবর। আবরাহা মুগাম্মাসে এসে থামলো এবং আসওয়াদ ইবনে মাকসুদ’ কে পাঠালো সে ফিরে আসার সময় তিহামা উপত্যকার চরণভূমিতে কুরায়েশ ও অন্যান্য গোত্রের যে সব গবাদিপশু তা ধরে নিয়ে আসলে তাতে আবদুল মুত্তালিব রাসূল সা. এর দাদার দু’শ উটও ছিল। তখন আব্দুল মুত্তালিব কুরায়েশদের র্সদার ছিল। এতে কুরায়েশ সহ অন্যান্য গোত্র কিনানা ও হুযায়ল আবরাহার সাথে যুদ্ধ করতে চেয়েছে তবে তাদের অক্ষমতায় পারেনি। পর আবরাহা মক্কায় হুনাতা হিময়ারীকে পাঠায় এ বলে যে, তুমি মক্কার নেতার কাছে যাবে তাকে বলবে রাজা মক্কায় যুদ্ধ করতে আসেনি তবে শুধু কাবা ঘর ধ্বংস করে চলে যাবে। (চলবে)

লেখক : পরিচালক ইসলাহ বাংলাদেশ।

 

 

▪️বরই পাতা মেশানো পানিতে মৃতদের গোসল দেয়ার কারণ!!!
মৃতব্যক্তিকে গোসল দেয়া ফরজে কেফায়া। অনেকে গোসল দেয়াকে ওয়াজিব বলেছেন। তবে মানুষ মারা গেলে তাকে সঠিকভাবে গোসল দেয়া উত্তম। এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো কুল বা বরই পাতা মেশানো হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল দেয়া। কিন্তু মৃতব্যক্তিকে বরই পাতা মেশানো পানিতে গোসল কেন দেয়া হয় আমরা অনেকেই জানিনা।
মৃতব্যক্তিকে বরই পাতা মেশানো পানি দিয়ে গোসল দেয়ার কথা বলেছেন বিশ্বনবি। হাদিসে এসেছে_ হজরত ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বর্ণনা করেন- ‘এক ব্যক্তি আরাফাতে অবস্থানের সময় তার উটনী থেকে পড়ে যায়। এতে তার ঘাড় মটকে যায় (এতে সে মারা যায়)। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তাকে বরই পাতাসহ পানি দিয়ে গোসল করাও এবং দুই কাপড়ে তাকে কাফন দাও। তাকে সুগন্ধি লাগাবে না এবং তার মাথা ঢাকবে না। কেননা কেয়ামতের দিন সে তালবিয়া পাঠ করতে করতে ওঠবে।’ __[বুখারি]
শুধু হজে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তির ব্যাপারেই প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ ঘোষণা দেননি বরং তিনি তাঁর মেয়ে হজরত জায়নাব রাদিয়াল্লাহু আনহার মৃত্যুর পর তাকেও বরই পাতা মেশানো পানি দিয়ে গোসল দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। হাদিসে এসেছে_ হজরত ইসমাঈল ইবনে আবদুল্লাহ রাহমাতুল্লাহি আলাইহি উম্মে আতিয়্যা আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মেয়ে জায়নাব রাদিয়াল্লাহু আনহার ইন্তেকাল হলে তিনি আমাদের কাছে আসেন এবং বলেন, ‘তোমরা তাকে তিন, পাঁচ প্রয়োজন মনে করলে তারচেয়ে বেশি বার বরই পাতাসহ পানি দিয়ে গোসল দাও।
শেষবার কর্পূর বা কিছু কর্পূর ব্যবহার করবে। তোমরা (গোসল) শেষ করে আমাকে জানাও। আমরা (গোসল) শেষ করে তাকে জানালাম। তখন তিনি তাঁর চাদরখানা আমাদের দিয়ে বললেন, এটি তাঁর গায়ে জড়িয়ে দাও"।__[বুখারি]
হাদিসের নির্দেশনা অনুযায়ী মৃতব্যক্তির গোসলের পানিতে বড়ই বা কুলপাতা দেয়া ইসলামি শরিয়ত সম্মত একটা রীতি। কেননা বরই পাতা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য খুব কার্যকরী। যদি বরই পাতা না পাওয়া যায় তবে সাবান বা এ জাতীয় কিছু ব্যবহার করাই যথেষ্ট। আর বরই পাতা মেশানো পানিতে গোসল করানো হলে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাত আদায় হয়।
বিজ্ঞানের গবেষণা থেকে প্রমাণিত যে, বরই পাতায় বেশ কিছু এন্টিসেপটিক উপাদান রয়েছে। যা পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখলে বা পানিতে দিয়ে হালকা গরম করলে বরই পাতা থেকে এক ধরনের আঁঠালো নির্যাস পানির সঙ্গে মিশে যায়। আর এ নির্যাসগুলো মানুষের শরীরকে জীবানুমুক্ত করার কার্যকরী এন্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে। সহজে এ শরীরে যেমন পোকা-মাকড় আক্রমণ করতে পারে না আবার এ দেহে সহজে পচন ধরে না। প্রায় দেড় হাজার বছর আগে এ কারণেই বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৃত ব্যক্তিকে বরই পাতা মেশানো পানি দিয়ে গোসল করানোর কথা বলেছেন।
সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, মৃত মানুষকে বরই পাতা মেশানো হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল দেয়া। এতে মৃতের লাশ যেমন থাকবে জীবানুমুক্ত পরিচ্ছন্ন। আবার হাদিসের নির্দেশনার ওপরও হবে যথাযথ আমল। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে হাদিসের ওপর আমল করার তাওফিক দান করুন আমিন।🤲

 

বাদশাহ হারুনুর রশীদের কাছে এক লোক একটি চাতক পাখি বিক্রি করার জন্য নিয়ে এলো । তিনি দাম জিজ্ঞেস করলে সে বাজারমূল্যের চেয়েও অনেক বেশি দাম চাইলো।
বাদশাহ জানতে চাইলেন পাখিটির এত দাম কেন? অথচ তার একটি পা নেই!
লোকটি বললো মার্জনা করবেন জাহাপানা। দেখতে সাধারন হলেও এটি আসলে একটি বিশেষ ধরনের পাখি। এর বিশেষত্ব হলো - আমি যখন শিকারে যাই,তখন এই চাতক পাখিটিকেও সঙ্গে করে নিয়ে যাই।
আমার পাতানো ফাদের সাথে এই পাখিটিকেও বেধে রাখি। এই পাখিটি তখন অত্যাশ্চর্য এক আওয়াজে অন্য পাখিদের মনোযোগ আকর্ষন করে।
তার এই আওয়াজ শুনে ঝাকে ঝাকে পাখিরা এসে জড়ো হয়। তখন আমি একসাথে সব পাখিকে শিকার করি। বলা যায় এই পাখিটি আমার শিকারের প্রধান ফাদ ।
বাদশাহ তার কথা শুনে পাখিটিকে শিকারীর চাহিদা অনুযায়ী চড়া দামেই কিনলেন। এবং সাথে সাথে জবাই করে ফেললেন। শিকারী অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো, জাহাপনা! আপনি অনেক দামে কেনা পাখিটি এভাবে জবাই করে দিলেন?
তখন বাদশাহ হারুনুর রশিদ তাকে একটা মহামূল্যবান কথা বললেন, যা ইতিহাসে আজ্ও অমর হয়ে আছে। তিনি বললেন, “যে অন্য জাতির দালালি করার জন্য তার স্বজাতির সাথে অনায়াসে এমন গাদ্দারি করতে পারে,তার এই পরিনতিই হওয়া উচিত”।

Sunday, February 5, 2023

পৃথিবীতে কোন কিছুই success নয়
এক মৃত ব্যক্তির পকেট থেকে পাওয়া চিঠি :
যখন জন্মালাম বাবা মা ভাবল এটা তাদের success,
যখন হাটতে শিখলাম মনে হল এটাই success,
যখন কথা বলতে শিখলাম মনে হল এটাই success,
ভুল ভাঙল,
এরপর স্কুলে গেলাম,শিখলাম first হওয়াটা success,
এরপর বুঝলাম না আসলে মাধ্যমিকে স্টার পাওয়াটা success,
ভুল ভাঙল,বুঝলাম উচ্চমাধ্যমিকে এই রেসাল্টটা ধরে রাখাই success,
এখানেই শেষ নয়,
এরপর বুঝলাম ভালো সাবজেক্ট নিয়ে ভালো কলেজে চান্স পাওয়াটাই success,
পরে বুঝলাম না কলেজ শেষে চাকরী পাওয়াটা success,
এরপর বুঝলাম না,নিজের টাকায় একটা ফ্ল্যাট কেনাটা success,
সেটাও নয়,নিজের টাকায় এরপর গাড়ি কেনাটাই আসল success,
আবার ভুল ভাঙল,
এরপর দেখলাম বিয়ে করে সংসার করাটাই success,
বছর ঘুরলো,দেখলাম আসলে বিয়ে করে বংশধর এনে তাকে বড় করাটাই success,
ছেলে হলে সে প্রতিষ্ঠিত হওয়াটাই success,মেয়ে হলে ভালো বাড়িতে বিয়ে দেওয়াটাই success,
এরপর এলো রিটায়ারমেন্ট, সারা জীবনের জমানো টাকার সঠিক utilization ই success...
এরপর যখন সবাই মিলে জীবনের শেষ কাজ সম্পন্ন করে দিল,তখন বুঝলাম পৃথিবীতে কোন কিছুই success নয় I
পুরো টাই competition, যার মূলে আকাশ ছোঁয়া আকাঙ্ক্ষা, যা কখনো পূর্ণ হয়না।

 

খারাপ স্বপ্ন কাউকে বলবেন না।
" মদীনার অধিবাসী এক মহিলার স্বামী ছিল ব্যবসায়ী। ব্যবসায়িক কাজে বিভিন্ন দেশে আসা যাওয়া করত সে। যখনই তার স্বামী বিদেশে যেত তখনই সে নারী স্বপ্ন দেখত।
আর তার স্বামী সর্বদা তাকে গর্ভবতী রেখে যেত।
একদিন সে রাসূলুল্লাহ (সা) এর কাছে এসে বলল, আমার স্বামী সফরে গেছে। আমি গর্ভবতী। আমি স্বপ্ন দেখলাম, আমার ঘরের চৌকাঠ ভেঙ্গে গেছে।
আর আমি একটি এক চোখ কানা সন্তান প্রসব করেছি।
রাসূলুল্লাহ (সা) বললেন, ভাল স্বপ্ন দেখেছো। ইনশা আল্লাহ তোমার স্বামী তোমার কাছে সহীহ-সুস্থ অবস্থায় ফিরে আসবে আর তুমি একটি সুস্থ-সুন্দর সন্তান প্রসব করবে। এভাবে সে দু বার বা তিনবার স্বপ্ন দেখেছে।
আর প্রতিবারই রাসূলুল্লাহ (সা) এর কাছে এসেছে। তিনি প্রতিবার এরকম ব্যাখ্যাই দিয়েছেন। আর প্রতিবার সে রকমই বাস্তবায়িত হয়েছে।
একদিন মহিলা আগের মতই আসল। রাসূলুল্লাহ (সা) তখন অনুপস্থিত ছিলেন। সে স্বপ্ন দেখেই এসেছে।
আয়েশা (রা) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর বান্দী! তুমি রাসুলুল্লাহর নিকট কী জিজ্ঞেস করবে? সে বলল, আমি একটি স্বপ্ন প্রায়ই দেখি। অতপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসি। তিনি সুন্দর ব্যাখ্যা দেন।
সেটাই বাস্তবে পরিণত হয়। আমি বললাম, তুমি আমাকে বল, কী স্বপ্ন দেখেছো?
সে বলল, রাসূলুল্লাহ (সা) আসুক, তারপর বলব। আমি তাকে বারবার অনুরোধ করতে লাগলাম স্বপ্নটি বলার জন্য-
যেমনটি আমার অভ্যাস। অবশেষে সে আমাকে স্বপ্নের কথা বলতে বাধ্য হল। আমি বললাম, আল্লাহর কসম! তোমার স্বপ্ন যদি সত্যি হয়, তাহলে তোমার স্বামী মারা যাবে। আর তুমি একটি অপূর্ণাঙ্গ বা অসুস্থ ছেলে প্রসব করবে।
তখন মহিলাটি বসে কাঁদতে লাগল।
রাসূলুল্লাহ (সা) এসে বললেন, হে আয়েশা! এর কি হয়েছে? তখন আমি পুরো ঘটনা ও স্বপ্ন সম্পর্কে আমার দেয়া ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ (সা)কে জানালাম।
রাসূলুল্লাহ (সা) বললেন, হে আয়েশা এটা কী করলে?
যখন কোনো মুসলমানের স্বপ্নের ব্যাখ্যা করবে তখন সুন্দর ও কল্যাণকর ব্যাখ্যা দেবে। মনে রাখবে স্বপ্নের যে ব্যাখ্যা দেয়া হয়, বাস্তবে তাই সংঘটিত হয়।
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন :
আল্লাহ তাআলার কি ইচ্ছা জানি না।
মহিলাটির স্বামী মারা গেল আর দেখলাম সে একটি অসুস্থ অপূর্ণাঙ্গ ছেলে প্রসব করল।
(বর্ণনায় : দারামী। ইবনে হাজার রহ. হাদীসটিকে হাসান বলে অভিহিত করেছেন।)
অত্র হাদিস থেকে বেশ কয়েকটি ব্যাপার প্রতীয়মান হয়, প্রথম ৩ বছর মহিলাটি সুস্থ সন্তান প্রসব করলো এবং স্বামীও সুস্থভাবে ফিরে এলো সফর থেকে। কিন্তু পরেরবার আয়েশা (রা) স্বপ্নের ব্যাখ্যা টা দিলেন অন্যভাবে আর তার ফলাফল কি হলো তা তো উপরে পড়লেনই এবং সাথে সাথে রাসুল (স) নিষেধ করে দিলেন কখনই যেন কোনো স্বপ্নের ব্যাখ্যা খারাপ/অশুভ করে দেয়া না হয়। আপনারা হয়ত অনেক সময় অনেক মন্দ স্বপ্ন/ভয়ানক স্বপ্ন দেখে থাকেন,যদি কখনো মন্দ স্বপ্ন দেখেন তাহলে কি করবেন?
এই উত্তরের আগে চলুন হাদিস পড়ি.......
স্বপ্ন তিন প্রকার। (১) আল্লাহর পক্ষ থেকে সুসংবাদ, (২) বান্দার মনের খেয়াল এবং (৩) শয়তানের পক্ষ থেকে ভীতি প্রদর্শনমূলক কিছু। অতএব তোমাদের কেউ পছন্দনীয় কিছু স্বপ্নে দেখলে তা ইচ্ছা করলে অপরের কাছে ব্যক্ত করতে পারে। আর সে অপছন্দনীয় কিছু স্বপ্নে দেখলে যেন তা ব্যক্ত না করে এবং উঠে নামায পড়ে।
(সুনানে ইবনে মাজাহ,হাদিস নাম্বার ৩৯০৬)।
৩ ধরনের স্বপ্ন, ভালো,মন্দ, এবং মনের খেয়াল থেকে আসা স্বপ্ন।
মনের খেয়াল থেকে আসা স্বপ্ন কিরকম? এই যেমন ক্রিকেট খেলা দেখে ঘুমালেন আর স্বপ্নেও দেখছেন ক্রিকেট। অথবা সামনে পরীক্ষা তাই পড়ার চাপ খুব,টেনশনে দিনাতিপাত করছেন,এমন সময় স্বপ্নে দেখছেন আপনি পরীক্ষা দিতে গিয়ে কলমের সব কালি শেষ অথবা এক্সাম সেন্টারে গিয়ে দেখেন সবার খাতা জমা নিচ্ছে। মানে সময় শেষ হয়ে এক্সাম দিতে গিয়েছেন। যে যেই খেয়ালে থাকে সে সেই খেয়ালের স্বপ্ন দেখে। এটা স্বাভাবিক স্বপ্ন। ভাল বা সুসংবাদ মূলক কোনো স্বপ্ন দেখলে আলহামদুলিল্লাহ বলুন। আর যদি ভয়ানক/ভীতিকর/অশুভ কোন স্বপ দেখে থাকেন তাহলে ঘুম ভাঙলে সাথে সাথেই বাম দিকে হালকা করে তিনবার থু থু ফেলবেন। ৩ বার "আউজুবিল্লাহিমিনাশ শাইত্বনির রাজিম" বলবেন। উঠে সালাত আদায় করুন অন্তত ২ রাকাত। এবং অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই মন্দ স্বপ্নের কথা কখনই কারো সামনেই প্রকাশ করবেননা।
প্রকাশ করলে আর মন্দ স্বপ্নের ব্যাখ্যায় মন্দ কিছু বললে তা বাস্তবে কিভাবে রুপ নেয় তা উপরের মদীনাবাসী মহিলার ঘটনাটি প্রমান দেয়। কাজেই ভয়ানক স্বপ্ন দেখলেও ভয় পাওয়ার কিচ্ছু নেই, সাহায্য প্রার্থনা করুন রবের কাছে। স্বপ্ন যতক্ষন প্রকাশ পাবেনা, ততক্ষন উক্ত স্বপ্নের দ্বারা ক্ষতি হবেনা। মন্দ স্বপ্ন প্রকাশ পেলে তা অনিষ্টতায় রুপ নিয়ে নিতে পারে।
সচেতন থাকুন, সচেতন রাখুন...
- সংগৃহীত

 

 

নারী ততক্ষণ ই আপনার যতক্ষণ সে রাগ করে, অভিমান করে, ঝগড়া করে, চিল্লাচিল্লি করে, অধিকার খাটায় বিরক্ত করে,ভালবাসে,আদর যত্ন করে, খেয়াল রাখে, কিন্তু যখন ই একবার আপনি তার আত্ম সম্মানে আঘাত করবেন, ইগনোর করবেন,ব্যস্ততা দেখাবেন, অবহেলা করবেন দিনের পর দিন,,
তখন যদি একবার নিজেকে গুটিয়ে নেয়, আপনার সব কিছু থেকে সরিয়ে নেয়,একবার যদি মুখ ফিরিয়ে নেয় বিশ্বাস করেন তখন হাজার বার চাইলেও আর আগের সেই মানুষটি কে পাবেন না, হাজার কান্না করেও ধরে রাখতে পারবেন না, আটকে রাখতে পারবেন না,
ওই যে কথায় বলেনা যে নারী খোঁপার মতো বেঁধে রাখতে পারে সে নারী খোলা চুলের মতো ছেড়ে দিতেও পারে,,
তাই বুঝতে শিখুন,জানতে শিখুন, সম্মান করতে শিখুন,আগলে রাখতে শিখুন,
কোনটা অভিমান,কোনটা অভিযোগ,কোনটা রাগ,কোনটা ভালোবাসা,কোনটা মুড সুয়িং,,
শুধু ছেড়ে গেছে,চলে গেছে,মন ভরে গেছে, এই অপবাদ না দিয়ে চলে যাওয়ার কারণ খুঁজুন,,মেয়ে জাতি বড় অভিমানী,,
আর নারী জাতি বড় সম্মানের জিনিস,কারণ সে আপনার মা, আপনার বোন, আপনার বান্ধবী, আপনার গার্লফ্রেন্ড, আপনার স্ত্রী, হয়তো বা আপনার সন্তানের মা,,,

 

ডুবে যাবো ঠোঁটের মায়ায়,কাজল কালো চোখে,
কি আসে যায় তাতে আমার,মন্দ বলুক লোকে!
ডুবে যাবো এলো চুলে,মন ভুলানো গানে,
চোখের মায়ায় পাগল করো,দোলা দিয়ে প্রাণে।
ডুবে যাবো তোমার মাঝে,ইচ্ছে তরীর ডাকে,
তোমার মাঝে ডুবে গেলে,আর কি বাকি থাকে?
তোমার তরে ভালোবাসা,বুনছে ভীষণ রকম,
দূরে তুমি থাকো বলেই,সারছে না যে যখম!
ভুলে যাবো সবকিছু আজ,তোমায় যদি পাই,
তুমিই আমার পূর্ণতা গো,যেমন আমি চাই।
তোমার শাড়ির প্রেমে দেখো,মাতোয়ারা মন,
তোমায় কাছে পেতে শুধু,মন যে উচাটন!
তোমার কালো টিপের মায়ায়,হারিয়েছি মন,
দেখছো নাকি তোমায় আমি,ভাবছি সারাক্ষণ?
ডুবে যাবো তোমার চুলে,গন্ধ নিবো নাকে,
তোমায় পেলেই সব পাওয়া হয়,সবকিছু যে থাকে।
তুমি শুধু আমার,জানো?আমার হয়ে যাও,
হৃদয় মাঝে প্রেমের জোয়ার,শান্ত করে দাও–তুমি শান্ত করে দাও। ❤❤👉👈💞💕

 

বেঁচে থাকতে গেলে জীবনে আশার আলোটা খুব প্রয়োজন.. আনন্দ,খুশি আমাদের শক্তি দেয় পথ চলতে! একটা অন্ধকার রাস্তায় তুমি যত না ভালো চলতে পারবে সামনে আলো দেখা গেলে তুমি সেই রাস্তায় বেশি ভালো চলতে পারবে!

নবীজি (সা.)- এর আট সন্তানের মধ্যে এই ঘরেই তিন পুত্র কাসেম (রা.), তাহের-তৈয়ব (রা.), আবদুল্লা (রা.) এবং চার কন্যা জয়নব (রা.), রুকাইয়া (রা.), উম্মে কুলছুম (রা.) ও ফাতিমা (রা.)

Saturday, February 4, 2023

 

দাওয়াত গ্রহণ করা সুন্নত
  Count : 497

হজর আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যখন তোমাদের কাউকে খাবারের দাওয়াত দেওয়া হয়, তখন সে যেন তা (কোনো আপত্তিকর ব্যাপার না থাকলে সাদরে) গ্রহণ করে। আর সে যদি রোজা অবস্থায় থাকে, তাহলে যেন (দাওয়াতকারীর জন্য) দোয়া করে। আর যদি রোজা অবস্থায় না থাকে, তাহলে যেন আহার করে।’ (মুসলিম : ১৪৩১; তিরমিজি : ৭৮০)
শিক্ষা
দাওয়াত দেওয়া ও গ্রহণ করা অন্যতম সুন্নত আমল। রাসুলও (সা.) সবার দাওয়াতই গ্রহণ করার চেষ্টা করতেন। এমনকি অনেক বিধর্মীর দাওয়াতও তিনি গ্রহণ করেছেন।
যখন কোনো ব্যক্তি দাওয়াত দেবে তখন তাকে নিরাশ না করা। বরং রোজা বা অন্য কোনো অপারগতার কারণে খেতে না পারলে তার জন্য উত্তম দোয়া করা।
রোজা না থাকলে সাধ্যমতো মেজবানকে খুশি করা ও আহারে অংশগ্রহণ করা।

অবিবাহিত এক ছাত্র গ্রামের রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছিলেন,
হঠাৎ চোখ পড়লো কুয়ার ধারে এক সুন্দরী যুবতী দাঁড়িয়ে আছে..
ছাত্র বললেন: মা জননী একটা কথা জিজ্ঞেস করবো?
যুবতি বললোঃ জি বলুন...
ছাত্র নারীদের এমন কি? শক্তি, কৌশল, ও ছলনা আছে, যা দ্বারা বাদশাহ কে ফকির, বীর কে ভীরু, আলেম কে জালেম, পাথরকে মোম, বৃদ্ধকে যুবক, বানাইয়া ইচ্ছা মতো খেলতে পারে??
ছাত্র কথা শুনে যুবতী শাড়ি অর্ধেক খুলে,
চুলগুলো এলোমেলো করে চিৎকার করে বললো, আমাকে বাঁচাও,আমাকে বাঁচাও ,
গ্রামবাসীরা লাঠিসোটা নিয়ে দৌড়ে আসতে লাগলো, ছাত্ররে
কে তুলোধোনা করতে,
ছাত্র এই দৃশ্য দেখে কাঁদতে কাঁদতে বললো,
মা জননী আমি তো কোন অন্যায় করিনি,
তুমি আমাকে মার খাওয়াবে কেন??
যুবতী তাড়াতাড়ি কুয়া থেকে এক বালতি পানি তুলে নিজের গা ভিজালো শরীর ভিজিয়ে দিয়ে,
গ্রামবাসীকে বলল আমি কুয়ার ভিতর পইড়া যাইতে ছিলাম,
এই ছাত্র আমাকে জানে বাঁচাইছে,
তখন গ্রামবাসীরা ছাত্র কে মাথায় তুলে নিয়ে খাসি জবাই করে ব্যাপক আপ্যায়ন করলো,
ছাত্র মনে মনে বলছে অহন বুঝছি!!
(আদম আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কেন গন্ধম ফল খেয়েছিল ??
একটা মেয়ে চাইলে একজন পুরুষকে অনায়াসে মেরে ফেলতে পারে,
আবার একজন মেয়ে চাইলে একজন পুরুষকে অনায়াসে বাঁচিয়ে উজ্জ্বল জীবন দিতে পারে।🌺🌺🌺👆👆👆👆👆👆

 

Friday, February 3, 2023

“আপনি কি জানেন সূর্য ডুবার পরে কোথায় যায়”..??
→ রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় আবু যর গিফরী রা.-কে বললেন, তুমি কি জান, সূর্য কোথায় যায়..???
→ আমি বললাম, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন, তা যেতে যেতে আরশের নীচে গিয়ে সিজদায় পড়ে যায়।
এরপর সে পুন: উদিত হওয়ার অনুমতি চায় এবং তাকে অনুমতি দেয়া হয়। আর অচিরেই এমন সময় আসবে যে, সিজদা করবে কিন্তু তা কবুল হবে না এবং সে অনুমতি চাইবে কিন্তু তাকে অনুমতি দেওয়া হবে না।
তাকে বলা হবে, যে পথে এসেছ সে পথে ফিরে যাও। তখন সে পশ্চিম দিক হতে উদিত হবে।
~“(বুখারীঃ ২৯৭২)”.🌺🤍💐🥀””..

 

Thursday, February 2, 2023

বাড়িতে চোর ঢুকেছে!
গাধা ও কুকুর পাশাপাশি বসে আছে।
গাধা ভাবছে কুকুর হয়তো চোরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
কিন্তু, না। কুকুর চুপচাপ বসে আছে।
কুকুরের নীরবতায় গাধার মনে সন্দেহ দেখা দিলো।
সে কুকুরের কাছে এসে বললো ভাই, একটাকিছু করো,
চোর তো গুদাম ঘরের তালা ভাঙ্গা শুরু করে দিয়েছে।
গাধার কথায় কুকুর কর্ণপাত না করে বসে রইলো।
হঠাৎ গাধা চেয়ে দেখলো কুকুরের সামনে হাড্ডি।
হাড্ডির সাথে মাংসও আছে।
গাধা নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছেনা।
এ কি দেখছে সে ?
বাড়ির একমাত্র পাহারাদার তার প্রিয় কুকুর ভাই কি শেষ পর্যন্ত ঘুষ খাওয়া শিখে ফেলেছে ?
তাও আবার চোরের মত বেইমান, বিশ্বাসঘাতক, নিকৃষ্ট প্রাণীর
কাছ থেকে ? ছিঃ! ছিঃ! ছিঃ!
এদিকে চোরেরা তালা ভেঙ্গে ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়েছে।
গাধা আর চুপ থাকতে পারলোনা,
সে গগনবিদারী চেঁচামেচি শুরু করে দিলো।
তার চিৎকারে বাড়ির মালিকের ঘুম ভেঙ্গে গেলো।
মালিক খুব বিরক্ত হলো। সে ঘর থেকে বের হয়ে
দেখলো কুকুর নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে, আর গাধা
লাফাচ্ছে। মালিক ভাবলো হয়তো গাধাকে জ্বিনে
ধরেছে অথবা পাগল হয়ে গেছে । তাই সে রাগান্বিত হয়ে লাঠি দিয়ে গাধার পিঠে বেশকয়েকটা
আঘাত করল। এতে গাধা খুবই ব্যথিত হলো ।
এখন গাধা কোথায় যাবে? মালিকের সম্পদ রক্ষা
করতে গিয়ে উল্টো মার খেতে হলো। অবশ্য চোর
ধরা যার দায়ীত্ব ছিলো, সে ঘুষ খেয়ে চুপ থেকেছে।
আর গাধা অন্যের দায়ীত্ব মাথায় নিয়ে অপরাধী
হয়েছে।
অগত্যা গাধা মনে মনে ভাবছে- দায়ীত্বশীলরা নষ্ট হয়ে
গেলে করার কিছুই থাকেনা। এ সময় কিছু করতে
যাওয়া বোকামী ছাড়া আর কিছুনা।
গল্পটা এখানেই শেষ।
কিন্তু আমার ভাবনা এখান থেকেই শুরু।
আমরা যারা চোরদের বিরুদ্ধে লেখালেখি করছি,
তাদের অবস্থাও ঐ গাধার মত।কথা বলে অপরাধী হচ্ছি।
আর কুকুররা টোপ গিলছে এবং শত কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা হচ্ছে।
তাই চোর ও কুকুরের গলাগলি যতদিন থাকবে-
ততদিন আমাদের মত গাধাদের চোখ বুজে সহ্য করা ছাড়া
আর কোন উপায় নাই ।
তবে একথা সত্য যে, চোরের দশদিন সাধুর একদিন ।
কথায় বলে
পাপ বাপকেও ছাড়ে না,,,,,,,,🙏@ collect
সাথে থাকুন @