তাই সে বনের ধারে গিয়ে নদীর পাশে ঘাস জমিতে সুন্দর একটি জায়গা খুজে বের করে নিলো সন্তান জন্ম দেয়ার জন্য।
সময় কিছু পার হলো, তার প্রসব যন্ত্রনা সুরু হোলো। কিন্তু বিধি বাম। এইসময় হরিণীটির চারপাশে দেখা দিলো নানা বিপদ।
সামনে এক ক্ষুধার্ত সিংহ তার দিকে এগিয়ে আসছে।
এখন সে কি করবে?
দিশেহারা সময়টিতে দাবানল, নদীর স্রোত, ক্ষুধার্থ সিংহ আর নির্দয় শিকারী দিয়ে চারদিক দিয়ে ঘিরে আছে।
হরিণীটি তাই চুপচাপ কিছুক্ষন চোখ বন্ধ করে সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ করলো। সৃষ্টিকর্তার উপর ভরসা রেখে সে সিদ্ধান্ত নিলো সন্তান জন্ম দেবার।
বিপদ আপদ যদি ঘটে ঘটুক। সে
বিশ্বাসী মনে চোখ বুজে সৃষ্ঠিকর্তার হাতে সবকিছু ছেড়ে দিলো।
সাথে সাথে কিছু #মিরাকল ঘটলোঃ
আমাদের জীবনেও এরকম কিছু সময় আসে। চারিদিক থেকে বিপদ, নিন্দা, হতাশা আর অসহযোগিতা
চেপে ধরে আমাদের। কখনো কখনো এই খারাপ সময় এত শক্তিশালী মনে হয় যে আমরা পরিস্থিতির কাছে হার মেনে যাই।
আত্মহত্যার কথাও চিন্তা করি।
অথচ এটি ভুল। আর সেটা আমরা এই হরিণের গল্প থেকেই শিখে নিতে পারি।
যখন হরিনীটির চারপাশে এত বিপদ ছিলো, তবু জীবন মৃত্যু যাই আসুক, সে বিপদের আশংকায়
নিজের লক্ষ্য থেকে একবিন্দু সরে যায়নি। সে তার কাজ, অর্থাৎ সন্তান জন্ম দেয়াতেই নিজের সব
মনযোগ দিয়েছে। আর তখন বাকী সব বিপদ আপদ সৃষ্টিকর্তার নিজে সমাধান করে দিয়েছেন।
যখন হতাশা গ্রাস করে, নিজের উপর বিশ্বাস উঠে যায়, তখনো সৃষ্টিকর্তার প্রতি অগাধ বিশ্বাস রাখবেন।
জীবনের লক্ষ্যে স্থির থাকবেন।
আর কখনো লক্ষ্য থেকে একবিন্দু পিছপা হবেন না।
মনে রাখবেন, আপনি যত বড় ঝড়ের মাঝেই থাকুন, যত নিঃসঙ্গই থাকুন, আপনি নিজেকে ভাবুননা কেন, সৃষ্টিকর্তা কখনো আপনাকে ছেড়ে যাননি।
তিনি সর্বদা আপনার কাছেই আছেন
No comments:
Post a Comment