আমেরিকান চিকিৎসা বিজ্ঞানীর গবেষনায় সিজদার অসাধারণ উপকারিতাঃ
আমেরিকার অন্যতম
সিটি
ওয়াশিংটন ডিসির
একজন
চিকিৎসক মুসলিম
সমাজে
নামাজের এত
গুরুত্বের কারণ
অন্বেষণ করতে
গিয়ে
অভিনব
তত্ত্ব
এবং
তথ্যাদি আবিষ্কার করতে
সক্ষম
হন।
তার
গবেষণায় উঠে
আসা
ফলাফল
সম্মন্ধে তিনি
বলেন,
মানবদেহের সবচেয়ে
গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ
হচ্ছে
হার্ট,
যা
অনবরত
সারা
শরীরে
ব্লাড
সার্কুলেশন বা
রক্ত
সঞ্চালনের কাজটি
নিরবে
করে
যেতে
থাকে।
এটি
মূলতঃ
পাম্প
করার
মাধ্যমে রক্ত
সারা
শরীরে
ছড়িয়ে
দিয়ে
রক্তের
প্রবাহ
চালু
রাখে।
হার্টের কাজ
হচ্ছে,
প্রতিনিয়ত সারা
শরীর
থেকে
পাম্পিং করে
রক্ত
টেনে
হার্টে
নিয়ে
আসা
এবং
আবার
একই
পদ্ধতিতে তা
সারা
শরীরে
ছড়িয়ে
দেয়া।
লক্ষনীয় বিষয়
হচ্ছে,
মানবদেহে হার্টের অবস্থান থেকে
বেশি
অংশই
হার্টের নিচের
দিকে
হওয়ায়
বুক,
পেট,
কোমর
ও
পায়ের
দিকে
খুব
সহজেই
রক্তের
প্রবাহ
সৃষ্টি
হওয়া
স্বাভাবিক হলেও
উপরের
দিক,
অর্থাৎ
মাথর
দিকটি
উপরে
থাকে
বলে
মুখমন্ডলসহ মাথার
দিকটিতে রক্তের
প্রবাহ
তুলনামূলক কষ্টকর
এবং
কঠিন
হয়ে
থাকে।
এর
প্রমান
হিসেবে
দেখা
যায়,
কখনো
কখনো
খুব
বেশি
সময়
বসে
বা
দাঁড়িয়ে থাকলে
শরীরের
নিম্নাংশে অতিরিক্ত রক্তপ্রবাহের কারণে
অসুবিধারও সৃষ্টি
হয়।
আরো
লক্ষণীয় বিষয়
হচ্ছে,
মানুষ
সাধারণত দাঁড়িয়ে, বসে
বা
শুয়ে
থেকে
সময়
অতিবাহিত করে
থাকে।
এর
মধ্যে
শোয়ার
সময়
সারা
শরীর
হার্টের সমান্তরাল পজিশনে
এলেও
মাথার
দিক
তখনো
হার্ট
থেকে
নিচে
অবস্থান করে
না।
কিন্তু
একজন
মুসলিম
যখন
নামাজ
আদায়
করেন
তখন
তিনি
প্রতিবার সিজদা
করার
সময়
তাঁর
দেহের
উর্ধ্বাংশ তথা,
মাথাসহ
উপরের
অংশ
হার্টের নিচে
অবস্থান করে
থাকে।
আর
ঠিক
ওই
সময়টায়
হার্ট
মানবদেহের আরেক
গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ
মাথা
তথা,
মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত পরিমাণে রক্ত
প্রবাহিত করে
থাকে।
প্রিয়
পাঠক!
আমরা
যাঁরা
নামাজ
আদায়ে
অভ্যস্ত, তাঁরা
একটু
খেয়াল
করলে
অনুভব
করতে
সক্ষম
হবো
যে,
সিজদাহ
করার
সময়
মাঝে
মাঝে
আমাদের
মাথা
সামান্য গরম
এবং
ভারী
অনুভূত
হয়।
আর
সাধারণতঃ সিজদায়
খুব
বেশি
সময়
অবস্থান করা
হয়
না
বিধায়
অধিক
পরিমাণে রক্তপ্রবাহের চাপও
খুব
বেশি
সময়
ধরে
স্থায়ী
হয়
না।
যার
ফলে
মস্তিষ্কে রক্তের
মাত্রাতিরিক্ত চাপ
সৃষ্টির অবস্থা
হওয়ারও
আশঙ্কা
তেমন
থাকে
না।
এভাবে
একজন
নামাজি
ব্যক্তি প্রতি
ওয়াক্ত
নামাজে
অনেকবার করে
এবং
প্রতি
দিন
কমপক্ষে অন্তত
পাঁচবার যখন
দেহের
এই
ব্যায়ামটুকু নিয়মিতভাবে করে
যান,
তখন
তিনি
স্বাভাবিকভাবেই অন্য
আরো
অনেকের
তুলনায়
অনেকাংশে সুস্থতা অনুভব
করবেন-
এটা
খুবই
স্বাভাবিক এবং
বিশ্বাসযোগ্য একটি
প্রক্রিয়া। একই
সাথে
সঠিকভাবে মস্তিষ্কসহ পুরো
মুখমন্ডলে পরিমিত
পরিমান
রক্ত
প্রবাহ
অব্যাহত থাকায়
তাঁর
দৃষ্টি
ও
শ্রবণশক্তিসহ স্মরণশক্তিরও উন্নয়ন
ঘটে।
এই
উন্নয়নের হার
নামাজে
অনভ্যস্তদের তুলনায়
সিজদায়
অভ্যস্তদের ক্ষেত্রে অনেক
বেশি
বলে
উল্লেখ
করা
হয়
রিপোর্টে।
নামাজি
ব্যক্তির চেহারায় অন্যদের তুলনায়
বেশি
লাবণ্য
পরিলক্ষিত হয়।
তার
কারণ
সিজদা
করার
সময়
মুখের
প্রতিটি শিরায়
যথেষ্ট
পরিমাণে রক্তের
প্রবাহ
সৃষ্টি
হয়।
যার
অভাবে
যাঁরা
নামাজ
আদায়
করেন
না-
তাঁদের
চেহারায় এক
ধরনের
কালচে
আভা
দৃষ্টিগোচর হয়ে
থাকে।
এ
ছাড়া
সিজদার
সময়
নিতম্ব,
হাঁটু,
টাখনু
ও
কনুইয়ের ওপর
ঝোঁকানো (Flexion) হয়ে থাকে।
যখন
নলা
ও
রানের
পেছনের
পেশি,
কোমর
ও
উদরের
পেশি
চেপে
যায়,
তখন
কাঁধের
জোড়ার
পেশিগুলোতে এর
বাইরের
দিক
থেকে
টান
লাগে।
এর
সঙ্গে
সঙ্গে
মাথার
পেছনের
অঙ্গগুলোও চেপে
যায়।
এর
সবগুলোই শরীরতত্ত্ববিদ্যার ভাষায়
দেহের
জন্য
খুবই
উপকারী
বলে
প্রমাণিত।
মহিলা
নামাজিগণ সিজদাহ
করার
সময়
জড়োসড়ো
হয়ে
সিজদাহ
করে
থাকেন।
এ
সময়
তারা
তাঁদের
বুক
হাঁটুর
সঙ্গে
মিলিয়ে
রাখেন।
যেটি
শরীরতত্ত্ববিদদের ভাষায়-
গর্ভাশয়ের সর্বোত্তম একটি
ব্যায়াম এবং
চিকিৎসা।
No comments:
Post a Comment