পোষ্টদাতার ভুলগুলো কোথায় ধরিয়ে দিতে চেষ্টা করেছি.....
ইসলামে কোথাও বলা হয়নি যে কুকুর নাপাক দেখে কুকুর পেটাও বা এমনটাও আপনি দেখাতে পারবেন না কোনো (ধর্মা'ন্ধ) হাদীস উল্লেখ করে কুকুর পিটাইছে।
ইসলামে তো শুকর ও হারাম কখনো শুনছেন কোনো (ধর্মা'ন্ধ) পিটাইছে?
তাড়িয়ে দিতে পারে তবে সেটা শুধু ঘর থেকে।
শুধু একটা হাদীস দিয়ে পূরা একটা ধর্ম আর তার অনুসারীদের জাজ করে ফেললেন। চরম অজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছেন পোস্টকারী বলতেই হচ্ছে। নিচের পোস্টে আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু এর একটা হাদীস দেখা যাচ্ছে তারই বর্ণনা করা অরেকটি হাদীস দেখেন তাহলে।
১৯০২-[১৫] আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (একবার) একটি পতিতা মহিলাকে মাফ করে দেয়া হলো। (কারণ) মহিলাটি একবার একটি কুকুরের কাছ দিয়ে যাবার সময় দেখল সে পিপাসায় কাতর হয়ে একটি কূপের পাশে দাঁড়িয়ে জিহবা বের করে হাঁপাচ্ছে। পিপাসায় সে মরার উপক্রম। মহিলাটি (এ করুণ অবস্থা দেখে) নিজের মোজা খুলে ওড়নার সাথে বেঁধে (কূপ হতে) পানি উঠিয়ে কুকুরটিকে পান করাল। এ কাজের জন্য তাকে মাফ করে দেয়া হলো। (এ কথা শুনে) সাহাবীগণ আরয করলেন, পশু-পাখির সাথে ভাল ব্যবহার করার মধ্যেও কি আমাদের জন্য সাওয়াব আছে? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হ্যাঁ। প্রত্যেকটা প্রাণীর সাথে ভাল ব্যবহার করার মধ্যেও সাওয়াব আছে। (বুখারী, মুসলিম)[1]
[1] সহীহ : বুখারী ৩৩২১, মুসলিম ২২৪৫, আহমাদ ১০৬২১, শারহুস্ সুন্নাহ্ ১৬৬৬, সহীহ আল জামি‘ আস্ সগীর ৪১৬৩।
ইসলাম অন্যায় মেনে নেয়না কখনো। কুকুর ঘরে পালন নিষিদ্ধ কিনতু কুকুরের প্রতি দয়া উপড়ের হাদীস দিয়ে প্রমাণিত।
এবার আসুন প্রাণীর প্রতি দয়া নিয়ে ইসলাম কি বলে দেখি।
হজরত আমর ইবনুল আ'স (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, 'দয়ালু লোকদের প্রতি আল্লাহও দয়া করেন। তোমরা পৃথিবীর অধিবাসীদের প্রতি দয়া করো, আকাশের অধিবাসীরা তোমাদের প্রতি দয়া করবেন'- (তিরমিজি : ১৯২৪)।
এর মাধ্যমে সকল প্রাণীকে বোঝানো হয়েছে শুধু বিড়াল কুকুর নয়। অপ্রয়োজনে ক্ষুদ্র পিপড়া হত্যাও নিষিদ্ধ ইসলামে। এমনকি সাপ হত্যার আগেও তাকে চলে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে বলে ইসলাম।
এরপরের ইসলাম অনুসারী পোষ্টকারীর ভাষায় (ধর্মা'ন্ধ) মানুষ যে ইসলামের জন্য কুকুর নির্যাতন করে কেমনে বলা যায়?
No comments:
Post a Comment