“ হুযুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, হযরত আদম আলাইহিস সালাম যখন দুনিয়াতে তাশরীফ আনেন
তখন তিনি সবসময় কান্নাকাটি করতেন। একদিন তিনি আল্লাহর দরবারে আরজ করলেন,
হে আল্লাহ! মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ওসীলায় আমি আপনার
কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। তখন ওহী নাজীল হয়- মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লামকে আপনি কিভাবে চিনলেন, আপনি তো উনাকে কখনো দেখেননি? তখন তিনি
বললেন-যখন আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, আমার অভ্যন্তরে রুহ প্রবেশের পর মাথা
তুলে আমি আরশে লেখা দেখলাম- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ।
তখনই আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে, মুহাম্মদ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর চেয়ে সর্বাধিক প্রিয় ব্যক্তিত্ব আর
কেউ নেই যার নাম আপনি স্বীয় নামের সাথে রেখেছেন। তখন অহী নাজীল হল-তিনি
সর্বশেষ নবী। আপনার সন্তানদের অন্তর্ভূক্ত হবে। যদি তিনি না হতেন, তাহলে
আপনাকেও সৃষ্টি করা হতো না।“
“আমি গুপ্ত ছিলাম। আমার মুহব্বত হলো যে, আমি জাহির হই। তখন আমি আমার (রুবুবিয়্যত) জাহির করার জন্যই সৃষ্টি করলাম মাখলূকাত (আমার হাবীব হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে)।”
হযরত সালমান ফারিসী রাদ্বিআল্লাহু তা’য়ালা আনহু বলেন: “হযূর পূর নূর সাললাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কাছে জিবরীল আমীন আলাইহিস সালাম এসে পৌঁছে দেন আল্লাহর বাণী, ‘(হে রাসূল) আপনার চেয়ে অধিক সম্মানিত আর কাউকেই আমি সৃষ্টি করি নি। আমি বিশ্বজগত ও এর মধ্যে যা কিছু আছে তার সবই সৃষ্টি করেছি যাতে তারা জানতে পারে আপনার মহান মর্যাদা সম্পর্কে। আমি এই বিশ্বজগত সৃষ্টি করতাম না, যদি আপনাকে সৃষ্টি না করতাম’।”
” মহান আল্লাহ পাক তাহার রসূল হযরত ঈসা আলাইহিস সালামকে ওহী করলেন। হে হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম ! আপনি হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি ঈমান আনুন এবং আপনার উম্মতের মধ্যে তাহাকে যারা পেতে চায় তাঁদের নির্দেশ করুন, তাঁরা যেন তাহার প্রতি ঈমান আনে।
যদি মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম না হতেন তবে আদম আলাইহিস সালামকে ও সৃষ্টি করতাম না, যদি মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সৃষ্টি না হতেন তবে জান্নাত এবং জাহান্নাম সৃষ্টি করতাম না।আর যখন আমি পানির উপর আরশ সৃষ্টি করলাম তখন তা টলমল করছিলো, যখনই আরশের মধ্যেلا اله الا الله محمد رسول الله صلي الله عليه و سلم লিখে দেই তৎক্ষণাৎ আরশ স্থির হয়ে যায়।”
No comments:
Post a Comment