Saturday, May 21, 2022

 

জীবনের প্রথম শাখে যে কোকিল প্রথম ডাকে, হোক সে কুৎসিত কালো, তবু জীবনের আলো।

প্রায় দেড় হাজার বছর আগে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কি কথা বলেছেন, যুদ্ধের সময় কোন কথা বলতেন, হযরত আলী (রাঃ)-কে ঘাড়ে করে পানি আনতে বলেছেন। সব কথা আজও বাতাসে ভেসে বেড়ায়।

হুজুরপাক (সাঃ) বলেছেনবিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে মাত্র ৭০ হাজার খাটি ঈমানদার থাকবেতুমি বসে বসে ভাব তুমি পরীক্ষায় টেকো কিনা।

বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে কলেমালা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু”- ধ্বনীতে প্রতিধ্বনীত  একটি কথা তিনি, লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষের সামনে প্রায়ই বলতেন তা হলো আমাকে যদি কেউ কখনো পান খাওয়ার সময় ডান হাতের পরিবর্তে বাম হাতে চুন খেতে দেখেন এবং কোন সুন্নত এমনকি একটি মোস্তাহাবের খেলাপ করতে দেখেন, তাহলে আমার মুরিদ হয়ে যদি আমাকে সংশোধন করে না দেন তাহলে কেয়ামত পর্যন্ত ঠেকা (দাবি) থাক বন।

মূর্খ লোকের ঈমান কচু পাতার পানি

উঠ, জাগ, অভিষ্ঠ সিদ্ধির আগে ক্ষান্ত হইও না।

আমার একটা অনুরোধ, হাদীস শরীফে আছে যেমন আছে এবং কোরআন শরীফে

যা আছে যেমন আছে তেমনভাবেই জীবন চালাতে হবে। এর বাইরে আমার ধারে (নিকট) যে বয়াত (মুরিদ) হইয়া থাকেন কোন বুদ্ধি খাটাইতে পারবেন না, যদি খাটান আমি তার পীর না, সে আমার মুরিদ না। মানুষ জ্ঞান-বিজ্ঞানে ক্রমাগতভাবে এমন উন্নতি করছে যে, এরপর মানুষ আর মানুষ থাকবে না, খালি জ্ঞানই হবে। যদি কেউ হেটে যায় মানুষ বলবে একটা জ্ঞান হেটে যায়, এত জ্ঞানী মানুষ হবে এরকম হতে হতে আল্লাহ রাব্দুল আলামীনকে অস্বীকার করবে (নাউজুবিল্লাহ), করতে করতে আবার খুব যদি জ্ঞানী হয় তখন সে ফিরে আবার

আল্লাহপাকের কুদরতী পায়ে পরে কান্দা শুরু করবে (আলহামদুলিল্লাহ)

কোন শব্দ শুরু হলে সেটা কোথাও যেয়ে শেষ হয় না, যেতেই থাকে, পৃথিবীর অন্য

প্রান্তে যেয়ে শেষ হয় না, এভাবে গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে যায়, যেতে যেতে আল্লাহপাক পর্যন্ত যায়

 ঘর যেমন মানুষকে আকাশ হইতে বিচ্ছিন্ন করে রাখে, মানুষের মনের ঘরও তাকে আল্লাহ্ থেকে (অনন্ত থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখে।তুমি দেখিতেছ পাহাড়গুলি স্থির হইয়া রহিয়াছে। অথচ উহা মেঘের ন্যায় চলাফেরা করিতেছে।

বান্দার চোখের পানির সঙ্গে এবং জেকেরের সঙ্গে আল্লাহ্ পাকের একটা দারুন রকমের সম্পর্ক আছে।

তোমার দুর্বল ঈমানের সঙ্গে একটা সবল ঈমানের যোগ কর।

একটা মানুষের কাছে না গেলে মানুষ মানুষ হয়না।

এলেমের যখন মৃত্যু হয়, আলেম তখন আলেম হয়।

জগৎ জোড়া একই মোর্শেদ চিনে কয়জনা, মোর্শেদের মরণ হয় না কোন কালে।

দেখলে তারে দেখার মত, সাধনা কি লাগত এত? ভাবলে তারে ভাবার মত, ভাবনা রইত না আর

বিঃ দ্রঃ এখানে খুব সংক্ষেপে মহান আল্লাহ্র অলীর পরিচিতি প্রকাশ করা হলাে। সিদ্দিকীয়া ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মাের্শেদ কেবলার সম্পূর্ন জীবনী বের হতে যাচ্ছে

 

No comments:

Post a Comment